ঢাকা ০৭:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কাতারের নিরাপত্তায় যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন নৌবাহিনীর ২৪ সদস্য ভারত বাংলাদেশ-নেপালের চেয়ে খারাপ হতে পারে: মন্ত্রী ইরফান আনসারি চাঁদপুরে ৩৬ জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগের ঘটনা রমজানের আগেই রাজধানীর বাজারে ছোলার দামে বড় ঝাঁকুনি শর্টকাট পথে অর্থ উপার্জনে ভালো আইনজীবী হওয়া সম্ভব নয়: আইনমন্ত্রী ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা নিরসনে ট্রাম্পের সঙ্গে কাতারের আমিরের ফোনালাপ মরিশাসে কাচের বাক্স চাপায় প্রাণ গেল তিন বাংলাদেশির চ্যাটজিপিটির ফিন্যান্স টুলে যুক্ত হলো ভয়েস সুবিধা মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিকশা, নিষেধাজ্ঞা নামমাত্র ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে নতুন ইতিহাস হাসান মাহমুদের

মুচলেকা দিয়ে আদালত থেকে জামিন পেলেন চিত্রনায়িকা পরীমনি

ঢাকা মহানগর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:০৩:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

মুচলেকা দিয়ে আদালত থেকে জামিন পেলেন চিত্রনায়িকা পরীমনি

 

ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদকে মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমানের আদালতে তিনি হাজিরা দেন। শুনানি শেষে আদালত ৫০০ টাকা মুচলেকায় তাকে জামিন প্রদান করেছেন।

এদিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কড়া নিরাপত্তায় আদালতে উপস্থিত হন পরীমনি। তার সঙ্গে এ সময় ১১ জন ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মী ছিলেন। বেলা ১১টা ৪১ মিনিটে তিনি আদালতের এজলাসে প্রবেশ করেন। তার আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী আদালতে জামিনের আবেদন উপস্থাপন করেন। শুনানি শেষে বিচারক জামিন মঞ্জুর করলে বেলা ১২টার দিকে তিনি আদালত চত্বর ত্যাগ করেন। তবে এসময় তার দেহরক্ষীদের সঙ্গে সাংবাদিকদের অনাকাঙ্ক্ষিত উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং পরে এক সাংবাদিকের ফোন নিয়ে হট্টগোল তৈরি হয়, যা পরবর্তীতে সমাধান করা হয়।

 

পড়ুন>>খুলনায় চুইঝালের শতকোটি টাকার বাণিজ্যিক সম্ভাবনা

 

এসময় তার সঙ্গে দেহরক্ষীরা সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হন। পরে গাড়িতে উঠার সময় এক সাংবাদিক তার গায়ে হাত দিয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন পরীমনি। তবে পরবর্তীতে তার ফোনটি ফেরত দেওয়া হয়। তাদের সঙ্গে কিছু সময় বসারও অনুরোধ করেন।

এর আগের দিন, অর্থাৎ বুধবার মামলাটির সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। তবে সেদিন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভীর মাধ্যমে সময়ের আবেদন করেন পরীমনি। আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল, এলার্জিজনিত অসুস্থতার কারণে তিনি উপস্থিত হতে পারছেন না। তবে বাদীপক্ষের আইনজীবী আবুল কালাম মোহাম্মদ সোহেল এই সময়ের আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করেন।

 

পড়ুন>>রেল দরপত্র জালিয়াতির তদন্ত নিয়ে গড়িমসি, জানেন না সময়সীমা জিএম

 

 

তিনি যুক্তি দেন যে, আসামি ইচ্ছাকৃতভাবে আদালতের সময় নষ্ট করছেন এবং জামিন বাতিলযোগ্য। সেই প্রেক্ষিতে আদালত সময়ের আবেদন নাকচ করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন এবং আগামী ২৩ ডিসেম্বর সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেন।

মামলাটির দীর্ঘ ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ২০২১ সালের ৬ জুলাই ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব হাসানের আদালতে বোট ক্লাবের সভাপতি নাসির উদ্দিন মাহমুদ পরীমণিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে নালিশি মামলা করেন। অপর দুই আসামি হলেন পরীমণির সহযোগী ফাতেমা তুজ জান্নাত বনি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমি। পরীমণি তার পরিচিত পুলিশ কর্মকর্তাদের দিয়ে মিথ্যা মামলা করিয়ে হয়রানির ভয় দেখান।

আরও পড়ুন>>মোংলায় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের সমঝোতা চুক্তি

