ঢাকা ০২:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দীর্ঘ এক যুগ পর ঢাকায় ফিরছে বাটেক্সপো ২০২৬ মানবতার নিঃশব্দ পদচারণা: বাংলাদেশে ইতালীয়দের অবদান ও ঐতিহাসিক স্বীকৃতি বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ১০০ শিক্ষককে বিশেষ সম্মাননা দেবে সরকার ক্ষেতলালে ভুয়া ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট দিয়ে কোটি টাকা সৌদি আরবের সুরক্ষায় শর্তহীন প্রতিশ্রুতি পাকিস্তানের ফুটবলের বাস্তবতা বুঝেন না অনেকে: কোচ ডুলি ৮৩ দ্বীপের ভানুয়াতু: প্রশান্ত মহাসাগরের এক অনন্য বৈচিত্র্যের দেশ বাংলাদেশ-চায়না রিনিউয়েবল এনার্জি কোম্পানিতে বড় নিয়োগ কৃষ্ণপুরের সেই ট্র্যাজেডি: ৫৫ বছরেও অমোচনীয় স্বজন হারানোর বেদনা চেলসির হয়ে বাজে শুরু, সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন মার্তিনেজ

বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ১০০ শিক্ষককে বিশেষ সম্মাননা দেবে সরকার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫১:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতি গঠনে শিক্ষকদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি দিতে প্রতি বছর ৫ অক্টোবর পালিত হয় বিশ্ব শিক্ষক দিবস। এই দিবসটি উদযাপনের লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন নীতিমালা-২০২৬’ প্রকাশ করেছে। নতুন এই নীতিমালার আওতায় দেশের বিভিন্ন স্তরের মোট ১০০ জন গুণী শিক্ষককে জাতীয় পর্যায়ে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হবে। সম্মাননাপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষক নগদ এক লাখ টাকা, ক্রেস্ট এবং একটি সম্মাননা সনদ পাবেন।

মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, উপজেলা, জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে দিবসটি একযোগে উদযাপন করা হবে। দিবসটির মূল উদ্দেশ্য তিনটি—ইউনেস্কো ঘোষিত প্রতিপাদ্যের আলোকে আয়োজন সম্পন্ন করা, সমাজের সব স্তরে শিক্ষকদের অবদান তুলে ধরা এবং সম্মাননা প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষক সমাজের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। পুরো আয়োজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। তবে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির প্রয়োজনে এই সম্মাননার সংখ্যা ও স্তর পরিবর্তনের এখতিয়ার রাখা হয়েছে।

সম্মাননার জন্য শিক্ষক নির্বাচনে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর নিজ নিজ ক্যাটাগরিতে তিনজনের প্যানেল তৈরি করে স্টিয়ারিং কমিটির কাছে পাঠাবে। একইভাবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষকদের প্যানেল প্রস্তুত করে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য জমা দেবে।

নীতিমালার ৫.১ ধারা অনুযায়ী, মোট ১০০ জন শিক্ষকের বিভাজন নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে ১০ জন (সাধারণ ও মাদ্রাসা শিক্ষা থেকে ৫ জন করে), মাধ্যমিক পর্যায়ে ২০ জন (সাধারণ ১০, কারিগরি ৫ ও মাদ্রাসা ৫), কলেজ পর্যায়ে ২৫ জন (সাধারণ ১৫, কারিগরি ৫ ও মাদ্রাসা ৫), সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০ জন (সরকারি ১৫ ও বেসরকারি ৫) সম্মাননা পাবেন। এছাড়া বিশেষায়িত ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের জন্য ২০ জন বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যার মধ্যে মেডিকেল থেকে ১০, কৃষি ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৩ জন করে এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশেষায়িত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৪ জন থাকবেন। অবশিষ্ট ৫ জন শিক্ষক সরাসরি প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক নির্বাচিত হবেন।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ১০০ শিক্ষককে বিশেষ সম্মাননা দেবে সরকার

আপডেট সময় : ০১:৫১:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতি গঠনে শিক্ষকদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি দিতে প্রতি বছর ৫ অক্টোবর পালিত হয় বিশ্ব শিক্ষক দিবস। এই দিবসটি উদযাপনের লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন নীতিমালা-২০২৬’ প্রকাশ করেছে। নতুন এই নীতিমালার আওতায় দেশের বিভিন্ন স্তরের মোট ১০০ জন গুণী শিক্ষককে জাতীয় পর্যায়ে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হবে। সম্মাননাপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষক নগদ এক লাখ টাকা, ক্রেস্ট এবং একটি সম্মাননা সনদ পাবেন।

মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, উপজেলা, জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে দিবসটি একযোগে উদযাপন করা হবে। দিবসটির মূল উদ্দেশ্য তিনটি—ইউনেস্কো ঘোষিত প্রতিপাদ্যের আলোকে আয়োজন সম্পন্ন করা, সমাজের সব স্তরে শিক্ষকদের অবদান তুলে ধরা এবং সম্মাননা প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষক সমাজের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। পুরো আয়োজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। তবে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির প্রয়োজনে এই সম্মাননার সংখ্যা ও স্তর পরিবর্তনের এখতিয়ার রাখা হয়েছে।

সম্মাননার জন্য শিক্ষক নির্বাচনে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর নিজ নিজ ক্যাটাগরিতে তিনজনের প্যানেল তৈরি করে স্টিয়ারিং কমিটির কাছে পাঠাবে। একইভাবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষকদের প্যানেল প্রস্তুত করে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য জমা দেবে।

নীতিমালার ৫.১ ধারা অনুযায়ী, মোট ১০০ জন শিক্ষকের বিভাজন নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে ১০ জন (সাধারণ ও মাদ্রাসা শিক্ষা থেকে ৫ জন করে), মাধ্যমিক পর্যায়ে ২০ জন (সাধারণ ১০, কারিগরি ৫ ও মাদ্রাসা ৫), কলেজ পর্যায়ে ২৫ জন (সাধারণ ১৫, কারিগরি ৫ ও মাদ্রাসা ৫), সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০ জন (সরকারি ১৫ ও বেসরকারি ৫) সম্মাননা পাবেন। এছাড়া বিশেষায়িত ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের জন্য ২০ জন বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যার মধ্যে মেডিকেল থেকে ১০, কৃষি ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৩ জন করে এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশেষায়িত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৪ জন থাকবেন। অবশিষ্ট ৫ জন শিক্ষক সরাসরি প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক নির্বাচিত হবেন।

Facebook Comments Box