ঢাকা ০৫:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চাকরি হারালেন সাবেক ডিবিপ্রধান হারুনসহ সাত পুলিশ কর্মকর্তা এইচএসসিতে অকৃতকার্য ৪ লাখ ২২ হাজার শিক্ষার্থীর বিশেষ পরীক্ষার সুযোগ শ্রমিকদের আন্দোলনে থাকার যৌক্তিকতা নেই: শ্রমমন্ত্রী মিরপুরের ওয়াওজা: অপটিক্যাল ইলুশন ও গেমসের নতুন ঠিকানা চট্টগ্রামে এইচএসসিতে পাসের হার ৫২.০৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৯২৯ শিক্ষার্থী ২০২৬ ব্যালন ডি’অর: মেসিকে সেরা বেছে নিলেন ব্রাজিলের সাংবাদিক বুয়েটে ৫টি পদে নিয়োগ: আবেদনের শেষ সময় ২৫ নভেম্বর ফেল করা শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেবেন শিক্ষামন্ত্রী তাহসিফের মৃত্যুরহস্য: তদন্তের শুরুতেই নৌপুলিশ ও পিবিআইয়ের সামনে একাধিক প্রশ্ন সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার অস্বাভাবিক মৃত্যুতে সঙ্গীকে নৌ পুলিশে সোপর্দ

চাকরি হারালেন সাবেক ডিবিপ্রধান হারুনসহ সাত পুলিশ কর্মকর্তা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫০:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অননুমোদিতভাবে দীর্ঘ সময় কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার দায়ে সাবেক ডিবিপ্রধান ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদসহ পুলিশের সাতজন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে অপর একজন সহকারী পুলিশ সুপারকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনটিতে স্বাক্ষর করেছেন সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে না থাকাকে ‘পলায়ন’ হিসেবে গণ্য করে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আদেশে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হারুন-অর-রশীদ সম্পর্কে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, তিনি অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার (নম্বর ০০৫/২০২৫) প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং ১৫ এপ্রিল এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়। তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি কোনো লিখিত জবাব বা সময় বাড়ানোর আবেদন করেননি। এতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে হারুনের বরখাস্তের আদেশ কার্যকর হবে। পরে ২০২৬ সালের ১৫ এপ্রিল হারুনের বিরুদ্ধে ০০৫/২০২৫ নম্বর বিভাগীয় মামলা করা হয়।

অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় গত ২২ জুন একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে পলায়নের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে মতামত দেওয়া হয়, যা সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(গ) বিধির পরিপন্থী। পরবর্তী ধাপে ২০ আগস্ট তাকে দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি নীরব ছিলেন। চূড়ান্ত শাস্তির বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পরামর্শ চাওয়া হলে কমিশন গত ১ অক্টোবর তাকে বরখাস্তের পক্ষে মতামত দেয়। এরপর গত ২৫ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করলে তা প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করা হয়।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চাকরি হারালেন সাবেক ডিবিপ্রধান হারুনসহ সাত পুলিশ কর্মকর্তা

আপডেট সময় : ০৪:৫০:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

অননুমোদিতভাবে দীর্ঘ সময় কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার দায়ে সাবেক ডিবিপ্রধান ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদসহ পুলিশের সাতজন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে অপর একজন সহকারী পুলিশ সুপারকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনটিতে স্বাক্ষর করেছেন সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে না থাকাকে ‘পলায়ন’ হিসেবে গণ্য করে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আদেশে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হারুন-অর-রশীদ সম্পর্কে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, তিনি অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার (নম্বর ০০৫/২০২৫) প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং ১৫ এপ্রিল এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়। তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি কোনো লিখিত জবাব বা সময় বাড়ানোর আবেদন করেননি। এতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে হারুনের বরখাস্তের আদেশ কার্যকর হবে। পরে ২০২৬ সালের ১৫ এপ্রিল হারুনের বিরুদ্ধে ০০৫/২০২৫ নম্বর বিভাগীয় মামলা করা হয়।

অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় গত ২২ জুন একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে পলায়নের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে মতামত দেওয়া হয়, যা সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(গ) বিধির পরিপন্থী। পরবর্তী ধাপে ২০ আগস্ট তাকে দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি নীরব ছিলেন। চূড়ান্ত শাস্তির বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পরামর্শ চাওয়া হলে কমিশন গত ১ অক্টোবর তাকে বরখাস্তের পক্ষে মতামত দেয়। এরপর গত ২৫ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করলে তা প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করা হয়।

Facebook Comments Box