কলাপাড়ায় খরা ও অনাবৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে ইসতিসকা নামাজ আদায়
- আপডেট সময় : ০৩:০১:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ অগাস্ট ২০২২ ২৪৮ বার পড়া হয়েছে
পটুয়াখালী থেকে মোঃ সাইফুল খন্দকার :পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আল্লাহতালার কাছে বৃষ্টির প্রার্থনায় জামা টুপি উল্টে ইসতিসকা নামাজ আদায়, বৃষ্টি না হওয়ায় তাপপ্রবাহে দেশের মানুষের বিপদ-আপদ ও দুঃখ-কষ্ট হতে থাকলে প্রয়োজন পূরণের জন্য আল্লাহর দরবারে পানি প্রার্থনা করে দোয়া করা হয়।
একেই আরবিতে বলা হয় ‘ইসতিসকা’ অর্থাৎ পানি প্রার্থনা করা। হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে যে রাসুলুল্লাহ (সা.) বৃষ্টিপ্রার্থনার সময় বলতেন, ‘হে আল্লাহ! তুমি তোমার বান্দাকে এবং তোমার পশুদের পানি দান করো আর তাদের প্রতি তোমার রহমত বর্ষণ করো এবং তোমার মৃত জমিনকে জীবিত করো।’ (মিশকাত) তাই বৃষ্টির জন্য প্রার্থনায় সম্মিলিতভাবে জামাতে দুই রাকাত ‘ইসতিসকার নামাজ’ আদায়ের জন্য দেশের সব এলাকার মুসলমান পুরুষকে অবনত মস্তকে কাকুতি-মিনতির সঙ্গে মাঠে বের হওয়া দরকার।
ইমাম সাহেব কিবলামুখী দাঁড়িয়ে হস্তদ্বয় প্রসারিত করে রহমতের বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করবেন এবং মুসল্লিরাও কায়মনোবাক্যে দোয়া করবেন। সবাইকে পাপমোচনের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে নিখাদ অন্তরে তওবা ও ইস্তেগফার করতে হবে। কেউ অন্যের হক বা মানবাধিকার বিনষ্ট করলে তা ফেরত দিতে হবে, তবেই আল্লাহ তাআলা মানুষের মনোবাঞ্ছা পূরণ করেন।
কলাপাড়ায় বৃষ্টির জন্য তীব্র গরমে খোলা আকাশের নিচে শত শত মুসল্লি দুই রাকাত ইসতিসকা নামাজ আদায় করে বিশেষ মোনাজাত করেছেন এসময়ে পাঞ্জাবী টুপি ও উল্টো মোনাজাত করা হয় । শনিবার সকাল ৭টার দিকে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার, নীলগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সুলতানগঞ্জ প্রার্থমিক বিদ্যালয় মাঠে, একই সময় নীলগঞ্জ ১নং ওয়ার্ডের দুই গ্রাম এ নামাজ আদায় করা হয়।
নামাজ শেষে অব্যাহত অনাবৃষ্টি থেকে মুক্তির জন্য ও আল্লাহর কাছে রহমত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। এতে নীলগঞ্জ মাঠে ইমামতি ও মোনাজাত পরিচালনা করেন, মুফতি সাইদুর রহমান ইমাম ও খতিব কলাপাড়া জামে বড় মসজিদ, ও সুলতানগঞ্জ মাঠে পরিচালনা করেন, কুদ্দুস মাওলানা ইমাম ও খতিফ মধ্যনির্গঞ্জ জামে মসজিদ। জানা গেছে, আষাঢ়ের বৃষ্টিপাত না হওয়ায় তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। ভরা বর্ষা মৌসুমেও দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে বৃষ্টির দেখা মিলছে না। এদিকে খাল-বিলের পানি না থাকায় ধান রোপণ করতে পারছেন না কৃষকরা।
সময়মতো আমন ধান লাগাতে না পারায় দুশ্চিন্তায় রয়েছেন আমন ধান চাষিরাও। পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হলে ক্ষেতে আগাছা, রোগ ও পোকার আক্রমণ বেড়ে যাবে।
এতে ধানের ফলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। খরা ও অনাবৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে সকালে এ নামাজ আদায় করেছেন এলাকাবাসী। নামাজ শেষে অব্যাহত অনাবৃষ্টি থেকে মুক্তির জন্য ও আল্লাহর রহমত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