মামলার অভিযোগে নাসির উদ্দিন উল্লেখ করেন, ঘটনার দিন অর্থাৎ ২০২১ সালের ৯ জুন রাত ১২টার পর আসামিরা সাভারে অবস্থিত বোট ক্লাবে প্রবেশ করেন।

সেখানে তারা ওয়াশরুম ব্যবহারের পর ক্লাবের ভেতরে অ্যালকোহল পান করেন। রাত ১টা ১৫ মিনিটে ক্লাব থেকে বের হওয়ার সময় পরীমনি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাদীকে ডাক দেন এবং অশালীন অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে তাকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেন। নাসির উদ্দিন জানান, এ সময় পরীমনি একটি দামী অ্যালকোহলের বোতল বিনা মূল্যে পার্সেল দেওয়ার দাবি তুললে তিনি তাতে আপত্তি জানান।

 

এতে পরীমনি ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং হাতের সার্ভিং গ্লাস ও মোবাইল ফোন ছুড়ে মারেন, যার আঘাতে তিনি মাথায় ও বুকে জখম হন। তারা সুযোগ বুঝে বিভিন্ন নামীদামি ক্লাবে ঢুকে অ্যালকোহল পান করেন এবং পার্সেল নিয়ে মূল্য পরিশোধ করেন না। এতে আরও বলা হয়, বাদী (নাসির উদ্দিন মাহমুদ) ও তার সহযোগী শাহ শহিদুল আলম রাত ১টা ১৫ মিনিটে যখন ক্লাব ত্যাগ করছিলেন, তখন পরীমণি উদ্দেশ্যমূলকভাবে নাসিরকে ডাক দেন।

পড়ুন>>কাতার মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তির পথে নতুন মোড়

নাসির উদ্দিনের অভিযোগ অনুযায়ী, পরীমনি ও তার সহযোগীরা তাকে মারধর ও হত্যার হুমকি দেন এবং ক্লাবের ভেতরে ভাঙচুর চালান। এই ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে পরবর্তীতে পরীমনি সাভার থানায় নাসির উদ্দিনসহ দুজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে পাল্টা মামলা করেছিলেন।

মামলাটির তদন্ত শেষে ২০২৪ সালে পিবিআই ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

প্রতিবেদনে পরীমনি ও তার ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদীর বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলেও ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ মেলেনি। আদালত সেই প্রতিবেদন গ্রহণ করে পরীমনি ও জুনায়েদ বোগদাদীকে সমন জারি করেন এবং এর আগে ২৫ জুন তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছিলেন। এছাড়া গত বছরের ২৬ জানুয়ারি আদালত এ মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার প্রক্রিয়া শুরুর আদেশ দিয়েছিলেন।

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মুচলেকা দিয়ে আদালত থেকে জামিন পেলেন চিত্রনায়িকা পরীমনি

আপডেট সময় : ০৪:০৩:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

 

মুচলেকা দিয়ে আদালত থেকে জামিন পেলেন চিত্রনায়িকা পরীমনি

 

ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদকে মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমানের আদালতে তিনি হাজিরা দেন। শুনানি শেষে আদালত ৫০০ টাকা মুচলেকায় তাকে জামিন প্রদান করেছেন।

এদিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কড়া নিরাপত্তায় আদালতে উপস্থিত হন পরীমনি। তার সঙ্গে এ সময় ১১ জন ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মী ছিলেন। বেলা ১১টা ৪১ মিনিটে তিনি আদালতের এজলাসে প্রবেশ করেন। তার আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী আদালতে জামিনের আবেদন উপস্থাপন করেন। শুনানি শেষে বিচারক জামিন মঞ্জুর করলে বেলা ১২টার দিকে তিনি আদালত চত্বর ত্যাগ করেন। তবে এসময় তার দেহরক্ষীদের সঙ্গে সাংবাদিকদের অনাকাঙ্ক্ষিত উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং পরে এক সাংবাদিকের ফোন নিয়ে হট্টগোল তৈরি হয়, যা পরবর্তীতে সমাধান করা হয়।

 

পড়ুন>>খুলনায় চুইঝালের শতকোটি টাকার বাণিজ্যিক সম্ভাবনা

 

এসময় তার সঙ্গে দেহরক্ষীরা সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হন। পরে গাড়িতে উঠার সময় এক সাংবাদিক তার গায়ে হাত দিয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন পরীমনি। তবে পরবর্তীতে তার ফোনটি ফেরত দেওয়া হয়। তাদের সঙ্গে কিছু সময় বসারও অনুরোধ করেন।

