ঢাকা ০৮:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দলের সকল কমিটিতে শূন্য পদ পূরণের সিদ্ধান্ত বিএনপির বাংলাদেশ রেলওয়েতে ২২ জন প্যানেল আইনজীবী নিয়োগ: আবেদনের শেষ সময় ৪ অক্টোবর পরিবেশ সচেতন আগামী প্রজন্ম গড়ার অঙ্গীকারে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে শেষ হলো গ্রিন জেনেসিস ২০২৬ গ্যাস সরবরাহ সংকট: যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি আমদানির পথে কাতার দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ঘর ছাড়ছে দৌলতপুরের বানভাসি মানুষ সুন্দরগঞ্জে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তশিলদারের অনিয়মের বিরুদ্ধে ইউএনও ও জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দেশে ইলিশের ঘাটতি: প্রথমবারের মতো ভারত থেকে আমদানি রাণীশংকৈলে এসিল্যান্ডের বদলি ঠেকাতে রাজপথে জনতা মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা: সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান ব্রিকস নেতাদের

এইচ এসসি চলবিদ্যুৎ ক প্রশ্ন ও উত্তর

সৃষ্টি শিক্ষা ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৩২:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫ ১৬০ বার পড়া হয়েছে

এইচ এসসি চলবিদ্যুৎ ক প্রশ্ন ও উত্তর

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

এইচ এসসি চলবিদ্যুৎ ক প্রশ্ন ও উত্তর

 

 

১. তড়িৎ প্রবাহ (Current) কাকে বলে?
উত্তর: তড়িৎ প্রবাহ হলো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে একক সময়ে প্রবাহিত চার্জের পরিমাণ। I = q/t

২. ১ অ্যাম্পিয়ার (A) তড়িৎ প্রবাহ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: যখন কোনো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে ১ কুলম্ব চার্জ প্রবাহিত হলে তাকে ১ অ্যাম্পিয়ার তড়িৎ প্রবাহ বলা হয়।

৩. ইলেকট্রন প্রবাহ ও তড়িৎ প্রবাহের দিক এক নয় কেন?
উত্তর: ইলেকট্রনের প্রকৃত প্রবাহ হয় ঋণাত্মক থেকে ধনাত্মক দিকে, কিন্তু তড়িৎ প্রবাহের প্রচলিত ধারা ধনাত্মক থেকে ঋণাত্মক দিকে। তাই এদের দিক ভিন্ন।

৪. ওহমের সূত্র লেখো।
উত্তর: ওহমের সূত্র: V = IR
V= বিভব পার্থক্য,
I= তড়িৎ প্রবাহ,
R= প্রতিরোধ

৫. ওহমিক এবং নন-ওহমিক পরিবাহীর মধ্যে পার্থক্য লেখো।
উত্তর: ওহমিক: ওহমের সূত্র মানে তাকে ওহমিক বলে। যেমন: ধাতু।
নন-ওহমিক: ওহমের সূত্র মানে না। যেমন: ডায়োড।

৬. পরিবাহীর প্রতিরোধ কিসের ওপর নির্ভর করে?
উত্তর: পরিবাহীর প্রতিরোধ নির্ভর করে:
দৈর্ঘ্য (l), ক্ষেত্রফল (A), পদার্থের প্রকৃতি ও
তাপমাত্রা

৭. রোধের একক কী?
উত্তর: রোধের এসআই একক: ওহম (Ω)

৮. ১ ওহম রোধ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: যদি ১ ভোল্ট বিভব পার্থকে পরিবাহীর মধ্য দিয়ে ১ অ্যাম্পিয়ার তড়িৎ প্রবাহ প্রবাহিত হয়, তবে প্রতিরোধ ১ ওহম।

৯. ভোল্টেজ কাকে বলে?
উত্তর: চার্জকে একবিন্দু থেকে আরেকবিন্দুতে সরাতে যে কাজ করা হয়, তাকে ভোল্টেজ বা বিভব পার্থক্য বলে।

১০. তড়িৎ শক্তি ও তাপ শক্তির সম্পর্ক লেখো।
উত্তর: তড়িৎ প্রবাহ থেকে উৎপন্ন তাপ শক্তি:
H = I²Rt

১১. বৈদ্যুতিক শক্তি ও ক্ষমতার সম্পর্ক লেখো।
উত্তর: P = VI
P= ক্ষমতা,
V= ভোল্টেজ,
I= প্রবাহ

১২. কার্যকর বিভব পার্থক্য কাকে বলে?
উত্তর: পর্যবেক্ষণযোগ্য তাপ শক্তির সমান পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করে যে পরিবর্তনশীল বিভব, তাকে কার্যকর বিভব বলে।

১৩. অভ্যন্তরীণ রোধ কাকে বলে?
উত্তর: কোনো উৎসের ভিতরের প্রতিরোধকে অভ্যন্তরীণ রোধ বলে।

