ঢাকা ০২:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ব্রাজিল ফুটবলে নজিরবিহীন কাণ্ড, এক ম্যাচেই ৫৩ লাল কার্ড রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১ শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদনের শেষ ২৪ নভেম্বর কাতার মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তির পথে নতুন মোড় শিশু সাইফকে প্রাণনাশের দায়ে সৎমায়ের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মোংলায় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের সমঝোতা চুক্তি খুলনা ও বাগেরহাট সফরে প্রধানমন্ত্রী: দিনভর ব্যস্ত কর্মসূচি রাজধানীর জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ট্রাম্পের লাগাম কতটা টেনে ধরতে পারবেন ডেমোক্র্যাটরা যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে জয়ী গাজায় সেবা দেওয়া চিকিৎসক অ্যাডাম হামাউয়ি গ্রামবাংলার ইতিহাস-ঐতিহ্যের নীরব সাক্ষী কাচারি ঘর: যে ঘর ছিল গ্রামের প্রাণ, আজ তা শুধুই স্মৃতি

ব্রাজিল ফুটবলে নজিরবিহীন কাণ্ড, এক ম্যাচেই ৫৩ লাল কার্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৫:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফুটবলের ইতিহাসে শৃঙ্খলাভঙ্গের এমন নজির হয়তো আগে দেখা যায়নি। ব্রাজিলের মিনাস গেরাইসে অনূর্ধ্ব-২০ রাজ্য চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচে উবেরলান্দিয়া ও মামোরের মধ্যকার লড়াইয়ে মোট ৫৩ জনকে লাল কার্ড দেখানো হয়েছে। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড অনুযায়ী, এর আগে কোনো ফুটবল ম্যাচে সর্বোচ্চ ৩৬টি লাল কার্ড দেখানোর রেকর্ড ছিল ২০১১ সালে, তবে নতুন এ ঘটনা আগের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। ব্রাজিলের মিনাস গেরাইসে অনূর্ধ্ব–২০ পর্যায়ে রাজ্য চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচে গত রোববার উবেরলান্দিয়ার মুখোমুখি হয় মামোরে। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুযায়ী, এর আগে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ৩৬ লাল কার্ড দেখা গেছে। সেটা ২০১১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি আর্জেন্টিনার পঞ্চম বিভাগে ক্লাব আতলেতিকো ক্লাইপোলে ও ভিক্টোরিয়া আরেভাসের মধ্যকার ম্যাচে। মিনাস গেরাইস ফুটবল ফেডারেশন প্রকাশিত ও রেফারির ম্যাচ রিপোর্ট অনুযায়ী, মামোরে দ্বিতীয়ার্ধে যোগ করা সময়ের ৯ মিনিটে প্রায় সব কটি লাল কার্ড দেখানো হয়।

ঘটনার সূত্রপাত গত রোববার উবেরলান্দিয়া বনাম মামোরের ম্যাচে। মামোরের ৩-১ গোলে জয়ের ম্যাচে দুই দলের খেলোয়াড় ও স্টাফদের মধ্যে তুমুল মারামারি শুরু হয়। রেফারি ফার্নান্দো প্যাট্রিক মোদেস্তের ম্যাচ রিপোর্ট অনুযায়ী, উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি মোট ৪০ জন খেলোয়াড় ও ৮ জন কোচিং স্টাফকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান। এর বাইরে ম্যাচ চলাকালীন আরও তিন খেলোয়াড়কে বহিষ্কার করা হয় এবং উবেরলান্দিয়ার দুই বোর্ড সদস্যকেও লাল কার্ডের কবলে পড়তে হয়। সব মিলিয়ে বহিষ্কৃতদের মধ্যে ৪৩ জন খেলোয়াড়, ৮ জন কোচিং স্টাফ ও ২ জন ক্লাব কর্মকর্তা রয়েছেন। ম্যাচ রিপোর্টে বলা হয়, গোল উদযাপনের সময় মামোরের এক খেলোয়াড় উবেরলান্দিয়া বেঞ্চের দিকে ‘উসকানিমূলক ও আপত্তিকর অঙ্গভঙ্গি’ করেন এবং বলেন, ‘এটা মামোরে, নিজেদের চরকায় তেল দাও। দুই দলের স্কোয়াড এবং কোচিং স্টাফ থেকে বহিষ্কৃত অন্য ৪৬ জনের সঙ্গে সেই দুজনকেও ‘প্রতিপক্ষকে ঘুষি ও লাথি মারার দায়ে মাঠ থেকে বহিষ্কার করা হয়। বাইরে তোকে দেখে নেব, শুধু তুই আর আমি, তোকে আমি খুন করব।’। সেই খেলোয়াড় বলছিলেন, ‘মশকরা করছেন নাকি।

