ঢাকা ১১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভূরুঙ্গামারীতে ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ ​নাগেশ্বরীতে ২৮ অক্টোবর পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত নাগেশ্বরীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিশ্ব হাত ধোঁয়া দিবস ডোমারে উদযাপন কাউনিয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালন   কাউনিয়ায় যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও আনন্দ র‍্যালি তারেক রহমান ও বিএনপির বিরুদ্ধে চক্রান্ত চালাচ্ছে ফ্যাসিস্ট ও গুপ্ত বাহিনী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যারিয়ার নির্ধারণী কর্মশালা ও উপাচার্যের দিকনির্দেশনা চট্টগ্রাম বন্দরে ৩৯৩ জনের নিয়োগ, আবেদন শুরু নভেম্বরে ঢালচরের পর্যটন বিকাশে মতবিনিময় করল ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশন

প্রচারের নামে ভোটারদের বিকাশ ও এনআইডি নম্বর সংগ্রহের অভিযোগ

সৃষ্টি নির্বাচন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:১৬:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬ ৯৮৮৯ বার পড়া হয়েছে

ফেনী ১

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

প্রচারের নামে ভোটারদের বিকাশ ও এনআইডি নম্বর সংগ্রহের অভিযোগ

 

 

ফেনী-১ আসনে নির্বাচনী প্রচার ও গণসংযোগের নামে ভোটারদের কাছ থেকে মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে ফেনীর পরশুরাম উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম অলকা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 

 

 

খবর পেয়ে উপজেলা বিএনপি ও জামায়াতের নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থলে ছুটে যান। স্থানীয়দের অভিযোগ, জামায়াত-শিবিরের কয়েকজন কর্মী এলাকায় ঘুরে ঘুরে ভোটারদের এনআইডি নম্বর ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে এমন একটি তালিকাও উদ্ধার করা হয় বলে দাবি করেন তারা।

পড়ুন>>রাঙামাটি-২৯৯ আসনে ৭ প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা

 

উপজেলা জামায়াতের আমির আব্দুল হালিম বলেন, জামায়াত কর্মী বাহারের নেতৃত্বে ১৫ জন জামায়াত-শিবির কর্মী পশ্চিম অলকা গ্রামে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। কয়েকজন নারী ভোটারের স্বামীর নাম না থাকায় তাদের আইডি কার্ডের নম্বর জানতে চাওয়া হয়।

 

 

এ সময় স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. রফিক ও আবদুল মান্নানের নেতৃত্বে ১৫-২০ জন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী জামায়াত-শিবির কর্মীদের অবরুদ্ধ করেন। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।

 

 

পরশুরাম উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও চিথলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম মানিক বলেন, ঘটনার সময় তিনি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ছিলেন।

 

তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনী প্রচারের নামে ভোটারদের বিকাশ ও এনআইডি নম্বর সংগ্রহ করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের কাছ থেকে ৪০-৫০ জনের একটি তালিকা উদ্ধার করা হয়।

 

 

ঘটনার পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

 

 

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম সাফায়াত আক্তার নূর জানান, বিএনপির অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

পড়ুন>> নীতিভঙ্গ ও বিদ্রোহে কঠোর বিএনপি: ১০ বিভাগে কোন কোন নেতা বহিষ্কার

 

স্থানীয় গ্রাম পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে। আটক জামাল উদ্দিনের (বয়স ৭৫) কাছ থেকে ভবিষ্যতে এ ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িত না হওয়ার মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

 

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

প্রচারের নামে ভোটারদের বিকাশ ও এনআইডি নম্বর সংগ্রহের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:১৬:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

 

প্রচারের নামে ভোটারদের বিকাশ ও এনআইডি নম্বর সংগ্রহের অভিযোগ

 

 

ফেনী-১ আসনে নির্বাচনী প্রচার ও গণসংযোগের নামে ভোটারদের কাছ থেকে মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে ফেনীর পরশুরাম উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম অলকা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 

 

 

খবর পেয়ে উপজেলা বিএনপি ও জামায়াতের নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থলে ছুটে যান। স্থানীয়দের অভিযোগ, জামায়াত-শিবিরের কয়েকজন কর্মী এলাকায় ঘুরে ঘুরে ভোটারদের এনআইডি নম্বর ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে এমন একটি তালিকাও উদ্ধার করা হয় বলে দাবি করেন তারা।

পড়ুন>>রাঙামাটি-২৯৯ আসনে ৭ প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা

 

উপজেলা জামায়াতের আমির আব্দুল হালিম বলেন, জামায়াত কর্মী বাহারের নেতৃত্বে ১৫ জন জামায়াত-শিবির কর্মী পশ্চিম অলকা গ্রামে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। কয়েকজন নারী ভোটারের স্বামীর নাম না থাকায় তাদের আইডি কার্ডের নম্বর জানতে চাওয়া হয়।

 

 

এ সময় স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. রফিক ও আবদুল মান্নানের নেতৃত্বে ১৫-২০ জন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী জামায়াত-শিবির কর্মীদের অবরুদ্ধ করেন। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।

 

 

পরশুরাম উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও চিথলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম মানিক বলেন, ঘটনার সময় তিনি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ছিলেন।

 

তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনী প্রচারের নামে ভোটারদের বিকাশ ও এনআইডি নম্বর সংগ্রহ করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের কাছ থেকে ৪০-৫০ জনের একটি তালিকা উদ্ধার করা হয়।

 

 

ঘটনার পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

 

 

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম সাফায়াত আক্তার নূর জানান, বিএনপির অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

পড়ুন>> নীতিভঙ্গ ও বিদ্রোহে কঠোর বিএনপি: ১০ বিভাগে কোন কোন নেতা বহিষ্কার

 

স্থানীয় গ্রাম পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে। আটক জামাল উদ্দিনের (বয়স ৭৫) কাছ থেকে ভবিষ্যতে এ ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িত না হওয়ার মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

 

 

 

Facebook Comments Box