রাঙ্গামাটিতে গৃহবধূ হত্যার ২ আসামী গ্রেপ্তার
- আপডেট সময় : ০৪:৪৪:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬ ৩২০২৭ বার পড়া হয়েছে
রাঙ্গামাটিতে গৃহবধূ হত্যার ২ আসামী গ্রেপ্তার
রাঙ্গামাটির বরকল উপজেলার শুভলং ইউনিয়নে চাঞ্চল্যকর গৃহবধূ আয়েশা বেগম (৪৯) হত্যা ও দস্যুতার ঘটনার রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই তরুণ ও কিশোরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের হেফাজত থেকে লুণ্ঠিত ১ লাখ ৯৯ হাজার টাকা এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা ইট ও হাতুড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তি ও মাঠপর্যায়ের নিখুঁত গোয়েন্দা তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় বরকল থানা পুলিশ।
পড়ুন>> এবার প্রথম যুক্ত হলো সনাতনীদের নতুন উৎসব গঙ্গা আরতী
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২১ জুন রাত আনুমানিক ৮টার দিকে বরকল থানার শুভলং পুলিশ ফাঁড়ি খবর পায়, শুভলং ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বরুনাছড়ি (ইসলামপুর) এলাকার বাসিন্দা রফিজুল হকের বসতঘরে তার স্ত্রী আয়েশা বেগমের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে রয়েছে।
খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরবর্তীতে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। আলামত হিসেবে ঘর থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ইট ও একটি হাতুড়ি জব্দ করে পুলিশ।
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গত ২২ জুন নিহতের ছেলে আশরাফ আলী বাদী হয়ে বরকল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পেনাল কোডের ৪৪৮/৩৯৪/৩০২/৩৪ ধারায় (অনধিকার প্রবেশ, দস্যুতা ও হত্যা) মামলাটি রুজু করা হয়।পুলিশের ঝটিকা অভিযান ও গ্রেপ্তার, ঘটনার পর রাঙ্গামাটির পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব-এর প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় বরকল থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম মাঠে নামে।
পড়ুন>> ভুরুঙ্গামারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধার মৃত্যু
গোপন তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে ২৪ জুন সকালে বরুনাছড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার দুই প্রধান সন্দেহভাজনকে নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, ওমর আলী (১৯) এবং আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত এক কিশোর সোহাগ (১৭)।করলা বাগান ও পাটাতনের নিচ থেকে টাকা উদ্ধার, গ্রেপ্তারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ লুণ্ঠিত টাকা উদ্ধারে চিরুনি অভিযান চালায়।
এ সময় আসামি সোহাগের ঘরের পাটাতনের নিচে সাদা পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ১ লাখ ৬ হাজার টাকা এবং ওমর আলীর বাড়ির দক্ষিণ পাশে করলা বাগানের মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা ৯৩ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। সর্বমোট উদ্ধারকৃত অর্থের পরিমাণ ১ লাখ ৯৯ হাজার টাকা, যা ওই ঘর থেকে আসামিরা লুট করেছিল।


























