ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে বক্তব্য দিলেন আইআইএমএম এর হেড নিকোলাস কৌমজিয়ান
- আপডেট সময় : ১০:৩৪:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ১৭৫ বার পড়া হয়েছে
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে বক্তব্য দিলেন আইআইএমএম এর হেড নিকোলাস কৌমজিয়ান
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে বক্তব্য দিয়েছেন ইনডিপেনডেন্ট ইনভেস্টিগেটিভ মেকানিজম ফর মিয়ানমার (আইআইএমএম)-এর হেড নিকোলাস কৌমজিয়ান। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচার থিয়েটারে “মিয়ানমারে মানবতাবিরোধী অপরাধ: আইআইএমএম-এর চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যত” শিরোনামের একটি বক্তব্য দেন তিনি। এই পাবলিক লেকচারের আয়োজন করেছে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড জাস্টিস (সিপিজে)।
২০১৮ সালে জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ আইআইএমএম গঠন করে। এর উদ্দেশ্য হলো ২০১১ সাল থেকে মিয়ানমারে সংঘটিত গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের নিরপেক্ষ ও স্বাধীন প্রমাণ সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ করা।
পড়ুন>> সফট পাওয়ার; হার্ড অ্যাবিউজ: আওয়ামী লীগের মিডিয়া মাফিয়া শীর্ষক প্রেস কনফারেন্স
নিকোলাস কৌমজিয়ান তার বক্তব্যে বাংলাদেশ সরকারের অকুণ্ঠ সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সহায়তার কারণেই আইআইএমএম আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) এবং আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) জন্য মূল্যবান ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ সংগ্রহ করতে পেরেছে।
তিনি উল্লেখ করেন যে আইআইএমএম-এর কাজের পরিধি কেবলমাত্র রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধ সংক্রান্ত বিষয়ে সীমাবদ্ধ নয়। আইআইএমএম মিয়ানমারের অন্যান্য জাতি ও সম্প্রদায়ের ওপর সংঘটিত অপরাধের বিষয়েও কাজ করেছে।
তিনি আর্জেন্টিনার “ইউনিভার্সাল জুরিসডিকশন” এর ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করেন। এটি কীভাবে অপরাধীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, সে বিষয়ে তার বক্তব্যে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই ব্যবস্থা অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার জন্য কার্যকরী হতে পারে।
পড়ুন>> প্লাস্টিক পুনঃব্যবহার প্রকল্পে প্রথম পুরস্কার জিতলো ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা
এই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার রোহিঙ্গা সমস্যা ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়াবলি সংক্রান্ত উচ্চপ্রতিনিধি ড. খলিলুর রহমান। তিনি রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করেন।
তিনি এই বিষয়ে আইআইএমএম-এর পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে একযোগে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এছাড়াও, তিনি একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই সম্মেলন বাংলাদেশে রোহিঙ্গা সংকটের প্রতি বিশ্বের মনোযোগ ও দৃষ্টি ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড জাস্টিস এর ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর শাহরিয়ার সাদাত। সমাপনী বক্তব্য রাখেন সিপিজের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মনজুর হাসান ওবিই।
পড়ুন>>আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার ফেলোশিপ পেলেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতিনিধি, আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার প্রতিনিধি, দেশ-বিদেশের এনজিও কর্মী, আইনজীবী এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ।
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি অফিস অফ কমিউনিকেশন্স র ২৫শে জানুয়ারি ২০২৫ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

























