রাণীশংকৈলে নিয়ে নতুন কর্মপরিকল্পনা: গুরুত্ব পেল জনগণের মতামত
- আপডেট সময় : ১১:৩৫:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
রাণীশংকৈলে নিয়ে নতুন কর্মপরিকল্পনা: গুরুত্ব পেল জনগণের মতামত
কাগজে-কলমে নয়, এবার মানুষের প্রয়োজন ও মতামতকে সামনে রেখেই বদলানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবা। স্থানীয় জনগণ ও সেবাগ্রহীতাদের অভিজ্ঞতা, চাহিদা ও মতামত বিশ্লেষণ করে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার আটটি কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবার মান উন্নয়নে নেওয়া হয়েছে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে সিটিজেন ভয়েস অ্যান্ড অ্যাকশন (সিভিএ) ওয়ার্কিং গ্রুপের উদ্যোগে আয়োজিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন সভা (ইন্টারফেইজ মিটিং) এ এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সহযোগিতা করে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের রিয়্যাক্টস-ইন প্রকল্প।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম রাব্বানী সরদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামাল আহমেদ এবং উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. আল হানিফ।
সভায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, কমিউনিটি ক্লিনিকের কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি), স্বাস্থ্য সহকারী (এইচএ), পরিবার কল্যাণ সহকারী (এফডব্লিউএ), এনজিও প্রতিনিধি ও প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।
উপস্থিত ছিলেন রাণীশংকৈল প্রেসক্লাব পুরাতনের সভাপতি শফিকুল ইসলাম শিল্পী ও প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফুল আলম।
এ ছাড়া ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের রিয়্যাক্টস-ইন প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যানেজার জুলিয়াস আর্থার সরকার, প্রজেক্ট অফিসার বিলকিস বেগমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় আটটি কমিউনিটি ক্লিনিকের বর্তমান সেবার মান, বিদ্যমান সমস্যা, সেবাগ্রহীতাদের প্রত্যাশা এবং উন্নয়নের সম্ভাব্য ক্ষেত্র নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পরে সেবাদানকারী ও সেবাগ্রহীতাদের মতামতের ভিত্তিতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবা প্রদানের দিন ও সময় আরও কার্যকরভাবে নির্ধারণ, নিরাপদ পানির উৎস নিশ্চিত করা, কমিউনিটি সাপোর্ট গ্রুপ (সিজি) কমিটির সভা নিয়মিত করা, তহবিল উন্নয়ন এবং জিএমপিসহ বিভিন্ন কার্যক্রম জোরদার করা। বক্তারা বলেন, একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রকৃত সমস্যা সবচেয়ে ভালোভাবে জানেন সেখানকার সেবাগ্রহীতা ও স্থানীয় মানুষ। তাই তাঁদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পনা করা হলে বাস্তব সমস্যার সঙ্গে উন্নয়ন কার্যক্রমের কার্যকর সমন্বয় ঘটবে। এতে কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবার মান বৃদ্ধির পাশাপাশি নারী, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টিসেবা আরও সহজলভ্য ও কার্যকর হবে।
তাঁরা আরও বলেন, জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে নেওয়া এ ধরনের উদ্যোগ কমিউনিটি ক্লিনিকের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়াবে এবং তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উল্লেখ্য, গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডার অর্থায়নে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের রিয়্যাক্টস-ইন প্রকল্প ঠাকুরগাঁও জেলার পাঁচটি উপজেলায় কার্যক্রম পরিচালনা করছে। মা, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের পুষ্টি, পুষ্টি-সম্পর্কিত অধিকার ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সমাজে জেন্ডার সমতা প্রতিষ্ঠায় প্রকল্পটি বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























