আকাশ নজরদারিতে পুরোপুরি সক্রিয় বাংলাদেশ: থাকছে আর বাংলার আকাশে ভারতীয় নজরদারী : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
আকাশ নজরদারিতে পুরোপুরি সক্রিয় বাংলাদেশ: থাকছে আর বাংলার আকাশে ভারতীয় নজরদারী : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কক্সবাজারে প্রমোদতরি ডুবির ঘটনায় নিউজিল্যান্ডের কিশোরের উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত চাকরি ছেড়ে টিকটকে ক্যারিয়ার: বাস্তবতা ও সাফল্যের নতুন সমীকরণ ইরানের সঙ্গে আলোচনায় তাড়াহুড়ো নেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেত্রকোনায় ডেপুটি স্পিকারের উদ্যোগে লাগানো ৩৫টি গাছের চারা উপড়ে ফেলল দুর্বৃত্তরা নেপালে আকস্মিক বন্যায় ১৭ জনের প্রাণহানি, নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটক ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসন ঠেকাতে জাতীয় রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান আইনমন্ত্রীর নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে মোদির বাসভবনের পাশের ৭০০ পরিবারকে উচ্ছেদের নির্দেশ হাইকোর্টের প্রতারণার মামলায় কারাগারে এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিক কেন ইংল্যান্ডে ফিরতে নারাজ আলভারেজ? বার্সেলোনায় যাওয়ার পেছনে রয়েছে পারিবারিক কারণ প্রথম ফরাসি নারী হিসেবে মহাকাশে স্পেসওয়াকের ইতিহাস গড়লেন সোফি আদেনো

আকাশ নজরদারিতে পুরোপুরি সক্রিয় বাংলাদেশ: থাকছে আর বাংলার আকাশে ভারতীয় নজরদারী

সৃষ্টি নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৪
আকাশ নজরদারিতে পুরোপুরি সক্রিয় বাংলাদেশ: থাকছে আর বাংলার আকাশে ভারতীয় নজরদারী

আকাশ নজরদারিতে পুরোপুরি সক্রিয় বাংলাদেশ: থাকছে আর বাংলার আকাশে ভারতীয় নজরদারী

আকাশ নজরদারিতে পুরোপুরি সক্রিয় বাংলাদেশ: থাকছে আর বাংলার আকাশে ভারতীয় নজরদারী

বাংলার আকাশ নজরদারিতে পুরোপুরি সক্রিয় এখন। ৭৩০ কোটির নতুন রাডারে আকাশসীমা নিরাপদ থাকবে। এই নজরদারি ব্যবস্থা জোরালো করতে ৭৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে ফ্রান্সের থ্যালাস কোম্পানি থেকে কেনা হয় অত্যাধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন রাডার।

নতুন এই রাডার পুরোপুরি কাজ শুরু করেছে। এর বাইরেও রয়েছে বিমানবাহিনীর নিজস্ব রাডার। অপরদিকে চট্টগ্রামে আরও একটি রাডার অপারেশনের অপেক্ষায়। সব মিলিয়ে দেশের আকাশসীমা আগের যেকোনও সময়ের চেয়ে আরও সুসংহত ও নিরাপদ অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ব্যয় ধরা হয় প্রায় ৭৩০ কোটি টাকা। এই ব্যয় বেবিচকের নিজস্ব তহবিল থেকে বহন করা হয়। প্রকল্প বাস্তবায়নে ফ্রান্সের রাডার প্রস্তুতকারী কোম্পানি থ্যালাসের সঙ্গে ২০২১ সালের অক্টোবরে চুক্তি করে বেবিচক। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালে নভেম্বরে বসানো হয় এই রাডার। ধীরে এটি অপারেশনও শুরু করে। গত আগস্ট থেকে এটি পরিপূর্ণভাবে অপারেশনে রয়েছে।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদস্য (এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট-এটিএম) এয়ার কমোডর জিয়াউল হক বলেন, শাহজালাল বিমানবন্দরে নতুন স্থাপিত রাডারটি এখন ফুল অপারেশনে রয়েছে। এই রাডার বর্তমান সময়ের অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি করা হয়েছে। এতে দেশের আকাশসীমা পর্যবেক্ষণ আরও শক্তিশালী হলো। নতুন এয়ার ট্রাফিক সিস্টেমের (এটিএস) কারণে বহির্বিশ্বে আমাদের মর্যাদাও বৃদ্ধি পেয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের এটিএম নিয়ে কিছু বিভ্রান্তি রয়েছে। অনেকে কিছু টেকনিক্যাল বিষয়ের কারণে নানা ধরনের গুজব ছড়ায়। আমাদের অত্যাধুনিক সিস্টেমের রাডারের পাশাপাশি বিমানবাহিনীর নিজস্ব রাডার রয়েছে, যার দ্বারাও আমরা পর্যবেক্ষণ করি।