এর আগের দিন, অর্থাৎ বুধবার মামলাটির সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। তবে সেদিন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভীর মাধ্যমে সময়ের আবেদন করেন পরীমনি। আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল, এলার্জিজনিত অসুস্থতার কারণে তিনি উপস্থিত হতে পারছেন না। তবে বাদীপক্ষের আইনজীবী আবুল কালাম মোহাম্মদ সোহেল এই সময়ের আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করেন।

 

পড়ুন>>রেল দরপত্র জালিয়াতির তদন্ত নিয়ে গড়িমসি, জানেন না সময়সীমা জিএম

 

 

তিনি যুক্তি দেন যে, আসামি ইচ্ছাকৃতভাবে আদালতের সময় নষ্ট করছেন এবং জামিন বাতিলযোগ্য। সেই প্রেক্ষিতে আদালত সময়ের আবেদন নাকচ করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন এবং আগামী ২৩ ডিসেম্বর সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেন।

মামলাটির দীর্ঘ ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ২০২১ সালের ৬ জুলাই ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব হাসানের আদালতে বোট ক্লাবের সভাপতি নাসির উদ্দিন মাহমুদ পরীমণিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে নালিশি মামলা করেন। অপর দুই আসামি হলেন পরীমণির সহযোগী ফাতেমা তুজ জান্নাত বনি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমি। পরীমণি তার পরিচিত পুলিশ কর্মকর্তাদের দিয়ে মিথ্যা মামলা করিয়ে হয়রানির ভয় দেখান।

আরও পড়ুন>>মোংলায় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের সমঝোতা চুক্তি

মামলার অভিযোগে নাসির উদ্দিন উল্লেখ করেন, ঘটনার দিন অর্থাৎ ২০২১ সালের ৯ জুন রাত ১২টার পর আসামিরা সাভারে অবস্থিত বোট ক্লাবে প্রবেশ করেন।

সেখানে তারা ওয়াশরুম ব্যবহারের পর ক্লাবের ভেতরে অ্যালকোহল পান করেন। রাত ১টা ১৫ মিনিটে ক্লাব থেকে বের হওয়ার সময় পরীমনি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাদীকে ডাক দেন এবং অশালীন অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে তাকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেন। নাসির উদ্দিন জানান, এ সময় পরীমনি একটি দামী অ্যালকোহলের বোতল বিনা মূল্যে পার্সেল দেওয়ার দাবি তুললে তিনি তাতে আপত্তি জানান।

 

এতে পরীমনি ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং হাতের সার্ভিং গ্লাস ও মোবাইল ফোন ছুড়ে মারেন, যার আঘাতে তিনি মাথায় ও বুকে জখম হন। তারা সুযোগ বুঝে বিভিন্ন নামীদামি ক্লাবে ঢুকে অ্যালকোহল পান করেন এবং পার্সেল নিয়ে মূল্য পরিশোধ করেন না। এতে আরও বলা হয়, বাদী (নাসির উদ্দিন মাহমুদ) ও তার সহযোগী শাহ শহিদুল আলম রাত ১টা ১৫ মিনিটে যখন ক্লাব ত্যাগ করছিলেন, তখন পরীমণি উদ্দেশ্যমূলকভাবে নাসিরকে ডাক দেন।

পড়ুন>>কাতার মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তির পথে নতুন মোড়

নাসির উদ্দিনের অভিযোগ অনুযায়ী, পরীমনি ও তার সহযোগীরা তাকে মারধর ও হত্যার হুমকি দেন এবং ক্লাবের ভেতরে ভাঙচুর চালান। এই ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে পরবর্তীতে পরীমনি সাভার থানায় নাসির উদ্দিনসহ দুজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে পাল্টা মামলা করেছিলেন।

মামলাটির তদন্ত শেষে ২০২৪ সালে পিবিআই ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

প্রতিবেদনে পরীমনি ও তার ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদীর বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলেও ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ মেলেনি। আদালত সেই প্রতিবেদন গ্রহণ করে পরীমনি ও জুনায়েদ বোগদাদীকে সমন জারি করেন এবং এর আগে ২৫ জুন তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছিলেন। এছাড়া গত বছরের ২৬ জানুয়ারি আদালত এ মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার প্রক্রিয়া শুরুর আদেশ দিয়েছিলেন।

 

 

Facebook Comments Box