পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় দুশ্চিন্তায় ভূরুঙ্গামারীর আমন ধান চাষীরা : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় দুশ্চিন্তায় ভূরুঙ্গামারীর আমন ধান চাষীরা : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুড়িগ্রামে গণশুনানিতে জনতার কথা শুনছে প্রশাসন: সেবার দুয়ারে নতুন আস্থার বার্তা তিন শহরে নারীদের জন্য বাস সার্ভিসে ই-টিকিটিং সেবা দেবে সহজ ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে ফার্মেসি ও লাইফ সায়েন্সেস ক্যারিয়ার ফেয়ার অনুষ্ঠিত কাতারে গৃহহীন বিড়াল সংকট: কেনাকাটা নয়, দত্তক ও বন্ধ্যাকরণই সমাধান ইউরোপীয় জাহাজ জব্দের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে পাল্টা ব্যবস্থা নেবে রাশিয়া: পুতিন আখেরি চাহার সোম্বা: পালন ও তাৎপর্য নিয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ আজ সন্ধ্যা থেকেই বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতির আশা: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে জামায়াত-আওয়ামী লীগের অবস্থান: সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া ভারতে আত্মগোপনে জাহাঙ্গীর কবির নানক: আনন্দবাজারকে দিলেন বিশেষ সাক্ষাৎকার হালাল অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা দেখছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় দুশ্চিন্তায় ভূরুঙ্গামারীর আমন ধান চাষীরা

সৃষ্টি ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১

 

কুড়িগ্রামের  ভূরুঙ্গামারীতে অন্যান্য বছর এই সময় আমন ধান লাগানোর কাজ সম্পন্ন হয়ে যায়।কিন্তু এবছর প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম বৃষ্টি হওয়য় আমন ধান চাষের কাজ পিছিয়ে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় আমন ধান চাষীরা।উপজেলার অধিকাংশ কৃষক ধান চাষের উপর নির্ভরশীল।বর্ষায় কম খরচে ধান চাষ করে লাভের মুখ দেখে বিস্তীর্ণ এ এলাকার কৃষিজীবী মানুষজন।তাই বৃষ্টি না হওয়ায় চিন্তা বাড়ছে তাদের। শুকিয়ে যাচ্ছে জমি। শুকিয়ে যাচ্ছে লাগানো ধান গাছ।

এমনকি প্রয়োজন মতো বৃষ্টি না হওয়ায় অধিকাংশ জমিতে এখনও ধানের চারা রোপণই করতে পারেননি কৃষকেরা।অপর দিকে বীজতলার ধানে চারা লাল হয়ে আগা শুকিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে এখন একমাত্র ভরসা শ্যালো বা মিনি পাম্প কিংবা বিদ্যূৎ চালিত পাম্প।বাধ্য হয়ে পাম্পের পানিতেই লাগাতে হচ্ছে ধান।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান জানান, উপজেলায় ১৬৭০০ হেক্টর জমিতে আমন ধান রোপণের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও এখনও পর্যন্ত ৪২০০ হেক্টর জমিতে ধান রোপণ করা হয়েছে। শুধুমাত্র বৃষ্টি না হওয়ার কারণে ধান রোপণ পিছিয়ে যাচ্ছে।

 

পাইকের ছড়ার কৃষক জাহিদ জানান,এভাবেই যদি খরা চলতে থাকলে,ইরি ধানের মত করেই জতিতে সেচ দিতে হবে। তাহলে ধান চাষ করে লোকসানের মুখ দেখতে হবে।
গছিডাঙ্গার অপর এক চাষী হামিদুল জানান, তিনি ৫ বিঘা জমিতে আমন ধান চাষ করবেন কিন্তু এখন পর্যন্ত মাত্র ১ বিঘা জমিতে ধান লাগিয়েছেন কিন্তু বৃষ্টি না হওয়ায় ধানের জমি ফেটে চৌচির হয়ে গেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!