ঢাকা ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নতুন ঋণেও আইএমএফের পুরোনো শর্ত: রাজস্ব সংস্কারে কতটুকু অগ্রগতি? ডা. রিদওয়ানউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে সাতকানিয়ায় বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা আজকের খেলার সূচি: ২৩ অক্টোবর ২০২৬ সৈয়দপুরে অন্তঃসত্ত্বা নারীরবাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ব্র্যাক ব্যাংকে ইনফরমেশন সিকিউরিটি বিভাগে নিয়োগ, আবেদনের নিয়ম হরমুজ প্রণালিতে অবাধ চলাচল ও গাজায় যুদ্ধবিরতির আহ্বান কাতার-ফ্রান্সের লক্ষ্মীপুর বিসিক শিল্পনগরীর ২৯ বছরেও কাটেনি নানা সংকট আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের মধ্যে সম্পর্ক সুস্পস্ট: রিজভী নতুন আয়োজনে কুমার বিশ্বজিতের জনপ্রিয় গান ‘যেখানে সীমান্ত তোমার’ দাম্মাম বিমানবন্দরে হামলায় আহত ২ বাংলাদেশি সুস্থ রয়েছেন

সরাইলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪১:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২৪৬ বার পড়া হয়েছে

সরাইলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ৪র্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগে এক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মুহিদ মিয়া (৪৫) একই বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী কে (১২) বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।ধর্ষণের অভিযোগে বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ওই ছাত্রীর মামা মো. রহিম আলী বাদী হয়ে সরাইল থানা ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহার, মামলার বাদী ছাত্রীর মামা ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, ছাত্রীর বাবা-মা প্রবাসে থাকে। প্রতিদিনের ন্যায় গত বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে সে বিদ্যালয়ে যায়। ওই দিন প্রচুর বৃষ্টি ছিল। বিকেল সাড়ে ৩টায় বিদ্যালয় ছুটি হয়। কিন্তু শিক্ষক মুহিদ মিয়া কৌশলে ওই ছাত্রীকে বিদ্যালয়ে ঝাড়ু দেওয়ার কথা বলে এবং বাকি সবাইকে বাড়ি যেতে বলে। ওই ছাত্রীও স্যারের কথা অনুযায়ী সরল বিশ্বাসে বিদ্যালয়ে ঝাড়ু দেওয়ার কাজ শুরু করে। এদিকে বাহিরে বৃষ্টির তীব্রতা আরও বেড়ে যায়। তখন শিক্ষক মুহিদ মিয়া তাকে ধর্ষণ করে। পরে নিপা বাড়ি গিয়ে কেঁদে কেঁদে তার নানীর কাছে সব বলে। ওই ছাত্রীর মামা রহিম মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে সে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে।এ ব্যাপারে শিক্ষক মুহিদ মিয়ার সাথে ০১৯১৭১০৬১২৬/০১৭২১৭৪৫২৪৬ এই ২টি মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে মোবাইল দুটি বন্ধ পাওয়া গেছে।
সরাইল উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল আজিজ বলেন, বিষয়টি শুনেছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিধি মোতাবেক আইনত ব্যবস্থা নেব।
সরাইল থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মো. আসলাম হোসেন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। মেয়ের মামা বাদি হয়ে নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। আমরা আসামিকে ধরার জন্য দ্রুত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এবং অতি শীঘ্রই আসামি ধরতে সক্ষম হব।তথ্য চ্যালেন 69

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সরাইলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:৪১:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২২

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ৪র্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগে এক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মুহিদ মিয়া (৪৫) একই বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী কে (১২) বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।ধর্ষণের অভিযোগে বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ওই ছাত্রীর মামা মো. রহিম আলী বাদী হয়ে সরাইল থানা ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহার, মামলার বাদী ছাত্রীর মামা ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, ছাত্রীর বাবা-মা প্রবাসে থাকে। প্রতিদিনের ন্যায় গত বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে সে বিদ্যালয়ে যায়। ওই দিন প্রচুর বৃষ্টি ছিল। বিকেল সাড়ে ৩টায় বিদ্যালয় ছুটি হয়। কিন্তু শিক্ষক মুহিদ মিয়া কৌশলে ওই ছাত্রীকে বিদ্যালয়ে ঝাড়ু দেওয়ার কথা বলে এবং বাকি সবাইকে বাড়ি যেতে বলে। ওই ছাত্রীও স্যারের কথা অনুযায়ী সরল বিশ্বাসে বিদ্যালয়ে ঝাড়ু দেওয়ার কাজ শুরু করে। এদিকে বাহিরে বৃষ্টির তীব্রতা আরও বেড়ে যায়। তখন শিক্ষক মুহিদ মিয়া তাকে ধর্ষণ করে। পরে নিপা বাড়ি গিয়ে কেঁদে কেঁদে তার নানীর কাছে সব বলে। ওই ছাত্রীর মামা রহিম মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে সে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে।এ ব্যাপারে শিক্ষক মুহিদ মিয়ার সাথে ০১৯১৭১০৬১২৬/০১৭২১৭৪৫২৪৬ এই ২টি মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে মোবাইল দুটি বন্ধ পাওয়া গেছে।
সরাইল উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল আজিজ বলেন, বিষয়টি শুনেছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিধি মোতাবেক আইনত ব্যবস্থা নেব।
সরাইল থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মো. আসলাম হোসেন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। মেয়ের মামা বাদি হয়ে নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। আমরা আসামিকে ধরার জন্য দ্রুত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এবং অতি শীঘ্রই আসামি ধরতে সক্ষম হব।তথ্য চ্যালেন 69

 

Facebook Comments Box