ঢাকা ০৬:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারত বাংলাদেশ-নেপালের চেয়ে খারাপ হতে পারে: মন্ত্রী ইরফান আনসারি চাঁদপুরে ৩৬ জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগের ঘটনা রমজানের আগেই রাজধানীর বাজারে ছোলার দামে বড় ঝাঁকুনি শর্টকাট পথে অর্থ উপার্জনে ভালো আইনজীবী হওয়া সম্ভব নয়: আইনমন্ত্রী ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা নিরসনে ট্রাম্পের সঙ্গে কাতারের আমিরের ফোনালাপ মরিশাসে কাচের বাক্স চাপায় প্রাণ গেল তিন বাংলাদেশির চ্যাটজিপিটির ফিন্যান্স টুলে যুক্ত হলো ভয়েস সুবিধা মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিকশা, নিষেধাজ্ঞা নামমাত্র ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে নতুন ইতিহাস হাসান মাহমুদের সিলেট টেস্ট: ৩৫৬ রানে অলআউট ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ওপেনিংয়ে নাঈম

কারা করতে পারবেন নামাজের ইমামতি?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৪:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২২৫ বার পড়া হয়েছে

কারা করতে পারবেন নামাজের ইমামতি?

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কারা করতে পারবেন নামাজের ইমামতি?

নামাজের ইমামতি করার জন্য কিছু শর্ত পূরণ করা দরকার?

জেনে নেয়া যাক শর্ত শুগো ক কি? নামাজের ইমামতি ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ একটি দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পালনের জন্য নির্দিষ্ট কিছু শর্ত ও যোগ্যতা থাকা আবশ্যক। এখানে তা সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:

ইমামতির শর্ত ও যোগ্যতা কি কি?

নামাজের ইমামতি শুদ্ধ হওয়ার জন্য কয়েকটি শর্ত পূরণ করা আবশ্যক। প্রাথমিক শর্তের মধ্যে রয়েছে—পুরুষ হওয়া, মুসলমান হওয়া ও বালেগ হওয়া। (সুনানে কুবরা লিল-বায়হাকি: ৬০৬৯) এ ছাড়া মানসিকভাবে সুস্থ হওয়াও আবশ্যক।

দ্বিতীয় ধাপের শর্তের মধ্যে রয়েছে—নামাজ শুদ্ধ হওয়ার জন্য যতটুকু কোরআন তিলাওয়াত করা ফরজ, ততটুকু মুখস্থ ও শুদ্ধভাবে পড়তে পারা। সুতরাং মুখস্থ না থাকলে এবং শুদ্ধভাবে কোরআন তিলাওয়াত করতে না পারলে ইমামতি করা যাবে না। (তিরমিজি: ১৯১)
একইভাবে নামাজ বিশুদ্ধ হওয়ার যে শর্তগুলো আছে, তা থেকে কোনো একটি শর্ত পাওয়া না গেলেও ইমামতি শুদ্ধ হবে না। নামাজ সহিহ্ হওয়ার শর্ত যেমন—পবিত্রতা, সতর ঢাকা ইত্যাদি। কারণ, যার নামাজই হবে না, তার ইমামতির প্রশ্নই আসে না।

এ ছাড়া যাবতীয় অপারগতামুক্ত হওয়াও ইমামতির গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। যেমন—নাক দিয়ে রক্ত বের হওয়া, প্রস্রাব ঝরা, সর্বক্ষণ বায়ু নির্গত হওয়া ইত্যাদি। (বাদায়ে: ২/৫৪)

ইমামতি করা মাকরুহ কাদের?

প্রকাশ্য গুনাহের কাজ করে বেড়ায় এমন ব্যক্তির ইমামতি করা অনুচিত। (দারাকুতনি: ১৩২৮) বিজ্ঞ আলেমের উপস্থিতিতে জ্ঞানহীন ব্যক্তির ইমামতি মাকরুহ। (মুসনাদুল ফিরদাউস: ১/৩৯১) এ ছাড়া যে ব্যক্তি বিভিন্ন কারণে সমাজে নিন্দিত, তার জন্যও ইমামতি করা মাকরুহ। (তিরমিজি: ৩২৬)

ইমামতি করার একাধিক যোগ্য ব্যক্তি থাকলে করণীয় কি?

নামাজের ইমামতির জন্য সবচেয়ে বেশি যোগ্য রাষ্ট্রপ্রধান বা তাঁর নায়েব। (তিরমিজি: ২১৮) মদিনায় মহানবী (সা.) নিজেই নামাজের ইমামতি করতেন। তবে কোনো মসজিদে নিয়মিত ইমাম থাকলে তিনিই সেই মসজিদে ইমামতি করবেন। ঘরে জামাত অনুষ্ঠিত হলে ঘরের কর্তাই ইমামতির হকদার। (আবু দাউদ: ৫০৪)

উপস্থিত লোকদের মধ্যে যদি বাদশাহ, নায়েব বা নিয়মিত ইমাম না থাকেন এবং একাধিক ইমামতির যোগ্য ব্যক্তি থাকেন, তাহলে নামাজ সম্পর্কে যিনি বেশি জ্ঞান রাখেন, তিনিই বেশি হকদার। এরপর যাঁর বেশি কোরআন মুখস্থ আছে, তিনি। এরপর যিনি বেশি মুত্তাকি, তিনি। এরপর যিনি বেশি বয়স্ক, তিনি। সবাই এসব যোগ্যতার অধিকারী হলে তাঁদের থেকে যাঁকে নির্বাচন করা হবে, তিনিই ইমামতি করবেন। (বুখারি: ৬৩৭)

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কারা করতে পারবেন নামাজের ইমামতি?