ম্যাচ রিপোর্টে উঠে এসেছে বিশৃঙ্খলার ভয়াবহ সব চিত্র।

দ্বিতীয়ার্ধের সাত মিনিট পর উবেরলান্দিয়ার খেলোয়াড় লুইকে বিস্পো দো সান্তোসকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখালে মাঠে প্রথম বিশৃঙ্খলা শুরু হয়। সান্তোস বহিষ্কারের পর ক্লাবটির কয়েকজন স্টাফ মাঠে ঢুকে রেফারিদের উদ্দেশ্যে অশালীন অঙ্গভঙ্গি করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। তাদের একজনের বক্তব্য ছিল, তারা মাঠ থেকে বের হতে পারবে না এবং তাদের পুলিশ পাহারা দিয়েও রক্ষা করা যাবে না। রেফারি মোদেস্তে জানান, হট্টগোলের কারণে সেই সময় শারীরিকভাবে লাল কার্ডগুলো দেখানো সম্ভব হয়নি। এছাড়া উবেরলান্দিয়ার ২৪ জন এবং মামোরের ২৯ জনকে লাল কার্ড দিয়ে মাঠ থেকে বের করে দেওয়া হয়। দেখি তোকে পুলিশ পাহারা দিয়ে বের করতে পারে কি না।

পরিস্থিতি এতই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, মাঠের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৪০ মিনিটের জন্য ম্যাচ স্থগিত রাখতে হয়েছিল। রেফারির বিরুদ্ধে সহিংসতার অভিযোগ ওঠায় পরবর্তীতে পুলিশের কাছেও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। খেলোয়াড়দের মাঠ থেকে বহিষ্কারের পর উবেরলান্দিয়া কোচিং স্টাফদের একজন দৌড়ে এসে খেলোয়াড়দের লাথি মারতে শুরু করেন। এছাড়া ড্রেসিংরুমে যাওয়ার পথে মামোরের পানির কুলার, ম্যাসাজের ব্যাগসহ অন্যান্য সরঞ্জাম স্টেডিয়ামের নর্দমায় ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আমাদের ক্ষতি করতেই তোমরা এখানে এসেছ।

ম্যাচ পুনরায় শুরুর ১৫ মিনিট পর মামোরের এক খেলোয়াড়কে ফাউলের প্রতিবাদ করার দায়ে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয়। ঠিক তার এক মিনিট পরেই প্রতিপক্ষকে ঘুষি মারার অভিযোগে উবেরলান্দিয়ার আরও এক খেলোয়াড়কে লাল কার্ডের শাস্তি দেন রেফারি। খেলোয়াড়দের এ ধরণের অখেলোয়াড়সুলভ আচরণের পাশাপাশি মাঠের বলবয়রাও মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন, যাদের বিরুদ্ধে কোচের খেলোয়াড়দের লাথি মারার অভিযোগ রয়েছে। খেলা পুনরায় শুরুর প্রায় ১৫ মিনিট পর, ফাউলের প্রতিবাদ জানিয়ে রেফারিকে লক্ষ্য করে ‘আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে চিৎকার করে এগিয়ে যাওয়ার’ অপরাধে মামোরের খেলোয়াড়কে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয়।

