সংবাদ শিরোনাম :
চৈতী হাওয়া -কাজী নজরুল ইসলাম
চৈতী হাওয়া -কাজী নজরুল ইসলাম হারিয়ে গেছ অন্ধকারে-পাইনি খুঁজে আর, আজ্কে তোমার আমার মাঝে সপ্ত পারাবার! আজ্কে তোমার জন্মদিন- স্মরণ-বেলায়
কফি হাউস -গৌরি প্রসন্ন মজুমদার
কফি হাউস -গৌরি প্রসন্ন মজুমদার কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই আজ আর নেই। কোথায় হারিয়ে গেল সোনালী বিকেলগুলো
চিঠি দাও -মহাদেব সাহা
চিঠি দাও -মহাদেব সাহা করুণা করে হলেও চিঠি দিও, খামে ভরে তুলে দিও আঙ্গুলের মিহিন সেলাই ভুল বানানেও লিখো প্রিয়,
মাঝি -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
মাঝি -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমার যেতে ইচ্ছে করে নদীটির ওই পারে যেথায় ধারে ধারে বাঁশের খোঁটায় ডিঙি নৌকো বাঁধা সারে সারে।
ফুস মন্তর -জামাল ভড়
ফুস মন্তর -জামাল ভড় ফুস মন্তর ফুস ক্যামেরাম্যান আয় সাংবাদিক সব আয় জানবে দেশের লোক ফিরবে তাদের হুঁশ। ফুস মন্তর
ইকড়ি মিকড়ি -সুকুমার রায়
ইকড়ি মিকড়ি -সুকুমার রায় ইকড়ি মিকড়ি চাম-চিকড়ি, চামের কাঁটা মজুমদার, ধেয়ে এল দামোদর। দামোদরের হাঁড়ি-কুঁড়ি, দাওয়ায় বসে চাল কাঁড়ি। চাল
স্বপ্নে দেখি একটি নতুন ঘর -কাজী নজরুল ইসলাম
স্বপ্নে দেখি একটি নতুন ঘর -কাজী নজরুল ইসলাম। স্বপ্নে দেখি একটি নতুন ঘর! তুমি আমি দু-জন প্রিয়, তুমি আমি দু-জন।
আমার বাড়ি -জসীম উদদীন
আমার বাড়ি -জসীম উদদীন আমার বাড়ি যাইও ভোমর, বসতে দেব পিঁড়ে, জলপান যে করতে দেব শালি ধানের চিঁড়ে। শালি ধানের
আমাদের গ্রাম -বন্দে আলী মিঞা
আমাদের গ্রাম -বন্দে আলী মিঞা আমাদের ছোটো গাঁয়ে ছোটো ছোটো ঘর থাকি সেথা সবে মিলে কেহ নাহি পর। পাড়ার সকল
মামার বাড়ি –জসীম উদ্দীন
মামার বাড়ি –জসীম উদ্দীন আয় ছেলেরা আয় মেয়েরা, ফুল তুলিতে যাই ফুলের মালা গলায় দিয়ে মামার বাড়ি যাই। মামার বাড়ি



















