ঢাকা ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংবিধান সংশোধন কমিটির নবম বৈঠক: প্রাধান্য পাচ্ছে জুলাই সনদ জামালপুরে বিজিবির অভিযানে ৯০ লাখ টাকার ভারতীয় কাপড় জব্দ প্রধানমন্ত্রীর সফর সামনে রেখে রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠানো নিয়মিত প্রক্রিয়া জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব ও বিনিয়োগে নতুন দিল্লি বিমানবন্দরে হয়রানির নেপথ্যে সিইসির ভাই: অভিযোগ মানসিংহের প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস পুরস্কার প্রাপ্তিতে মেসিকে বার্সেলোনার অভিনন্দন নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সঙ্গে জামায়াতের আঁতাত: রিজভী আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকে ৬২ পদে নিয়োগ সৌদির কারাগারে সাড়ে সাত হাজার বাংলাদেশি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে ‘স্নাইপার’ মন্তব্য: যুবক কারাগারে

ভূরুঙ্গামারীর কৃতি সন্তান শামছৃল হক চৌধুরীর মৃত্যু দিবস উপলক্ষে স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৭:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মে ২০২১ ৪৯৪ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার কৃতি সন্তান মুক্তিযুদ্ধের অকুতোভয় সৈনিক,অন‍্যতম সংগঠক, বরেণ্য মুক্তিযোদ্ধা শিক্ষক, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সহযোদ্ধার মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে শামছুল হক চৌধুরী স্মৃতি পরিষদ এই স্মরণ সভার আয়োজন করে।শামছুল হক চৌধুরী স্মৃতি পরিষদের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন আহমেদ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে সাবেক সংসদ সদস্য ও কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাফর আলী উপস্থিত ছিলেন।তাঁর ঘনিষ্ঠ সহচর ভূরুঙ্গামারী সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল জলিল স্মৃতিচারণে বলেন- ছাত্র অবস্হায় তিনি ভাষা আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ রংপুর অঞ্চলের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে ভাষা আন্দোলনে অগ্রনী ভূমিকা পালন করেন। পরে তিনি ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে মুসলীমলীগ বিরোধী মোর্চা যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির তৎকালীন কুড়িগ্রাম মহকুমার সংগঠক নির্বাচিত হন এবং এই অঞ্চলে যুক্তফ্রন্ট প্রার্থীর পক্ষে ব‍্যাপক প্রচার চালান।
১৯৫৮ সালে সোনাহাট উচ্চবিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। পরে তিনি ১৯৫৯ সালে ভুরুঙ্গামারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন।



পরে গোটা পাকিস্তানে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন শুরু হলে ১৯৬৬ সালে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে সম্মিলিত বিরোধী দল (কপ) এর ভুরুঙ্গামারী থানা স্টিয়ারিং কমিটির সংগঠক নির্বাচিত হন। ১৯৬৯ তীব্র গন আন্দোলনের সময় তিনি তৎকালীন কুড়িগ্রাম মহকুমার গন অভ্যূথানের নেতৃত্ব (কুড়িগ্রাম জেলার) দেন।

পরে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামে ০৬ নং সেক্টরের প্রচার ও প্রকাশনা বিভাগের সভাপতি, এবং উত্তর বঙ্গের (কুড়িগ্রাম জেলার) মুক্তিযোদ্ধের অন্যতম প্রধান সংগঠক এর দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭২ সালে বাংলাদেশ আইন পরিষদের সদস্য (এম সি. এ) নির্বাচিত হয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনায় অংশগ্রহন করেন। ১৯৭৩ সালে সাধারন নির্বচনে জাতীয় সংসদ সদস্য (এম. পি.) নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ সালে তিনি গভর্নর নিযুক্ত হন।



