সংবাদ শিরোনাম :
কবর -জসীমউদ্দিন
কবর -জসীমউদ্দিন এই খানে তোর দাদির কবর ডালিম-গাছের তলে, তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে। এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু
সৃজিব অমরাবতী !
সৃজিব অমরাবতী ! আজি বিদায়ের আগে আমারে জানাতে তোমারে জানিতে কত কি যে সাধ জাগে ! মর্মের বাণী শুনি তব,
লিচু চোর -কাজী নজরুল ইসলাম
লিচু চোর -কাজী নজরুল ইসলাম বাবুদের তাল-পুকুরে হাবুদের ডাল-কুকুরে সে কি বাস করলে তাড়া, বলি থাম একটু দাড়া। পুকুরের
উত্তম ও অধম -সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তম ও অধম -সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত (মূলঃ শেখ সাদী) কুকুর আসিয়া এমন কামড় দিল পথিকের পায় কামড়ের চোটে বিষদাঁত ফুটে বিষ
প্রেমের গানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
প্রেমের গানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমার সকল নিয়ে বসে আছি সর্বনাশের আশায়, আমি তার লাগি পথ চেয়ে আছি পথে যেজন ভাসায়।
স্বদেশ -আহসান হাবীব
স্বদেশ -আহসান হাবীব এই যে নদী নদীর জোয়ার নৌকা সারে সারে, একলা বসে আপন মনে বসে নদীর ধারে- এই ছবিটি
চাষী –রাজিয়া খাতুন চৌধুরাণী
চাষী –রাজিয়া খাতুন চৌধুরাণী সব সাধকের বড় সাধক আমার দেশের চাষা, দেশ মাতারই মুক্তিকামী, দেশের সে যে আশা। দধীচি কি
মা -কাজী কাদের নেওয়াজ
মা কাজী কাদের নেওয়াজ মা কথাটি ছোট্ট অতি কিন্তু জেনো ভাই, ইহার চেয়ে নাম যে মধুর তিন ভুবনে নাই। সত্য
কাজের লোক -নব কৃষ্ণ ভট্টাচার্য
কাজের লোক -নব কৃষ্ণ ভট্টাচার্য মৌমাছি, মৌমাছি কোথা যাও নাচি নাচি দাঁড়াও না একবার ভাই। ওই ফুল ফোটে বনে যাই
“আয় খুকু আয়’’ -পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়
‘‘আয় খুকু আয়’’ -পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় কাটেনা সময় যখন আর কিছুতে বন্ধুর টেলিফোনে মন বসে না জানালার গ্রীলটাতে ঠেকাই মাথা মনে



















