ঢাকা ১১:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভূরুঙ্গামারীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় সমবায় দিবস পালন ভূরুঙ্গামারীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নীলফামারীতে পৃথক দুই সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ৪ বিরলে বিএনপির আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন নওগাঁয় ডিসি গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের পর্দা উঠছে ১০ নভেম্বর নাগেশ্বরীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল নওগাঁয় ইট প্রস্তুতকারক মালিক সমিতির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো র‍্যাগিং চলবে না-উপাচার্য হাসানাত আলী কাউনিয়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও র‍্যালি সরিষাবাড়ীতে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

ভূরুঙ্গামারীতে হলদে গালিচায় ঢেকে গেছে বিস্তৃর্ণ মাঠ

রবিউল আলম লিটন
  • আপডেট সময় : ০৭:১০:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ১০০২৮ বার পড়া হয়েছে

ভূরুঙ্গামারীর দুধকুমার নদের চরে সর্যের বিস্তৃর্ণ মাঠ।

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

ভূরুঙ্গামারীতে হলদে গালিচায় ঢেকে গেছে বিস্তৃর্ণ মাঠ

 

ভূরুঙ্গামারীতে হলদে গালিচায় ঢেকে গেছে বিস্তৃর্ণ মাঠ
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার হলদে গালিচায় ঢেকে গেছে বিস্তীর্ণ এলাকা ও দুধকুমার নদের জেগে উঠা চরের বিস্তৃর্ণ মাঠ। মাঠ জুড়ে সরিষা ফুলের হলুদ গালিচায় গুঞ্জনে মুখরিত মৌমাছি। ধুম চলছে সরিষা ফুলের মধু সংগ্রহের। বাতাসের দোলায় দোল খাচ্ছে কৃষকের রঙিন স্বপ্ন।

 

 

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে ৪ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে। কৃষকরা বারী ১৪, ১৭, ১৮ ও বীনা ৮, ৯, ১১ জাতের সরিষা চাষ করেছেন। গত বছর সরিষা চাষ হয়েছিল ৪ হাজার হেক্টর জমিতে। চলতি মৌসুমে চাষ হয়েছে ৪ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে। যা গতবারের চেয়ে ৩০০ হেক্টর বেশী।

পড়ুন>>তারেক রহমানকে বহনকারী বৈমানিকদের মধ্যে কুড়িগ্রামের আসিফ ইকবাল

 

২০২২-২৩ মৌসুমে ৩হাজার ৩৫০ হেক্টর ২০২১-২২ অর্থবছরে সরিষা চাষ হয়েছিল ১ হাজার ৬৫৪ হেক্টর জমিতে। প্রতি বছরই সরিষা চাষ ক্রমেই বাড়ছে। প্রতি মৌসুমে উপজেলা কৃষি বিভাগের উদ্যোগে কৃষি প্রনোদনার আওতায় সরিষা চাষে কৃষকদের আগ্রহী করে তুলতে কৃষকদেরকে উন্নত জাতের সরিষার বীজ ও সার প্রদান করা হয়।

 

 

চলতি ২০২৫-২৬ মৌসুমেও উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নের কৃষকদের সরিষার বীজ ও সার দেয়া হয়েছে।
উপজেলার পাইকের ছড়া ইউনিয়নের কৃষক মোস্তাফিজুর রহমান ও দুলাল হোসেন জানান,আমন কাটা মারাইয়ের পর ৩-৪ মাস পর্যন্ত জমি পতিত থাকে। এই সময়ে পতিত জমিতে বাড়তি লাভের আশায় সরিষা চাষ করেন তারা।

পড়ুন>> কাউনিয়ায় বাসের ধাক্কায় অটোচালক নিহত: আড়াই ঘন্টা মহাসড়ক অবরোধ 

 

সরিষা কেটে ওই জমিতে আবার বোরো আবাদ করা যায়। এতে অল্প সময়ে একই জমিতে দুটি ফসলের চাষে লাভবান হওয়া যায়। জমিতে সরিষা রোপণ করা থেকে পরিপক্ব হতে সময় লাগে প্রায় দেড় থেকে দুই মাস। প্রতি বিঘা জমিতে সরিষা চাষে সবমিলিয়ে খরচ হয় দেড় থেকে দুই হাজার টাকা। এক বিঘা জমিতে সরিষা উৎপাদন হয় ৫-৬ মণ। সরিষার দামও ভালো পাওয়া যায়। তাই সরিষা বিক্রির টাকা দিয়ে ইরি বোরো চাষে খরচ করা যায় পাশাপাশি ভোজ্য তেলের চাহিদাও মিটানোও সম্ভব।

 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল জব্বার বলেন ভোজ্য তেল উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের দেশের চাহিদা অনুযায়ী যেহেতু তেল উৎপাদন কম হয়। তাই আমরা একটা লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছি।

 

 