ম্যাচ শেষে জানা গেছে, মামোরের খেলোয়াড়রা যে ড্রেসিংরুম ব্যবহার করছিলেন, তা তারা নিজেরাই ভাঙচুর করেছেন। পুরো ঘটনার প্রেক্ষিতে ওই দলের বিরুদ্ধে আর্থিক ক্ষতির বিবরণসহ আইনি মামলা দায়ের করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। মিনাস গেরাইস ফুটবল ফেডারেশনের প্রকাশিত রিপোর্টে পুরো ম্যাচটি ইতিহাসের অন্যতম কলঙ্কিত অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ব্রাজিল ফুটবলে নজিরবিহীন কাণ্ড, এক ম্যাচেই ৫৩ লাল কার্ড

আপডেট সময় : ০২:০৫:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

ফুটবলের ইতিহাসে শৃঙ্খলাভঙ্গের এমন নজির হয়তো আগে দেখা যায়নি। ব্রাজিলের মিনাস গেরাইসে অনূর্ধ্ব-২০ রাজ্য চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচে উবেরলান্দিয়া ও মামোরের মধ্যকার লড়াইয়ে মোট ৫৩ জনকে লাল কার্ড দেখানো হয়েছে। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড অনুযায়ী, এর আগে কোনো ফুটবল ম্যাচে সর্বোচ্চ ৩৬টি লাল কার্ড দেখানোর রেকর্ড ছিল ২০১১ সালে, তবে নতুন এ ঘটনা আগের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। ব্রাজিলের মিনাস গেরাইসে অনূর্ধ্ব–২০ পর্যায়ে রাজ্য চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচে গত রোববার উবেরলান্দিয়ার মুখোমুখি হয় মামোরে। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুযায়ী, এর আগে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ৩৬ লাল কার্ড দেখা গেছে। সেটা ২০১১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি আর্জেন্টিনার পঞ্চম বিভাগে ক্লাব আতলেতিকো ক্লাইপোলে ও ভিক্টোরিয়া আরেভাসের মধ্যকার ম্যাচে। মিনাস গেরাইস ফুটবল ফেডারেশন প্রকাশিত ও রেফারির ম্যাচ রিপোর্ট অনুযায়ী, মামোরে দ্বিতীয়ার্ধে যোগ করা সময়ের ৯ মিনিটে প্রায় সব কটি লাল কার্ড দেখানো হয়।

ঘটনার সূত্রপাত গত রোববার উবেরলান্দিয়া বনাম মামোরের ম্যাচে। মামোরের ৩-১ গোলে জয়ের ম্যাচে দুই দলের খেলোয়াড় ও স্টাফদের মধ্যে তুমুল মারামারি শুরু হয়। রেফারি ফার্নান্দো প্যাট্রিক মোদেস্তের ম্যাচ রিপোর্ট অনুযায়ী, উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি মোট ৪০ জন খেলোয়াড় ও ৮ জন কোচিং স্টাফকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান। এর বাইরে ম্যাচ চলাকালীন আরও তিন খেলোয়াড়কে বহিষ্কার করা হয় এবং উবেরলান্দিয়ার দুই বোর্ড সদস্যকেও লাল কার্ডের কবলে পড়তে হয়। সব মিলিয়ে বহিষ্কৃতদের মধ্যে ৪৩ জন খেলোয়াড়, ৮ জন কোচিং স্টাফ ও ২ জন ক্লাব কর্মকর্তা রয়েছেন। ম্যাচ রিপোর্টে বলা হয়, গোল উদযাপনের সময় মামোরের এক খেলোয়াড় উবেরলান্দিয়া বেঞ্চের দিকে ‘উসকানিমূলক ও আপত্তিকর অঙ্গভঙ্গি’ করেন এবং বলেন, ‘এটা মামোরে, নিজেদের চরকায় তেল দাও। দুই দলের স্কোয়াড এবং কোচিং স্টাফ থেকে বহিষ্কৃত অন্য ৪৬ জনের সঙ্গে সেই দুজনকেও ‘প্রতিপক্ষকে ঘুষি ও লাথি মারার দায়ে মাঠ থেকে বহিষ্কার করা হয়। বাইরে তোকে দেখে নেব, শুধু তুই আর আমি, তোকে আমি খুন করব।’। সেই খেলোয়াড় বলছিলেন, ‘মশকরা করছেন নাকি।