এছাড়াও চট্টগ্রামে আরেকটি রাডার অপারেশনের অপেক্ষায় রয়েছে। কোনও দেশের বিমান আমাদের দেশের আকাশসীমা ফাঁকি দেবে এমন সুযোগ নাই।
তিনি বলেন, বর্তমানে আমরা এটিএমের মাধ্যমে যথেষ্ট রাজস্ব আয় করি।

পড়ুন>>দুজন মার্কিন বিজ্ঞানী যৌথভাবে চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেল পেলেন

বেবিচক সূত্র জানায়, দেশের আকাশসীমা নিয়ে কিছু বিভ্রান্তিমূলক অসত্য তথ্য ছড়িয়ে পড়ছে। চট্টগ্রামে স্থাপিত রাডার নিয়ে বেশ কিছু দিন যাবৎ ভুল তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। শাহজালালে আগে স্থাপিত রাডারটির অনেক পুরনো হলেও বিভিন্ন সময় আপগ্রেডেশন, ওভারহোলিং করার মাধ্যমে সবসময় সচল ও স্বাভাবিক অপারেশনে ছিল। ২৪ ঘণ্টাই অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে নজরদারিসহ কন্ট্রোল সার্ভিস দেওয়া হচ্ছে। ফলে রাডার ফাঁকি দিয়ে বাংলাদেশের আকাশসীমা অতিক্রম করার সুযোগ আগেও ছিল না, এখনও নেই।

এই রাডার দিয়ে দেশের দক্ষিণাংশে সমুদ্রসীমা পর্যন্ত নজরদারি সম্ভব বলে জানিয়েছে বেবিচক
এই রাডার দিয়ে দেশের দক্ষিণাংশে সমুদ্রসীমা পর্যন্ত নজরদারি সম্ভব বলে জানিয়েছে বেবিচক।
বেবিচক সূত্র জানায়, বাংলাদেশের আকাশসীমায় কখন কোন বিমান ঢুকবে তা পূর্ব নির্ধারিত। এর জন্য ওভারফ্লাইং চার্জ প্রযোজ্য। যদি এক মিনিটের জন্যও কোনও বিমান দেশের আকাশসীমায় প্রবেশ করে, এ জন্য তাদের জানাতে হয় এবং চার্জ প্রযোজ্য হয়। এতদিন বাংলার আকাশের চার্জ নিত ভারত।

শুধু বেবিচকের রাডারই নয়, বাংলাদেশের আকাশসীমা পাহারার জন্য বিমানবাহিনীর একাধিক রাডার রয়েছে।
সূত্র জানায়, চট্টগ্রামের রাডারের মাধ্যমে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল করা না হলেও ঢাকা রাডারের মাধ্যমে বাংলাদেশের দক্ষিণ অংশ তথা সমুদ্রসীমা সম্পূর্ণভাবে মনিটর করা হয়।

চট্টগ্রামে জাইকার সহায়তায় ২০১৭ সালে রাডার স্থাপন করা হলেও শুরুতে বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতা এবং পরবর্তীতে করোনা মহামারির কারণে কমিশনিং বিলম্ব হয়। তবে ২০২২ সালে রাডারটি একবার চালু হয়। পরে টেকনিক্যাল ত্রুটি ধরা পড়লে অপারেশন বন্ধ হয়। বর্তমানে জাপানে এনইসি কোম্পানির মাধ্যমে টেকনিক্যাল সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে। খুব দ্রুত এটি আবারও অপারেশন শুরু করবে।

জেনে নিন>>রোবটে জীবন্ত ত্বক বসিয়ে মানুষের অবিকল রোবট তৈরির আরেক ধাপ এগোল

বেবিচক সূত্র জানায়, ওভারফ্লাইং আয় গত প্রায় ৯ অর্থবছরে ২ হাজার কোটি ছুঁই ছুঁই হলেও পুরোপুরি হয়নি। ১ হাজার ৫০০ থেকে থেকে ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। সেখানে নতুন রাডার স্থাপনের কারণে আড়াই থেকে ৩ হাজার কোটি টাকার ঘরে আয় দাঁড়াবে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!