ঢাকা ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

নড়াইলে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির সংঘর্ষে বিএনপির তিন জন নিহত

নড়াইল প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:১৪:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৫৬৭৩ বার পড়া হয়েছে

প্রতিকী ছবি

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

নড়াইলে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে বিএনপির তিনজন নিহত

 

 

নড়াইলের সিংগাশোলপুর ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের ভয়াবহ সংঘর্ষে এক বৃদ্ধ ও তাঁর ছেলেসহ মোট চারজন নিহত হয়েছেন।

 

 

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ইউনিয়নের বড়কুলা গ্রামে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। মুহূর্তেই গ্রামটি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়, আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়।

 

 

 

 

নিহতরা হলেন, বড়কুলা গ্রামের বিএনপির খলিল গ্রুপের রহমান খলিল, তাঁর ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন, একই গ্রুপের ফেরদৌস হোসেন এবং  আওয়ামীলীগের সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের গ্রুপের ওসিবুর মিয়া।

পড়ুন>> ইন্দুরকানীতে নিষিদ্ধ আ. লীগ নেতাদের হামলায় ৫ বিএনপি নেতাকর্মী আহত

 

 

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সিংগাশোলপুর ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরেই আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা খায়রুজ্জামান খায়ের মোল্লা এবং বিএনপি-সমর্থিত স্থানীয় নেতা খলিল মোল্লার মধ্যে তীব্র বিরোধ চলছিল।

 

 

 

 

৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের আগে এলাকায় আওয়ামীলীগ নেতা খায়ের মোল্লার একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল। তবে পরিবর্তনের পর তিনি ও তাঁর অনুসারীরা গা ঢাকা দিলে পুরো এলাকা বিএনপি নেতা খলিল মোল্লা ও সৈয়দ নিউটন গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। সম্প্রতি খায়ের মোল্লার অনুসারীরা এলাকায় ফিরে আসতে শুরু করলে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে টানটান উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

পড়ুন>>ঈশ্বরদীতে চাঁদা না পেয়ে গাজর লুট: দুই যুবদলকর্মী গ্রেপ্তার

 

 

এই উত্তেজনার জের ধরেই ভোরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন রহমান খলিল, তাঁর ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন ও ফেরদৌস হোসেন। গুরুতর আহত অবস্থায় খায়ের গ্রুপের ওসিবুর মিয়াকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

 

 

নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া বলেন, “এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে, আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।”

 

 

রক্তাক্ত এই সংঘর্ষে স্তব্ধ বড়কুলা গ্রাম। আতঙ্কে ঘরবন্দী মানুষ, শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো সিংগাশোলপুর ইউনিয়নে।

 

 

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নড়াইলে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির সংঘর্ষে বিএনপির তিন জন নিহত

আপডেট সময় : ০৪:১৪:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

নড়াইলে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে বিএনপির তিনজন নিহত

 

 

নড়াইলের সিংগাশোলপুর ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের ভয়াবহ সংঘর্ষে এক বৃদ্ধ ও তাঁর ছেলেসহ মোট চারজন নিহত হয়েছেন।

 

 

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ইউনিয়নের বড়কুলা গ্রামে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। মুহূর্তেই গ্রামটি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়, আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়।

 

 

 

 

নিহতরা হলেন, বড়কুলা গ্রামের বিএনপির খলিল গ্রুপের রহমান খলিল, তাঁর ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন, একই গ্রুপের ফেরদৌস হোসেন এবং  আওয়ামীলীগের সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের গ্রুপের ওসিবুর মিয়া।

পড়ুন>> ইন্দুরকানীতে নিষিদ্ধ আ. লীগ নেতাদের হামলায় ৫ বিএনপি নেতাকর্মী আহত

 

 

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সিংগাশোলপুর ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরেই আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা খায়রুজ্জামান খায়ের মোল্লা এবং বিএনপি-সমর্থিত স্থানীয় নেতা খলিল মোল্লার মধ্যে তীব্র বিরোধ চলছিল।

 

 

 

 

৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের আগে এলাকায় আওয়ামীলীগ নেতা খায়ের মোল্লার একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল। তবে পরিবর্তনের পর তিনি ও তাঁর অনুসারীরা গা ঢাকা দিলে পুরো এলাকা বিএনপি নেতা খলিল মোল্লা ও সৈয়দ নিউটন গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। সম্প্রতি খায়ের মোল্লার অনুসারীরা এলাকায় ফিরে আসতে শুরু করলে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে টানটান উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

পড়ুন>>ঈশ্বরদীতে চাঁদা না পেয়ে গাজর লুট: দুই যুবদলকর্মী গ্রেপ্তার

 

 

এই উত্তেজনার জের ধরেই ভোরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন রহমান খলিল, তাঁর ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন ও ফেরদৌস হোসেন। গুরুতর আহত অবস্থায় খায়ের গ্রুপের ওসিবুর মিয়াকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

 

 

নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া বলেন, “এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে, আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।”

 

 

রক্তাক্ত এই সংঘর্ষে স্তব্ধ বড়কুলা গ্রাম। আতঙ্কে ঘরবন্দী মানুষ, শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো সিংগাশোলপুর ইউনিয়নে।

 

 

 

 

Facebook Comments Box