ম্যাচ রিপোর্টে উঠে এসেছে বিশৃঙ্খলার ভয়াবহ সব চিত্র।

দ্বিতীয়ার্ধের সাত মিনিট পর উবেরলান্দিয়ার খেলোয়াড় লুইকে বিস্পো দো সান্তোসকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখালে মাঠে প্রথম বিশৃঙ্খলা শুরু হয়। সান্তোস বহিষ্কারের পর ক্লাবটির কয়েকজন স্টাফ মাঠে ঢুকে রেফারিদের উদ্দেশ্যে অশালীন অঙ্গভঙ্গি করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। তাদের একজনের বক্তব্য ছিল, তারা মাঠ থেকে বের হতে পারবে না এবং তাদের পুলিশ পাহারা দিয়েও রক্ষা করা যাবে না। রেফারি মোদেস্তে জানান, হট্টগোলের কারণে সেই সময় শারীরিকভাবে লাল কার্ডগুলো দেখানো সম্ভব হয়নি। এছাড়া উবেরলান্দিয়ার ২৪ জন এবং মামোরের ২৯ জনকে লাল কার্ড দিয়ে মাঠ থেকে বের করে দেওয়া হয়। দেখি তোকে পুলিশ পাহারা দিয়ে বের করতে পারে কি না।

পরিস্থিতি এতই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, মাঠের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৪০ মিনিটের জন্য ম্যাচ স্থগিত রাখতে হয়েছিল। রেফারির বিরুদ্ধে সহিংসতার অভিযোগ ওঠায় পরবর্তীতে পুলিশের কাছেও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। খেলোয়াড়দের মাঠ থেকে বহিষ্কারের পর উবেরলান্দিয়া কোচিং স্টাফদের একজন দৌড়ে এসে খেলোয়াড়দের লাথি মারতে শুরু করেন। এছাড়া ড্রেসিংরুমে যাওয়ার পথে মামোরের পানির কুলার, ম্যাসাজের ব্যাগসহ অন্যান্য সরঞ্জাম স্টেডিয়ামের নর্দমায় ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আমাদের ক্ষতি করতেই তোমরা এখানে এসেছ।

ম্যাচ পুনরায় শুরুর ১৫ মিনিট পর মামোরের এক খেলোয়াড়কে ফাউলের প্রতিবাদ করার দায়ে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয়। ঠিক তার এক মিনিট পরেই প্রতিপক্ষকে ঘুষি মারার অভিযোগে উবেরলান্দিয়ার আরও এক খেলোয়াড়কে লাল কার্ডের শাস্তি দেন রেফারি। খেলোয়াড়দের এ ধরণের অখেলোয়াড়সুলভ আচরণের পাশাপাশি মাঠের বলবয়রাও মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন, যাদের বিরুদ্ধে কোচের খেলোয়াড়দের লাথি মারার অভিযোগ রয়েছে। খেলা পুনরায় শুরুর প্রায় ১৫ মিনিট পর, ফাউলের প্রতিবাদ জানিয়ে রেফারিকে লক্ষ্য করে ‘আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে চিৎকার করে এগিয়ে যাওয়ার’ অপরাধে মামোরের খেলোয়াড়কে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয়।

ম্যাচ শেষে জানা গেছে, মামোরের খেলোয়াড়রা যে ড্রেসিংরুম ব্যবহার করছিলেন, তা তারা নিজেরাই ভাঙচুর করেছেন। পুরো ঘটনার প্রেক্ষিতে ওই দলের বিরুদ্ধে আর্থিক ক্ষতির বিবরণসহ আইনি মামলা দায়ের করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। মিনাস গেরাইস ফুটবল ফেডারেশনের প্রকাশিত রিপোর্টে পুরো ম্যাচটি ইতিহাসের অন্যতম কলঙ্কিত অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

Facebook Comments Box