আমরা আগামী কয়েক বছরের মধ্যে তৈলাক্ত ফসলের ৫০ ভাগ আমাদের দেশ থেকে উৎপাদন করতে চাই। এই লক্ষ্য নিয়েই আমরা কৃষকদের সরিষা চাষ করতে সঠিক সময়ে প্রণোদনা দিয়েও কৃষকদের লাভের জন্য দু’ফসলি থেকে তিন ফসলি জমি তৈরী করতে উৎসাহিত করছি।

 

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভূরুঙ্গামারীতে হলদে গালিচায় ঢেকে গেছে বিস্তৃর্ণ মাঠ

আপডেট সময় : ০৭:১০:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

 

 

ভূরুঙ্গামারীতে হলদে গালিচায় ঢেকে গেছে বিস্তৃর্ণ মাঠ

 

ভূরুঙ্গামারীতে হলদে গালিচায় ঢেকে গেছে বিস্তৃর্ণ মাঠ
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার হলদে গালিচায় ঢেকে গেছে বিস্তীর্ণ এলাকা ও দুধকুমার নদের জেগে উঠা চরের বিস্তৃর্ণ মাঠ। মাঠ জুড়ে সরিষা ফুলের হলুদ গালিচায় গুঞ্জনে মুখরিত মৌমাছি। ধুম চলছে সরিষা ফুলের মধু সংগ্রহের। বাতাসের দোলায় দোল খাচ্ছে কৃষকের রঙিন স্বপ্ন।

 

 

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে ৪ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে। কৃষকরা বারী ১৪, ১৭, ১৮ ও বীনা ৮, ৯, ১১ জাতের সরিষা চাষ করেছেন। গত বছর সরিষা চাষ হয়েছিল ৪ হাজার হেক্টর জমিতে। চলতি মৌসুমে চাষ হয়েছে ৪ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে। যা গতবারের চেয়ে ৩০০ হেক্টর বেশী।

পড়ুন>>তারেক রহমানকে বহনকারী বৈমানিকদের মধ্যে কুড়িগ্রামের আসিফ ইকবাল

 

২০২২-২৩ মৌসুমে ৩হাজার ৩৫০ হেক্টর ২০২১-২২ অর্থবছরে সরিষা চাষ হয়েছিল ১ হাজার ৬৫৪ হেক্টর জমিতে। প্রতি বছরই সরিষা চাষ ক্রমেই বাড়ছে। প্রতি মৌসুমে উপজেলা কৃষি বিভাগের উদ্যোগে কৃষি প্রনোদনার আওতায় সরিষা চাষে কৃষকদের আগ্রহী করে তুলতে কৃষকদেরকে উন্নত জাতের সরিষার বীজ ও সার প্রদান করা হয়।

 

 

চলতি ২০২৫-২৬ মৌসুমেও উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নের কৃষকদের সরিষার বীজ ও সার দেয়া হয়েছে।
উপজেলার পাইকের ছড়া ইউনিয়নের কৃষক মোস্তাফিজুর রহমান ও দুলাল হোসেন জানান,আমন কাটা মারাইয়ের পর ৩-৪ মাস পর্যন্ত জমি পতিত থাকে। এই সময়ে পতিত জমিতে বাড়তি লাভের আশায় সরিষা চাষ করেন তারা।

পড়ুন>> কাউনিয়ায় বাসের ধাক্কায় অটোচালক নিহত: আড়াই ঘন্টা মহাসড়ক অবরোধ 

 

সরিষা কেটে ওই জমিতে আবার বোরো আবাদ করা যায়। এতে অল্প সময়ে একই জমিতে দুটি ফসলের চাষে লাভবান হওয়া যায়। জমিতে সরিষা রোপণ করা থেকে পরিপক্ব হতে সময় লাগে প্রায় দেড় থেকে দুই মাস। প্রতি বিঘা জমিতে সরিষা চাষে সবমিলিয়ে খরচ হয় দেড় থেকে দুই হাজার টাকা। এক বিঘা জমিতে সরিষা উৎপাদন হয় ৫-৬ মণ। সরিষার দামও ভালো পাওয়া যায়। তাই সরিষা বিক্রির টাকা দিয়ে ইরি বোরো চাষে খরচ করা যায় পাশাপাশি ভোজ্য তেলের চাহিদাও মিটানোও সম্ভব।

 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল জব্বার বলেন ভোজ্য তেল উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের দেশের চাহিদা অনুযায়ী যেহেতু তেল উৎপাদন কম হয়। তাই আমরা একটা লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছি।

 

 

আমরা আগামী কয়েক বছরের মধ্যে তৈলাক্ত ফসলের ৫০ ভাগ আমাদের দেশ থেকে উৎপাদন করতে চাই। এই লক্ষ্য নিয়েই আমরা কৃষকদের সরিষা চাষ করতে সঠিক সময়ে প্রণোদনা দিয়েও কৃষকদের লাভের জন্য দু’ফসলি থেকে তিন ফসলি জমি তৈরী করতে উৎসাহিত করছি।

 

 

 

Facebook Comments Box