ঢাকা ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অন্তঃসত্ত্বা নারীর -: সৈয়দপুরে বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ব্র্যাক ব্যাংকে ইনফরমেশন সিকিউরিটি বিভাগে নিয়োগ, আবেদনের নিয়ম হরমুজ প্রণালিতে অবাধ চলাচল ও গাজায় যুদ্ধবিরতির আহ্বান কাতার-ফ্রান্সের লক্ষ্মীপুর বিসিক শিল্পনগরীর ২৯ বছরেও কাটেনি নানা সংকট আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের মধ্যে সম্পর্ক সুস্পস্ট: রিজভী নতুন আয়োজনে কুমার বিশ্বজিতের জনপ্রিয় গান ‘যেখানে সীমান্ত তোমার’ দাম্মাম বিমানবন্দরে হামলায় আহত ২ বাংলাদেশি সুস্থ রয়েছেন ওয়ানডেতে দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির বিশ্ব রেকর্ড হ্যারি ব্রুকের কাউনিয়ায় ডোবার পানিতে গড়িয়ে পড়া খেলনা গাড়ি তুলতে গিয়ে শিশুর মৃত্যু ব্যাটে-বলে বিশ্ব কাঁপানো ১০ অলরাউন্ডারের ক্রিকেট মহাকাব্য

বাগেরহাটের চিতলমারীতে অসংখ্য পাটা, কাটা ও সাঁকোর জন্য ৮ কোটি টাকার খনন কাজে আসছেনা

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৬:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ২২১ বার পড়া হয়েছে

বাগেরহাটের চিতলমারীতে অসংখ্য পাটা, কাটা ও সাঁকোর জন্য ৮ কোটি টাকার খনন কাজে আসছেনা

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাগেরহাটের চিতলমারীতে অসংখ্য পাটা, কাটা ও বাঁশের সাঁকোর জন্য ৮ কোটি টাকার খনন প্রকল্পের  কাজে আসছেনা।

পুনখননকৃত হক ক্যানেলে (খাল) পাটা, কাটা ও বাঁশের সাঁকোতে কচুড়ি বেধে ইতোমধ্যে নৌযান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। সেই সাথে মারাত্মক ভাবে পানি প্রবাহ বাধার সম্মূখিন হচ্ছে।

এ নিয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের এক সদস্য ও গ্রামবাসিদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩৬/১ পোল্ডারের আওতায় প্রায় ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে চিতলমারী সদর বাজারের ত্রি-মোহনা থেকে (বড়গুনি) মধুমতি নদী পর্যন্ত সাড়ে ১২ কিলোমিটার হক ক্যানেলের (খাল) পুনখনন কাজ সম্প্রতি শেষ হয়েছে।

ওই খালে মাছ ধরা ও পারাপারের জন্য অসংখ্য বাঁশের পাটা, কাটা (কুমোর/ঝাল) ও সাঁকো স্থাপন করা হয়েছে।

এ গুলো স্থাপনের ফলে সদ্য খননকৃত খালে মারাত্মক ভাবে পানি প্রবাহ বাধার সম্মূখিন হচ্ছে। পাটা, কাটা ও বাঁশের সাঁকোতে কচুড়ি বেধে ইতোমধ্যে ওই খালে নৌযান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

সবচেয়ে চরম আকার ধারণ করেছে নালুয়া বাজার হতে বড়গুনি বাজার পর্যন্ত।

এ ব্যাপারে ঘোলা ও দলুয়াগুনি গ্রামের শহীদুল ইসলাম সোহেল,  শমসের ফকির, এনায়েত ফকির,  শাহিন শেখ,  সাইফুল শেখ, ছোট বিশ্বাস এবং সুুজত মন্ডল বলেন, ‘পাটা, কাটা ও সাঁকো তুলতে আমরা গ্রামবাসিরা অনুরোধ করেছি।

কিন্তু কিছু প্রভাবশালী লোক এতে বাধা প্রদান করছে। যা নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়টি সমাধানের জন্য আমরা এলাকাবাসি প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।’

বড়বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডের সদস্য মো. এশারত আলী বলেন, ‘পূর্বপুরুষ থেকে ওই স্থানে সাঁকো ছিল। ওরা আমাকে বলেছিল ঘোলা মাদ্রাসার সামনে দুটির বদলে একটি সাঁকো রাখতে। আমি এতে রাজি না হওয়ায় ওদের সাথে বিরোধ তৈরি হয়েছে।’

