ঢাকা ০৭:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

যুব অধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সানি সারোয়ার বহিষ্কার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৯:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব থেকে সানি সারোয়ারকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দলের উপ-দপ্তর সম্পাদক নাইম হোসেন শান্ত স্বাক্ষরিত এক সাংগঠনিক আদেশের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। আদেশে বলা হয়, সানি সারোয়ারের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং সংগঠনের আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এসব অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নাদিম হাসান ও সাধারণ সম্পাদক মুনতাজুল ইসলামের নির্দেশনায় তাকে সাংগঠনিক সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।

এর আগে রাজধানীর মতিঝিলের আলোচিত ‘বাংলার বাণী’ ভবন দখল এবং তা নিয়ে সৃষ্ট বিতর্কের জেরে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়, যেখানে সানি সারোয়ারের নাম উঠে আসে। ৫ই আগস্টের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকেই ভবনটি ঘিরে দখলদারিত্বের অভিযোগ ওঠে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ভবনটির সিংহভাগ গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এই পুরো প্রক্রিয়ার নেপথ্যে রয়েছেন দলটির সভাপতি ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। ভবনটির দুটি ফ্লোর বর্তমানে নুরের নির্দেশেই তালাবদ্ধ অবস্থায় রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ভবনটির নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছেন নুরুল হক নুরের আত্মীয় পরিচয়দানকারী সারোয়ার হোসেন সানী। তিনি গণঅধিকার পরিষদের ব্যানারে কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এছাড়া ভবনের পেছনের অংশে একটি রেস্টুরেন্টও চালু করা হয়েছে, যার মালিকানায় গণঅধিকার পরিষদের পরিচয়ধারী ব্যক্তিরা যুক্ত। এর আগে ৫ই আগস্টের পর ভবনটিতে বিক্ষুব্ধ জনতা একবার হামলা করেছিল এবং পরে সমন্বয়ক ও বিএনপি’র কিছু নেতাকর্মী ভবনটি দখলের চেষ্টা চালালেও শেষ পর্যন্ত তারা সফল হননি। একমাত্র বেসরকারি ব্যাংকের কার্যক্রম পরিচালনা করা অংশ ছাড়া পুরো ভবনটিই এখন বিতর্কিত দখলদারদের কব্জায়।

উল্লেখ্য, প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য ও বিষয়বস্তুর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাদের অবস্থানে অটল থাকার ঘোষণা দিয়েছে। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা রক্ষার অংশ হিসেবেই সানি সারোয়ারের বিরুদ্ধে এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

যুব অধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সানি সারোয়ার বহিষ্কার

আপডেট সময় : ০৬:৩৯:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব থেকে সানি সারোয়ারকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দলের উপ-দপ্তর সম্পাদক নাইম হোসেন শান্ত স্বাক্ষরিত এক সাংগঠনিক আদেশের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। আদেশে বলা হয়, সানি সারোয়ারের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং সংগঠনের আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এসব অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নাদিম হাসান ও সাধারণ সম্পাদক মুনতাজুল ইসলামের নির্দেশনায় তাকে সাংগঠনিক সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।

এর আগে রাজধানীর মতিঝিলের আলোচিত ‘বাংলার বাণী’ ভবন দখল এবং তা নিয়ে সৃষ্ট বিতর্কের জেরে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়, যেখানে সানি সারোয়ারের নাম উঠে আসে। ৫ই আগস্টের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকেই ভবনটি ঘিরে দখলদারিত্বের অভিযোগ ওঠে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ভবনটির সিংহভাগ গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এই পুরো প্রক্রিয়ার নেপথ্যে রয়েছেন দলটির সভাপতি ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। ভবনটির দুটি ফ্লোর বর্তমানে নুরের নির্দেশেই তালাবদ্ধ অবস্থায় রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ভবনটির নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছেন নুরুল হক নুরের আত্মীয় পরিচয়দানকারী সারোয়ার হোসেন সানী। তিনি গণঅধিকার পরিষদের ব্যানারে কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এছাড়া ভবনের পেছনের অংশে একটি রেস্টুরেন্টও চালু করা হয়েছে, যার মালিকানায় গণঅধিকার পরিষদের পরিচয়ধারী ব্যক্তিরা যুক্ত। এর আগে ৫ই আগস্টের পর ভবনটিতে বিক্ষুব্ধ জনতা একবার হামলা করেছিল এবং পরে সমন্বয়ক ও বিএনপি’র কিছু নেতাকর্মী ভবনটি দখলের চেষ্টা চালালেও শেষ পর্যন্ত তারা সফল হননি। একমাত্র বেসরকারি ব্যাংকের কার্যক্রম পরিচালনা করা অংশ ছাড়া পুরো ভবনটিই এখন বিতর্কিত দখলদারদের কব্জায়।

উল্লেখ্য, প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য ও বিষয়বস্তুর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাদের অবস্থানে অটল থাকার ঘোষণা দিয়েছে। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা রক্ষার অংশ হিসেবেই সানি সারোয়ারের বিরুদ্ধে এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Facebook Comments Box