সরিষাবাড়ীতে ভাবীর সাথে পরকীয়ায় বাধা দেয়ায় স্ত্রীকে তালাক : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
সরিষাবাড়ীতে ভাবীর সাথে পরকীয়ায় বাধা দেয়ায় স্ত্রীকে তালাক : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

সরিষাবাড়ীতে ভাবীর সাথে পরকীয়ায় বাধা দেয়ায় স্ত্রীকে তালাক

সরিষাবাড়ি (জামালপুর) সাইয়‍্যেদ মাহমুদ
  • প্রকাশিত : সোমবার, ২ অক্টোবর, ২০২৩
সরিষাবাড়ীতে ভাবীর সাথে পরকীয়ায় বাধা দেয়ায় স্ত্রীকে তালাক

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ভাবীর সাথে পরকীয়ায় বাধা দেয়ায় স্ত্রীকে তালাক প্রদানের অভিযোগ উঠেছে।

সরিষাবাড়ীতে ভাবীর সাথে পরকীয়াতে বাধা দেয়ার জেরে স্ত্রী-কে মারধর করে তাড়িয়ে দিয়ে তালাকের অভিযোগ।

সরিষাবাড়ী পৌরসভার বাউসি চন্দনপুর গ্রামের মো জামাল উদ্দিন ওরফে গুজার শেখের দ্বিতীয় পুত্র মোহাম্মদ সাব্বির হোসেন শেখ(২৩)এর সাথে, বাউসি ফুলবাড়িয়া গ্রামের মোঃ খলিলুর রহমানের মেয়ে মোছাঃ ফরিদা আক্তার(২১) ২০২১ সালের ডিসেম্বর ১৭ তারিখে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়।

বিয়ের পরপরই কিছু দিন যেতে না যেতে সাব্বির শেখ তার স্ত্রী ফরিদা আক্তারকে তার বাবার নিকট থেকে  টাকা আনার জন‍্য চাপ দেয়। গরীব অসহায় বাবার অবস্থা বিবেচনা করে সে টাকা চাইতে পারবে না বলে স্বামী সাব্বিরের নিকট অপারগতা প্রকাশ করে।

এতে সাব্বির শেখ তার স্ত্রী ফরিদার উপর ক্ষুদ্ধ হয়ে তাকে মারধর করে, শরীরের গোপন জায়গায় সিগারেটের আগুনে ছ্যাকা দেয়। এভাবে প্রতিনিয়ত নেশার টাকার জন্য ফরিদার উপর অমানুষিক নির্যাতন চলতেই থাকে।

এমতাবস্থায় ফরিদার বাবার বাড়ীর লোকজন পৌর কাউন্সিলরকে সাথে নিয়ে সাব্বিরের বাড়ীতে বিচারের জন্য গেলে বাড়ীর লোকজন অন্যত্র সটকে পড়ে গাঁ ঢাকা দেয়।

গত প্রায় দুই বছরে বহুবার সাব্বিরের বাড়ীতে বিচারের জন্য আওতায় গেলে তারা কোন ভাবেই বিচার সালিশে বসতে চায় না। ছেলেকে শাসন করে না উল্টো ছেলেকে উসকে দেয়।

ভুক্তভোগী ফরিদা আক্তার আরও জানান, সাব্বিরের বড় ভাই রাব্বি শেখের স্ত্রীর সাথে পরকীয়ার সম্পর্ক বিয়ের আগে থেকেই ।

বিয়ের পর ফরিদা তাদের দেবর ভাবির পরকীয়া ধরে ফেলে। এই পরকীয়ায় বাধা দিলে নির্যাতনের মাত্রা আরো বেড়ে যায়। সাব্বিরের পরিবারের সকলেই এই অবৈধ সম্পর্কের কথা জানে, ফরিদা তার শ্বশুরকে বিচার দিলেও সাব্বিরের মা বাবা কোন বিচার বা শাসন করে না।

আমার নির্যাতনের মাত্রা এতই বেশি যে সে আমাকে মেরে ফেলার হুমকিও দিয়েছে। আমাকে মারধর করে বাড়ী থেকে বের করে দেয়, উপায় আন্ত না দেখে আমি বাপের বাড়ি আসতে বাধ্য হই।

গত ১৩/০৮/২০২৩ ইং পিয়ন এসে তালাকে চিঠি হাতে পাই। তালাক নামা পাওয়ার পরে সাব্বিরকে ফোন দিয়ে আমার আইনত পাওনাদীর কথা বললে সাব্বির আমাকে শাসিয়ে বলে তোর পাওনা কোর্টের মাধ্যমে বুঝিয়ে দেওয়া হবে।

এই বলে সে ফোন রেখে দেয়। সে আর আমাদের কারো ফোন ধরে না। ফরিদার পিতা খলিলুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি কান্নাকাটি করে অভিযোগ করেন সাব্বিরের বাড়ীর লোকজন যদি সাব্বিরকে শাসন করতো তাহলে আমার মেয়েটার কষ্ট হলেও সংসার করে খেতে পারথো।

আমি নিজে গুলজারের নিকট বিচার দিয়েও কোন প্রতিকার পাইনি। তাই প্রশাসনের নিকট প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার আকুল আবেদন আমার মেয়ের প্রতি যে অমানবিক অত্যাচার নির্যাতন তারা করেছে, সাব্বির সহ তার পরিবারের সকলের কঠোর শাস্তি দাবি করছি।

আমার মেয়ের আইনগত পাওনা দেনমোহরের টাকা ও তাকে নগদ দেড় লাখ (১৫০০০০/=)টাকা সহ জিনিস পত্র গুলো ফেরত দেয়। ফরিদা কান্নাকাটি করে বলে আমার পাওনা বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি। আমি সাংবাদিকদের মাধ্যমে,প্রশাসন ও প্রধানমন্ত্রীর নিকট এর সুষ্ঠু বিচার চাই, আমি সাব্বিরের কঠোর শাস্তির দাবি জানাই।

এ ব্যাপারে সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহব্বত কবীরের সাথে কথা হলে তিনি জানান এ পর্যন্ত কেউ এ ব্যাপারে কোন অভিযোগ করেননি। কেউ অভিযোগ দিলে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!