ঢাকা ০৪:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এইচএসসিতে অকৃতকার্য ৪ লাখ ২২ হাজার শিক্ষার্থীর বিশেষ পরীক্ষার সুযোগ শ্রমিকদের আন্দোলনে থাকার যৌক্তিকতা নেই: শ্রমমন্ত্রী মিরপুরের ওয়াওজা: অপটিক্যাল ইলুশন ও গেমসের নতুন ঠিকানা চট্টগ্রামে এইচএসসিতে পাসের হার ৫২.০৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৯২৯ শিক্ষার্থী ২০২৬ ব্যালন ডি’অর: মেসিকে সেরা বেছে নিলেন ব্রাজিলের সাংবাদিক বুয়েটে ৫টি পদে নিয়োগ: আবেদনের শেষ সময় ২৫ নভেম্বর ফেল করা শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেবেন শিক্ষামন্ত্রী তাহসিফের মৃত্যুরহস্য: তদন্তের শুরুতেই নৌপুলিশ ও পিবিআইয়ের সামনে একাধিক প্রশ্ন সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার অস্বাভাবিক মৃত্যুতে সঙ্গীকে নৌ পুলিশে সোপর্দ জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর দাবিতে জার্মানিতে জেন-জির বিক্ষোভ

চট্টগ্রামে এইচএসসিতে পাসের হার ৫২.০৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৯২৯ শিক্ষার্থী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৪:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বোর্ড মিলনায়তনে এই ফল ঘোষণা করেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী। এবারের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৯২৯ জন শিক্ষার্থী। গত বছর পাসের হার ছিল ৫২ দশমিক ৫৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬ হাজার ৯৭ জন পরীক্ষার্থী। অর্থাৎ গতবারের তুলনায় এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা উভয়ই কমেছে।

বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী জানিয়েছেন, ২০২০ সালে নতুন সিলেবাস ঘোষণার পর এবারই প্রথম পূর্ণ সিলেবাসে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। পরীক্ষা হয়েছে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে এবং মূল্যায়নও হয়েছে অভিন্ন পদ্ধতিতে। পরীক্ষার প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা ছিল। তিনি উল্লেখ করেন, শুরুর কয়েকটি পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ভয়ভীতি কাজ করতে পারে। এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার কারণে পরীক্ষা কিছুদিনের জন্য স্থগিত থাকায় পড়ার ধারায় ছেদ পড়ায় ফলাফলের ওপর প্রভাব পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হয়ত পড়ার টেবিলে ফিরতে একটু সময় লেগেছে।

চলতি বছর চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ৯৬ হাজার ৩৩৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে ছাত্রদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং ছাত্রীদের ৫৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এলাকাভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায়, চট্টগ্রাম নগরীতে পাসের হার ৬৬ দশমিক ২০ শতাংশ এবং জেলায় ৪৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এছাড়া পার্বত্য তিন জেলার মধ্যে রাঙামাটিতে ৩৩ দশমিক ২৪ শতাংশ, খাগড়াছড়িতে ২৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং বান্দরবানে ৪১ দশমিক ৪২ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। কক্সবাজার জেলায় পাসের হার ৪৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

বিভাগভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায়, বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার সবচেয়ে বেশি ৭৪ দশমিক ৪২ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৫৪ দশমিক ১৪ শতাংশ এবং মানবিক বিভাগে পাসের হার ৩৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলার ২৮৩টি কলেজের শিক্ষার্থীরা এই বোর্ড থেকে পরীক্ষায় অংশ নেয়। গত ২ জুলাই শুরু হওয়া এই পরীক্ষা বৈরী আবহাওয়া ও বন্যার কারণে মাঝপথে স্থগিত হয়ে যায়। পরে সেই পরীক্ষা ২০ আগস্ট পুনরায় শুরু হয়। বৈরী আবহাওয়া ও বন্যার কারণে ৮ জুলাই চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত হয়ে যায়।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চট্টগ্রামে এইচএসসিতে পাসের হার ৫২.০৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৯২৯ শিক্ষার্থী

আপডেট সময় : ০২:২৪:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বোর্ড মিলনায়তনে এই ফল ঘোষণা করেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী। এবারের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৯২৯ জন শিক্ষার্থী। গত বছর পাসের হার ছিল ৫২ দশমিক ৫৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬ হাজার ৯৭ জন পরীক্ষার্থী। অর্থাৎ গতবারের তুলনায় এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা উভয়ই কমেছে।

বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী জানিয়েছেন, ২০২০ সালে নতুন সিলেবাস ঘোষণার পর এবারই প্রথম পূর্ণ সিলেবাসে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। পরীক্ষা হয়েছে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে এবং মূল্যায়নও হয়েছে অভিন্ন পদ্ধতিতে। পরীক্ষার প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা ছিল। তিনি উল্লেখ করেন, শুরুর কয়েকটি পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ভয়ভীতি কাজ করতে পারে। এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার কারণে পরীক্ষা কিছুদিনের জন্য স্থগিত থাকায় পড়ার ধারায় ছেদ পড়ায় ফলাফলের ওপর প্রভাব পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হয়ত পড়ার টেবিলে ফিরতে একটু সময় লেগেছে।

চলতি বছর চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ৯৬ হাজার ৩৩৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে ছাত্রদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং ছাত্রীদের ৫৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এলাকাভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায়, চট্টগ্রাম নগরীতে পাসের হার ৬৬ দশমিক ২০ শতাংশ এবং জেলায় ৪৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এছাড়া পার্বত্য তিন জেলার মধ্যে রাঙামাটিতে ৩৩ দশমিক ২৪ শতাংশ, খাগড়াছড়িতে ২৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং বান্দরবানে ৪১ দশমিক ৪২ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। কক্সবাজার জেলায় পাসের হার ৪৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

বিভাগভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায়, বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার সবচেয়ে বেশি ৭৪ দশমিক ৪২ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৫৪ দশমিক ১৪ শতাংশ এবং মানবিক বিভাগে পাসের হার ৩৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলার ২৮৩টি কলেজের শিক্ষার্থীরা এই বোর্ড থেকে পরীক্ষায় অংশ নেয়। গত ২ জুলাই শুরু হওয়া এই পরীক্ষা বৈরী আবহাওয়া ও বন্যার কারণে মাঝপথে স্থগিত হয়ে যায়। পরে সেই পরীক্ষা ২০ আগস্ট পুনরায় শুরু হয়। বৈরী আবহাওয়া ও বন্যার কারণে ৮ জুলাই চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত হয়ে যায়।

Facebook Comments Box