আপডেট সময় : ০১:৫৪:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৪

কারা করতে পারবেন নামাজের ইমামতি?

নামাজের ইমামতি করার জন্য কিছু শর্ত পূরণ করা দরকার?

জেনে নেয়া যাক শর্ত শুগো ক কি? নামাজের ইমামতি ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ একটি দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পালনের জন্য নির্দিষ্ট কিছু শর্ত ও যোগ্যতা থাকা আবশ্যক। এখানে তা সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:

ইমামতির শর্ত ও যোগ্যতা কি কি?

নামাজের ইমামতি শুদ্ধ হওয়ার জন্য কয়েকটি শর্ত পূরণ করা আবশ্যক। প্রাথমিক শর্তের মধ্যে রয়েছে—পুরুষ হওয়া, মুসলমান হওয়া ও বালেগ হওয়া। (সুনানে কুবরা লিল-বায়হাকি: ৬০৬৯) এ ছাড়া মানসিকভাবে সুস্থ হওয়াও আবশ্যক।

দ্বিতীয় ধাপের শর্তের মধ্যে রয়েছে—নামাজ শুদ্ধ হওয়ার জন্য যতটুকু কোরআন তিলাওয়াত করা ফরজ, ততটুকু মুখস্থ ও শুদ্ধভাবে পড়তে পারা। সুতরাং মুখস্থ না থাকলে এবং শুদ্ধভাবে কোরআন তিলাওয়াত করতে না পারলে ইমামতি করা যাবে না। (তিরমিজি: ১৯১)
একইভাবে নামাজ বিশুদ্ধ হওয়ার যে শর্তগুলো আছে, তা থেকে কোনো একটি শর্ত পাওয়া না গেলেও ইমামতি শুদ্ধ হবে না। নামাজ সহিহ্ হওয়ার শর্ত যেমন—পবিত্রতা, সতর ঢাকা ইত্যাদি। কারণ, যার নামাজই হবে না, তার ইমামতির প্রশ্নই আসে না।

এ ছাড়া যাবতীয় অপারগতামুক্ত হওয়াও ইমামতির গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। যেমন—নাক দিয়ে রক্ত বের হওয়া, প্রস্রাব ঝরা, সর্বক্ষণ বায়ু নির্গত হওয়া ইত্যাদি। (বাদায়ে: ২/৫৪)

ইমামতি করা মাকরুহ কাদের?

প্রকাশ্য গুনাহের কাজ করে বেড়ায় এমন ব্যক্তির ইমামতি করা অনুচিত। (দারাকুতনি: ১৩২৮) বিজ্ঞ আলেমের উপস্থিতিতে জ্ঞানহীন ব্যক্তির ইমামতি মাকরুহ। (মুসনাদুল ফিরদাউস: ১/৩৯১) এ ছাড়া যে ব্যক্তি বিভিন্ন কারণে সমাজে নিন্দিত, তার জন্যও ইমামতি করা মাকরুহ। (তিরমিজি: ৩২৬)

ইমামতি করার একাধিক যোগ্য ব্যক্তি থাকলে করণীয় কি?

নামাজের ইমামতির জন্য সবচেয়ে বেশি যোগ্য রাষ্ট্রপ্রধান বা তাঁর নায়েব। (তিরমিজি: ২১৮) মদিনায় মহানবী (সা.) নিজেই নামাজের ইমামতি করতেন। তবে কোনো মসজিদে নিয়মিত ইমাম থাকলে তিনিই সেই মসজিদে ইমামতি করবেন। ঘরে জামাত অনুষ্ঠিত হলে ঘরের কর্তাই ইমামতির হকদার। (আবু দাউদ: ৫০৪)

উপস্থিত লোকদের মধ্যে যদি বাদশাহ, নায়েব বা নিয়মিত ইমাম না থাকেন এবং একাধিক ইমামতির যোগ্য ব্যক্তি থাকেন, তাহলে নামাজ সম্পর্কে যিনি বেশি জ্ঞান রাখেন, তিনিই বেশি হকদার। এরপর যাঁর বেশি কোরআন মুখস্থ আছে, তিনি। এরপর যিনি বেশি মুত্তাকি, তিনি। এরপর যিনি বেশি বয়স্ক, তিনি। সবাই এসব যোগ্যতার অধিকারী হলে তাঁদের থেকে যাঁকে নির্বাচন করা হবে, তিনিই ইমামতি করবেন। (বুখারি: ৬৩৭)

 

 

Facebook Comments Box