ভূরুঙ্গামারীতে বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস করেছে কাস্টমস
- আপডেট সময় : ১০:২০:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে
ভূরুঙ্গামারীতে বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস করেছে কাস্টমস
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ২৩ লাখ টাকার বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস করেছে ভূরুঙ্গামারী কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট সার্কেল অফিস।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীণ পণ্য ধ্বংস কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে ভূরুঙ্গামারী কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট সার্কেল অফিস সংলগ্ন উপজেলার জয়মনিরহাট ইউনিয়নের ছোট খাটামারী এলাকায় এ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণের মধ্যে ওষুধ, সার, খাদ্যদ্রব্য, তামাকজাত দ্রব্য, কারেন্ট জাল, শাড়ি, ওড়না, চাদর ও প্রসাধনী সামগ্রী ছিল। এসব পণ্যের ওজন প্রায় ১৫ হাজার ২০০ কেজি। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ২৩ লাখ টাকা।
কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট রংপুরের কমিশনার মুহাম্মদ রাশেদুল আলমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ধ্বংস কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
পড়ুন>>শিল্পকারখানায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ মঙ্গলবার থেকে স্বাভাবিক হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
এসময় ধ্বংসযোগ্য পণ্য ধ্বংসকরণ কমিটির আহ্বায়ক রংপুর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট যুগ্ম কমিশনার মো. ফয়সাল বিন রহমান, ধ্বংসকরণ কমিটির সদস্য সচিব কুড়িগ্রাম কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের সহকারী কমিশনার সাঈদুর রহমান মুন্না, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল হক তারেক, নাগেশ্বরী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার গোলাম মোর্শেদ, কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২বিজিবি) সহকারী পরিচালক মতিউর রহমান, সোনাহাট স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) বদিউজ্জামান, কুড়িগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম, কুড়িগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক এনামুল হক, ভূরুঙ্গামারী কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট সার্কেলের রাজস্ব কর্মকর্তা জহির রায়হান সিদ্দিক ও ভূরুঙ্গামারী শুল্ক গুদাম কর্মকর্তা জুনেদ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
পড়ুন>>শিল্পকারখানায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ মঙ্গলবার থেকে স্বাভাবিক হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ধ্বংসযোগ্য পণ্য ধ্বংসকরণ কমিটির আহ্বায়ক রংপুর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট যুগ্ম কমিশনার মো. ফয়সাল বিন রহমান বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের স্থায়ী আদেশ মোতাবেক ভূরুঙ্গামারী শুল্ক গুদাম কর্তৃক সকল আইনি প্রক্রিয়া শেষে শুল্ক গুদামে সংরক্ষিত বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস করে স্বাস্থ্যবিধির আলোকে গর্ত করে মাটি চাপা দেওয়া হয়েছে। বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যের ওজন প্রায় ১৫ হাজার ২০০ কেজি। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ২৩ লাখ টাকা।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ
























