ঢাকা ১২:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পারস্য উপসাগরে কাতার উপকূলের কাছে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা হাসানের দুর্দান্ত বোলিংয়ে কোণঠাসা ওয়েস্ট ইন্ডিজ স্বাস্থ্যসেবা সংস্কারে বড় পরিকল্পনা ও রেকর্ড বরাদ্দ সরকারের দেশে সার উৎপাদন বাড়াতে তিনটি নতুন কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের টেকনাফে সশস্ত্র পাচারকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাণ হারালেন এক সেনাসদস্য মধ্যপ্রাচ্য নীতিতে নিজেরাই সংকটে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল: হোসেইন তাইয়েব ফ্রান্সে বিশাল বিক্ষোভে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, আটক ৪৪৮ ইয়েমেনে সরকারি বাহিনীর অভিযানে ৪৪০ হুথি যোদ্ধা নিহত জলবায়ুর হুমকিতে আশাশুনি: ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াইয়ে কিশোর শক্তি সিডিএ স্কুলের ইংরেজি মাধ্যম বন্ধের প্রতিবাদে অভিভাবকদের স্মারকলিপি

কোটা সংস্কার আন্দোলনে আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার দায়িত্ব নিবে সরকার

সৃষ্টি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:০২:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০২৪ ১৭২ বার পড়া হয়েছে

কোটা সংস্কার আন্দোলনে আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার দায়িত্ব নিবে সরকার

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কোটা সংস্কার আন্দোলনে আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার দায়িত্ব নিবে সরকার

কোটা সংস্কার আন্দোলনে আহত হওয়া সাধারণ শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার দায়িত্ব সরকার নেবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। এ ছাড়া তাদের নামে হওয়া মামলাগুলো প্রত্যাহার করে তাদের নিরাপত্তা দেওয়ার কথাও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিকেলে গুলশানে নিজ বাসভবনে কোটা সংস্কারবিষয়ক প্রজ্ঞাপন জারি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

আনিসুল হক বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক কিছুই করা হয়েছে। কোটা সংস্কারের জন্য আমরা আপিল বিভাগের রায় প্রতিপালন করেছি।

আন্দোলনের নামে যেসব সহিংসতা হয়েছে, তা তদন্তের জন্য বিচারবিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছে। এরই মধ্যে কমিশনের প্রধান বিচারপতি খোন্দকার দিলুরুজ্জামান কাজ শুরু করেছেন। মামলার তথ্যাদি সরকারকে দেওয়া হলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নামে হওয়া মামলাগুলোও প্রত্যাহার করা হবে। শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে এনে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে সরকার।

তিনি আরও বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণ করেছি। এখন তাদেরও কিছু দায়িত্ব আছে। তারা যেন শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্যাম্পাসে ফেরেন।

আদালতের উদ্ধৃতি দিয়ে আনিসুল হক বলেন, কোটা বিষয়টি রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণী বিষয়। তার পরও আদালত সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদের প্রদত্ত এখতিয়ার বলে এবং সার্বিক ও যৌক্তিক বিবেচনায় সম্পূর্ণ ন্যায় বিচারের স্বার্থে সংবিধানের ১৯, ২৭, ২৮-এর ৪, ২৯-এর ৩ অনুচ্ছেদে উল্লিখিত সরকার নীতি ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর প্রতি দৃষ্টি দেওয়া হয়েছে।

সে লক্ষ্যে সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের চাকরিতে নিয়োগ পাওয়ার জন্য কোটাপ্রথা হিসেবে মেধাভিত্তিক ৯৩, মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা এবং বীরাঙ্গনার সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ, ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী ১ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের জন্য ১ শতাংশ নির্ধারণ করল। তবে নির্ধারিত কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কোটার শূন্য পদগুলো মেধাতালিকা থেকে পূরণ করতে হবে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কোটা সংস্কার আন্দোলনে আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার দায়িত্ব নিবে সরকার

আপডেট সময় : ১১:০২:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০২৪

কোটা সংস্কার আন্দোলনে আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার দায়িত্ব নিবে সরকার

কোটা সংস্কার আন্দোলনে আহত হওয়া সাধারণ শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার দায়িত্ব সরকার নেবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। এ ছাড়া তাদের নামে হওয়া মামলাগুলো প্রত্যাহার করে তাদের নিরাপত্তা দেওয়ার কথাও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিকেলে গুলশানে নিজ বাসভবনে কোটা সংস্কারবিষয়ক প্রজ্ঞাপন জারি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

আনিসুল হক বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক কিছুই করা হয়েছে। কোটা সংস্কারের জন্য আমরা আপিল বিভাগের রায় প্রতিপালন করেছি।

আন্দোলনের নামে যেসব সহিংসতা হয়েছে, তা তদন্তের জন্য বিচারবিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছে। এরই মধ্যে কমিশনের প্রধান বিচারপতি খোন্দকার দিলুরুজ্জামান কাজ শুরু করেছেন। মামলার তথ্যাদি সরকারকে দেওয়া হলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নামে হওয়া মামলাগুলোও প্রত্যাহার করা হবে। শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে এনে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে সরকার।

তিনি আরও বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণ করেছি। এখন তাদেরও কিছু দায়িত্ব আছে। তারা যেন শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্যাম্পাসে ফেরেন।

আদালতের উদ্ধৃতি দিয়ে আনিসুল হক বলেন, কোটা বিষয়টি রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণী বিষয়। তার পরও আদালত সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদের প্রদত্ত এখতিয়ার বলে এবং সার্বিক ও যৌক্তিক বিবেচনায় সম্পূর্ণ ন্যায় বিচারের স্বার্থে সংবিধানের ১৯, ২৭, ২৮-এর ৪, ২৯-এর ৩ অনুচ্ছেদে উল্লিখিত সরকার নীতি ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর প্রতি দৃষ্টি দেওয়া হয়েছে।

সে লক্ষ্যে সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের চাকরিতে নিয়োগ পাওয়ার জন্য কোটাপ্রথা হিসেবে মেধাভিত্তিক ৯৩, মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা এবং বীরাঙ্গনার সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ, ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী ১ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের জন্য ১ শতাংশ নির্ধারণ করল। তবে নির্ধারিত কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কোটার শূন্য পদগুলো মেধাতালিকা থেকে পূরণ করতে হবে।

Facebook Comments Box