রাজবাড়ীতে মানবপাচার মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
- আপডেট সময় : ০৩:১৬:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
রাজবাড়ীর পাংশা থানার ধুলিয়াট গ্রামের বাসিন্দা মো. রেজাউল মণ্ডল এবং শাহিদুল মিয়াকে মানবপাচারের একটি মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার রাজবাড়ী মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা জজ মো. তহিদুল ইসলাম এই চাঞ্চল্যকর রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় অভিযুক্ত উভয় আসামি পলাতক ছিলেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—মো. রেজাউল মণ্ডল (পিতা: আদো মণ্ডল) এবং মো. শাহিদুল মিয়া (পিতা: মৃত আতর আলী মিয়া)। উভয়ের বাড়ি রাজবাড়ী জেলার পাংশা থানার ধুলিয়াট গ্রামে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১২ সালের ১০ মে রাতে মো. রেজাউল মণ্ডল ও শাহিদুল মিয়া ভুক্তভোগী ফারুক ও তার খালাতো ভাই আজিজুল ইসলামকে বেড়ানোর কথা বলে কৌশলে ফুসলিয়ে নিয়ে যান। ঘটনার ১৭ দিন পর আজিজুল পাচারকারীদের কবল থেকে পালিয়ে বাড়িতে ফিরতে সক্ষম হলেও ফারুক এখনো নিখোঁজ রয়েছে। ফারুক ওরফে মারুফকে (১৬) গত ১৪ বছর ধরে খুঁজে ফিরছে তার পরিবার।
আদালত রায়ে উল্লেখ করেন, আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত মানবপাচারের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এই অপরাধের দায়ে প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। অনাদায়ে তাদের আরো ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। এ ছাড়াও পৃথক ধারায় প্রত্যেককে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরো ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, উভয় সাজা একত্রে কার্যকর হবে। আদালত আদেশে উল্লেখ করেছেন যে, উভয় ধারার সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে।
রায় ঘোষণার পাশাপাশি পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে পূর্বে ইস্যুকৃত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে, তাদের সাজার বিষয়টি উল্লেখ করে নতুনভাবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। দীর্ঘ ১৪ বছর পর এই রায়ের মাধ্যমে নিখোঁজ ফারুকের পরিবার ন্যায়বিচারের আশা দেখছে।
সূত্র: দৈনিক আমার দেশ
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ























