সংবাদ শিরোনাম :
“খুকি ও কাঠবেড়ালি”-কাজী নজরুল ইসলাম
খুকি ও কাঠবেড়ালি –কাজী নজরুল ইসলাম কাঠবেড়ালি! কাঠবেড়ালি! পেয়ারা তুমি খাও? গুড়-মুড়ি খাও? দুধ-ভাত খাও? বাতাবি-নেবু? লাউ? বেড়াল-বাচ্চা? কুকুর-ছানা? তাও-
আষাঢ় -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
আষাঢ় –রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে তিল ঠাঁই আর নাহি রে। ওগো, আজ তোরা যাস নে ঘরের বাহিরে। বাদলের
কৃষ্ণকলি –রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
কৃষ্ণকলি –রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি, কালো তারে বলে গাঁয়ের লোক। মেঘলাদিনে দেখেছিলেম মাঠে কালো মেয়ের কালো হরিণ-চোখ। পড়োন>>সৃজিব
জীবনানন্দ দাশের কবিতা : আবার আসিব ফিরে
জীবনানন্দ দাশের কবিতা – “আবার আসিব ফিরে” আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে — এই বাংলায়/ হয়তো মানুষ নয় — হয়তো
নিমন্ত্রণ -জসীম উদ্দীন
নিমন্ত্রণ -জসীম উদ্দীন তুমি যাবে ভাই – যাবে মোর সাথে, আমাদের ছোট গাঁয়, গাছের ছায়ায় লতায় পাতায় উদাসী বনের বায়;
কবি জীবনানন্দ দাশের কবিতা বনলতা সেন
কবি জীবনানন্দ দাশের কবিতা বনলতা সেন হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে, সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে
কবিতা: জীবনানন্দ দাশের বনলতা সেন
কবিতা: জীবনানন্দ দাশের বনলতা সেন হাজার বছর ধ’রে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে, সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগরে
যতীন্দ্রমোহন বাগচীর কাজলা দিদি কবিতা
যতীন্দ্রমোহন বাগচীর কাজলা দিদি কবিতা বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই মাগো,আমার শোলক-বলা কাজলা দিদি কই? পুকুর ধারে,নেবুর তলে থোকায়
পল্লিজননী -কবি জসিম উদ্দিন
পল্লিজননী -কবি জসিম উদ্দিন রাত থম থম স্তব্ধ নিঝুম, ঘোর-ঘোর-আন্ধার, নিশ্বাস ফেলি তাও শোনা যায় নাই কোথা সাড়া কার । রুগণ
নকশী কাঁথার মাঠ -জসীমউদ্দিন
নকশী কাঁথার মাঠ -জসীমউদ্দিন এই এক গাঁও, ওই এক গাঁও — মধ্যে ধু ধু মাঠ, ধান কাউনের লিখন লিখি করছে



