১৯৭৭-১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, কুড়িগ্রামের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন ও ১৯৭৯ সালে সাধারন নির্বচনে বিপুল ভোটে জাতীয় সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বচিত হন। পরবর্তীতে এরশাদ সরকার উপজেলা পরিষদ গঠন করলে ১৯৮৫ ও ১৯৮৯ সালে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।এ ছাড়া কুড়িগ্রাম পৌর মেয়র কাজিউল ইসলাম, দৈনিক কুড়িগ্রাম এর সম্পাদক ও জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য ছানালাল বকসী, ভূরুঙ্গামারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুন্নবী চৌধুরী,উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি শাহজাহান সিরাজ,,প্রেস ক্লাব সভাপতি আনোয়ারুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে দোয়া ও উপস্থিতদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভূরুঙ্গামারীর কৃতি সন্তান শামছৃল হক চৌধুরীর মৃত্যু দিবস উপলক্ষে স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আপডেট সময় : ০৩:২৭:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মে ২০২১

 

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার কৃতি সন্তান মুক্তিযুদ্ধের অকুতোভয় সৈনিক,অন‍্যতম সংগঠক, বরেণ্য মুক্তিযোদ্ধা শিক্ষক, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সহযোদ্ধার মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে শামছুল হক চৌধুরী স্মৃতি পরিষদ এই স্মরণ সভার আয়োজন করে।শামছুল হক চৌধুরী স্মৃতি পরিষদের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন আহমেদ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে সাবেক সংসদ সদস্য ও কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাফর আলী উপস্থিত ছিলেন।তাঁর ঘনিষ্ঠ সহচর ভূরুঙ্গামারী সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল জলিল স্মৃতিচারণে বলেন- ছাত্র অবস্হায় তিনি ভাষা আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ রংপুর অঞ্চলের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে ভাষা আন্দোলনে অগ্রনী ভূমিকা পালন করেন। পরে তিনি ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে মুসলীমলীগ বিরোধী মোর্চা যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির তৎকালীন কুড়িগ্রাম মহকুমার সংগঠক নির্বাচিত হন এবং এই অঞ্চলে যুক্তফ্রন্ট প্রার্থীর পক্ষে ব‍্যাপক প্রচার চালান।
১৯৫৮ সালে সোনাহাট উচ্চবিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। পরে তিনি ১৯৫৯ সালে ভুরুঙ্গামারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন।



পরে গোটা পাকিস্তানে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন শুরু হলে ১৯৬৬ সালে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে সম্মিলিত বিরোধী দল (কপ) এর ভুরুঙ্গামারী থানা স্টিয়ারিং কমিটির সংগঠক নির্বাচিত হন। ১৯৬৯ তীব্র গন আন্দোলনের সময় তিনি তৎকালীন কুড়িগ্রাম মহকুমার গন অভ্যূথানের নেতৃত্ব (কুড়িগ্রাম জেলার) দেন।

পরে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামে ০৬ নং সেক্টরের প্রচার ও প্রকাশনা বিভাগের সভাপতি, এবং উত্তর বঙ্গের (কুড়িগ্রাম জেলার) মুক্তিযোদ্ধের অন্যতম প্রধান সংগঠক এর দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭২ সালে বাংলাদেশ আইন পরিষদের সদস্য (এম সি. এ) নির্বাচিত হয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনায় অংশগ্রহন করেন। ১৯৭৩ সালে সাধারন নির্বচনে জাতীয় সংসদ সদস্য (এম. পি.) নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ সালে তিনি গভর্নর নিযুক্ত হন।



১৯৭৭-১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, কুড়িগ্রামের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন ও ১৯৭৯ সালে সাধারন নির্বচনে বিপুল ভোটে জাতীয় সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বচিত হন। পরবর্তীতে এরশাদ সরকার উপজেলা পরিষদ গঠন করলে ১৯৮৫ ও ১৯৮৯ সালে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।এ ছাড়া কুড়িগ্রাম পৌর মেয়র কাজিউল ইসলাম, দৈনিক কুড়িগ্রাম এর সম্পাদক ও জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য ছানালাল বকসী, ভূরুঙ্গামারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুন্নবী চৌধুরী,উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি শাহজাহান সিরাজ,,প্রেস ক্লাব সভাপতি আনোয়ারুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে দোয়া ও উপস্থিতদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

Facebook Comments Box