লংমার্চ করে গ্যাস-বিদ্যুৎ মিলবে না, সরকারকে সময় দেওয়ার আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের
- আপডেট সময় : ০৩:১৯:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬৫ বার পড়া হয়েছে
লংমার্চ করে গ্যাস-বিদ্যুৎ মিলবে না, সরকারকে সময় দেওয়ার আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেছেন, লংমার্চ করে গ্যাস-বিদ্যুৎ পাওয়া সম্ভব নয়। সরকারকে প্রয়োজনীয় সময় দিতে হবে। শনিবার রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের আশরাফাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত ‘বর্জ্যের বিনিময়ে বাজার’ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
সালাম বলেন, সরকার বিরোধীদলের কাছে পরামর্শ চেয়েছে যে, নেওয়া উদ্যোগের বাইরে আর কী করা যায়। তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘লংমার্চ করে কি গ্যাস-বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে? আজকে হাজার হাজার গাড়ি নিয়ে যে পেট্রোল পোড়াবেন, এতে খরচ হবে না? এটা কিনতে ডলার লাগে, নিজের টাকা দিয়ে কেনা যায় না।’
পড়ুন>>আমাদের লংমার্চ ওষুধের মতো কাজ করছে: জামায়াত আমির
বিরোধীদলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তারা কেবল বক্তৃতা দেয়, কিন্তু পরিচ্ছন্নতা বা আবর্জনা মুক্ত করার জন্য কোনো কর্মসূচি পালন করে না। তিনি আরও বলেন, ‘আগের সরকার ঋণ করে গেছে, সেই ঋণের বোঝা মাথায় নিয়েই বর্তমান সরকার কাজ করছে। গত ছয় মাসে রেকর্ড পরিমাণ ঋণ পরিশোধ করতে হয়েছে।’
নাগরিক সচেতনতা ও পরিবেশ সুরক্ষা
পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে প্রশাসক বলেন, ‘আবর্জনা রাস্তায় বা বুড়িগঙ্গায় ফেলা যাবে না।’ তিনি বুড়িগঙ্গা দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ও কারখানা উচ্ছেদের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ড্রেন বা নালায় প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলার কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়, যা নিরসনে নাগরিকদের নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার পরামর্শ দেন তিনি।
এই অনুষ্ঠানে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ডিএসসিসি ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে স্থানীয়রা বর্জ্য জমা দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহ করেন।
পণ্য বিনিময়ের নিয়মাবলি
বর্জ্য ওজন করে টোকেন দেওয়ার মাধ্যমে পণ্য বিতরণ করা হয়। বিনিময়ের হারগুলো হলো
- ৬ কেজি বর্জ্য: ১টি মুরগি
- ৫ কেজি বর্জ্য: ১টি মাছ
- ১ কেজি বর্জ্য: ৬ পিস ডিম
- ৪ কেজি বর্জ্য: ২ কেজি আটা
- ৫ কেজি বর্জ্য: ১ লিটার তেল
- ২ কেজি বর্জ্য: ১ প্যাকেট টোস্ট বিস্কিট
- ৩ কেজি বর্জ্য: ১ কেজি চিনি
উল্লেখ্য, দেশে বর্তমানে তৃতীয় এফএসআরইউর জন্য ৩৫-৩৭ শতাংশ বেশি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সংকট ও দূষণ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে, যার মধ্যে আমিনবাজার ল্যান্ডফিলে কোটি টনের বেশি আবর্জনা জমে থাকা, নোয়াখালীর পৌর এলাকায় অব্যবস্থাপনা এবং সাঙ্গু নদী দূষণের মতো বিষয়গুলো অন্যতম।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