বড়বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মাসুদ সরদার বলেন, ‘বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। আমি চৌকিদারদের নিয়ে অনেক পাটা ও কাটা উঠিয়ে ফেলেছি।

কোন কিছুর বিনিময়ে খালে বাঁশের সাঁকো হবে না। ওই সাঁকো উঠাতে হবে। তা না হলে সরকারের ৮ কোটি টাকা বিফলে যাবে।’

শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, ‘চেয়ারম্যানের মাধ্যমে আমরা ইতোমধ্যে অনেক পাটা ও কাটা উঠিয়ে ফেলেছি।

বাকি গুলোও উঠানো হবে। সাঁকো নিয়ে যে সমস্যা হয়েছে এটি আমি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাগেরহাটের চিতলমারীতে অসংখ্য পাটা, কাটা ও সাঁকোর জন্য ৮ কোটি টাকার খনন কাজে আসছেনা

আপডেট সময় : ০৮:৩৬:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

বাগেরহাটের চিতলমারীতে অসংখ্য পাটা, কাটা ও বাঁশের সাঁকোর জন্য ৮ কোটি টাকার খনন প্রকল্পের  কাজে আসছেনা।

পুনখননকৃত হক ক্যানেলে (খাল) পাটা, কাটা ও বাঁশের সাঁকোতে কচুড়ি বেধে ইতোমধ্যে নৌযান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। সেই সাথে মারাত্মক ভাবে পানি প্রবাহ বাধার সম্মূখিন হচ্ছে।

এ নিয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের এক সদস্য ও গ্রামবাসিদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩৬/১ পোল্ডারের আওতায় প্রায় ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে চিতলমারী সদর বাজারের ত্রি-মোহনা থেকে (বড়গুনি) মধুমতি নদী পর্যন্ত সাড়ে ১২ কিলোমিটার হক ক্যানেলের (খাল) পুনখনন কাজ সম্প্রতি শেষ হয়েছে।

ওই খালে মাছ ধরা ও পারাপারের জন্য অসংখ্য বাঁশের পাটা, কাটা (কুমোর/ঝাল) ও সাঁকো স্থাপন করা হয়েছে।

এ গুলো স্থাপনের ফলে সদ্য খননকৃত খালে মারাত্মক ভাবে পানি প্রবাহ বাধার সম্মূখিন হচ্ছে। পাটা, কাটা ও বাঁশের সাঁকোতে কচুড়ি বেধে ইতোমধ্যে ওই খালে নৌযান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

সবচেয়ে চরম আকার ধারণ করেছে নালুয়া বাজার হতে বড়গুনি বাজার পর্যন্ত।

এ ব্যাপারে ঘোলা ও দলুয়াগুনি গ্রামের শহীদুল ইসলাম সোহেল,  শমসের ফকির, এনায়েত ফকির,  শাহিন শেখ,  সাইফুল শেখ, ছোট বিশ্বাস এবং সুুজত মন্ডল বলেন, ‘পাটা, কাটা ও সাঁকো তুলতে আমরা গ্রামবাসিরা অনুরোধ করেছি।

কিন্তু কিছু প্রভাবশালী লোক এতে বাধা প্রদান করছে। যা নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়টি সমাধানের জন্য আমরা এলাকাবাসি প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।’

বড়বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডের সদস্য মো. এশারত আলী বলেন, ‘পূর্বপুরুষ থেকে ওই স্থানে সাঁকো ছিল। ওরা আমাকে বলেছিল ঘোলা মাদ্রাসার সামনে দুটির বদলে একটি সাঁকো রাখতে। আমি এতে রাজি না হওয়ায় ওদের সাথে বিরোধ তৈরি হয়েছে।’

বড়বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মাসুদ সরদার বলেন, ‘বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। আমি চৌকিদারদের নিয়ে অনেক পাটা ও কাটা উঠিয়ে ফেলেছি।

কোন কিছুর বিনিময়ে খালে বাঁশের সাঁকো হবে না। ওই সাঁকো উঠাতে হবে। তা না হলে সরকারের ৮ কোটি টাকা বিফলে যাবে।’

শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, ‘চেয়ারম্যানের মাধ্যমে আমরা ইতোমধ্যে অনেক পাটা ও কাটা উঠিয়ে ফেলেছি।

বাকি গুলোও উঠানো হবে। সাঁকো নিয়ে যে সমস্যা হয়েছে এটি আমি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

Facebook Comments Box