ঢাকা ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শেখ হাসিনা শান্তিতে থাকতে দেবেন না, বিশ্বাস করি না: তথ্য উপদেষ্টা ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা কুড়িগ্রামে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত জামালপুরের মেলান্দহে কাঁঠালগাছে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রৌঢ়ের মৃত্যু রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পোশাকশিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চট্টগ্রামে জনাকীর্ণ স্থানে গুলি, এক বছরেও শনাক্ত হয়নি সেই শুটার এপিক হেলথ কেয়ার থেকে বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা পাবেন লায়ন্স সদস্যরা বিসিবির ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে সাইবার হামলার চেষ্টা, সতর্কবার্তা বোর্ডের আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনে ৯০ কর্মী নিয়োগ, আবেদন শুরু ২ নভেম্বর ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ২৬ মার্কিন ঘাঁটি

এসিসি প্রধানের হাত থেকে ট্রফি নিতে ভারতী নারী দলের অস্বীকৃতি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৬:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯৬ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

এসিসি প্রধানের হাত থেকে ট্রফি নিতে ভারতী নারী দলের অস্বীকৃতি

 

নারী এশিয়া কাপের ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে ৭২ রানে হারিয়ে অষ্টমবারের মতো শিরোপা জয় করেছে ভারত। তবে জয়ের উৎসবের চেয়েও দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের নজিরবিহীন ঘটনাটি এখন আলোচনার কেন্দ্রে। টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর হরমানপ্রীত কৌরের দল এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) প্রধান মহসিন নাকভির হাত থেকে ট্রফি নিতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানায়। এই অনমনীয় অবস্থানের কারণে বিজয়ী দলের ট্রফি প্রদান পর্ব প্রায় ৫০ মিনিট পর্যন্ত আটকে ছিল।

ঘটনার নেপথ্যে ছিল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। একইসঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান এবং দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা নাকভির কাছ থেকে ট্রফি গ্রহণে অনীহা প্রকাশ করে ভারত। ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই) আয়োজকদের কাছে এসিসির সহ-সভাপতি খালিদ আল জারুনির হাত থেকে ট্রফি দেওয়ার প্রস্তাব দিলেও এসিসি প্রধান নিজের অবস্থানে অনড় থাকেন। ফলে শেষ পর্যন্ত ট্রফি ছাড়াই মাঠ ত্যাগ করতে দেখা যায় চ্যাম্পিয়নদের।

 

 

পড়ূন>>দেশীয় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে আমদানিনির্ভরতা কমানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

 

এই ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া সংবাদমাধ্যমকে জানান, ২০২৫ সালের এপ্রিলে পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলা এবং পরবর্তী ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার পর ভারতের ক্রীড়া ও কূটনৈতিক নীতিতে বড় ধরণের পরিবর্তন এসেছে।

তিনি স্পষ্ট করেন, বহুজাতিক টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের বিষয়টি ভিন্ন, কিন্তু দেশের স্বার্থবিরোধী ভূমিকায় অবতীর্ণ কোনো নেতার হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করা সম্ভব নয়। সাইকিয়ার ভাষায়, ভারত প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে মানেই আয়োজক দেশ বা তাদের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের প্রতিটি শর্ত মেনে নেওয়া নয়। বরং দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করা কোনো উচ্চপদস্থ ব্যক্তির হাত

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

এসিসি প্রধানের হাত থেকে ট্রফি নিতে ভারতী নারী দলের অস্বীকৃতি

আপডেট সময় : ১২:৪৬:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

এসিসি প্রধানের হাত থেকে ট্রফি নিতে ভারতী নারী দলের অস্বীকৃতি

 

নারী এশিয়া কাপের ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে ৭২ রানে হারিয়ে অষ্টমবারের মতো শিরোপা জয় করেছে ভারত। তবে জয়ের উৎসবের চেয়েও দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের নজিরবিহীন ঘটনাটি এখন আলোচনার কেন্দ্রে। টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর হরমানপ্রীত কৌরের দল এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) প্রধান মহসিন নাকভির হাত থেকে ট্রফি নিতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানায়। এই অনমনীয় অবস্থানের কারণে বিজয়ী দলের ট্রফি প্রদান পর্ব প্রায় ৫০ মিনিট পর্যন্ত আটকে ছিল।

ঘটনার নেপথ্যে ছিল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। একইসঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান এবং দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা নাকভির কাছ থেকে ট্রফি গ্রহণে অনীহা প্রকাশ করে ভারত। ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই) আয়োজকদের কাছে এসিসির সহ-সভাপতি খালিদ আল জারুনির হাত থেকে ট্রফি দেওয়ার প্রস্তাব দিলেও এসিসি প্রধান নিজের অবস্থানে অনড় থাকেন। ফলে শেষ পর্যন্ত ট্রফি ছাড়াই মাঠ ত্যাগ করতে দেখা যায় চ্যাম্পিয়নদের।

 

 

পড়ূন>>দেশীয় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে আমদানিনির্ভরতা কমানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

 

এই ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া সংবাদমাধ্যমকে জানান, ২০২৫ সালের এপ্রিলে পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলা এবং পরবর্তী ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার পর ভারতের ক্রীড়া ও কূটনৈতিক নীতিতে বড় ধরণের পরিবর্তন এসেছে।

তিনি স্পষ্ট করেন, বহুজাতিক টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের বিষয়টি ভিন্ন, কিন্তু দেশের স্বার্থবিরোধী ভূমিকায় অবতীর্ণ কোনো নেতার হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করা সম্ভব নয়। সাইকিয়ার ভাষায়, ভারত প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে মানেই আয়োজক দেশ বা তাদের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের প্রতিটি শর্ত মেনে নেওয়া নয়। বরং দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করা কোনো উচ্চপদস্থ ব্যক্তির হাত

 

 

Facebook Comments Box