১৪. কুলম্ব কী?
উত্তর: যখন ১ অ্যাম্পিয়ার প্রবাহ ১ সেকেন্ডে প্রবাহিত হয়, তখন পরিবাহীর মধ্য দিয়ে যে পরিমান চার্জ প্রবাহিত হয়। তাকে ১ কুলম্ব চার্জ বলে। 1C = 1A/1s

১৫. কন্ডাকট্যান্স বা পরিবাহিতা কাকে বলে?
উত্তর: রোধকতার বিপরীত মানকে কন্ডাকট্যান্স বলে। অথ‍্র্যাৎ যে ধর্মের দরুন পরিবাহীর মধ‍্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয়। তাকে পরিবাহিতা বলে। G = 1/R

১৬. অ্যাম্পিয়ার (Ampere) কাকে বলে?
উত্তর:
যখন পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে ১ কুলম্ব চার্জ প্রবাহিত হয়, তখন সেই প্রবাহকে ১ অ্যাম্পিয়ার বলে।

১৭. তড়িৎ ঘনত্ব কাকে বলে?
উত্তর: পরিবাহীর একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহকে তড়িৎ ঘনত্ব বলে। J=1/IA

১৮. রেজিস্টরের রঙের কোড কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: রেজিস্টরের মান ও সহনশীলতা নির্ণয়ে রঙের কোড ব্যবহার করা হয়।

১৯. সুপরিবাহী কাকে বলে?
উত্তর: যেসব পদার্থ অতি নিম্ন তাপমাত্রায় প্রতিরোধহীন হয়ে পড়ে, তাদের সুপরিবাহী বলে।

 

২০. ওহমের সূত্রের প্রয়োগযোগ্যতা কোথায়?
উত্তর: ওহমের সূত্র শুধুমাত্র ওহমিক পরিবাহীতে এবং একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় প্রযোজ্য।

২১. ১ ভোল্ট বিভব পার্থক্য বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: যখন ১ কুলম্ব চার্জ সরাতে ১ জুল কাজ করা হয়, তখন বিভব পার্থক্য ১ ভোল্ট হয়।

1V = 1/1J.1C

২২. ব্যাটারির EMF কাকে বলে?
উত্তর: ব্যাটারি বা উৎস থেকে একক চার্জ পরিবাহীর মধ্যে পাঠাতে যে সর্বোচ্চ কাজ করা হয়, তাকে EMF বলে।

২৩. কন্ডাকটিভিটি (σ) কাকে বলে?
উত্তর: পরিবাহিতার পরিমাণকে কন্ডাকটিভিটি বলে।

২৪. রেজিস্টিভিটি (ρ) কাকে বলে?
উত্তর: একক দৈর্ঘ্য ও একক ক্ষেত্রফলের একটি পদার্থের রোধকে রেজিস্টিভিটি বলে। R = rho/lA

২৫. তড়িৎ শক্তির এসআই একক কী?
উত্তর: তড়িৎ শক্তির এসআই একক হলো জুল (J)।

২৬. ওয়াট (Watt) কাকে বলে?
উত্তর: যখন ১ সেকেন্ডে ১ জুল কাজ সম্পন্ন হয়, তখন ক্ষমতা ১ ওয়াট হয়। 1W = 1J/s

২৭. পাওয়ার ফ্যাক্টর কী?
উত্তর: AC বর্তনীতে বাস্তব ও জটিল শক্তির অনুপাতকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।

২৮. রোধের তাপ নির্ভরতা কীভাবে ব্যাখ্যা করা যায়?
উত্তর: তাপমাত্রা বাড়লে ধাতব পরিবাহীর রোধ সাধারণত বৃদ্ধি পায়।

২৯. গ্যালভানোমিটার কিসে পরিণত হলে অ্যামিটার পাওয়া যায়?
উত্তর: গ্যালভানোমিটারের সাথে একটি ছোট শান্ট রোধ (low resistance) সিরিজে সংযোগ করলে অ্যামিটার হয়।

৩০. চলবিদ্যুৎ অধ্যায়ে Kirchhoff-এর কয়টি সূত্র আছে?
উত্তর: ২টি: ১) বর্তনী সংযোগ বিন্দু সূত্র (Junction Ru) ২) লুপ সূত্র (Loop Rule)

☆ব্যাটারি বা উৎস থেকে একক চার্জ পরিবাহীর মধ্যে পাঠাতে যে সর্বোচ্চ কাজ করা হয়, তাকে EMF বলে।
☆ব্যাটারি বা উৎস থেকে একক চার্জ পরিবাহীর মধ্যে পাঠাতে যে সর্বোচ্চ কাজ করা হয়, তাকে EMF বলে।

৩১. তড়িৎ প্রবাহে ‘ধনাত্মক দিক’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: প্রচলিত ধারায় ধরা হয়, তড়িৎ প্রবাহ ধনাত্মক চার্জের প্রবাহ; এটি উচ্চ বিভব থেকে নিম্ন বিভব দিকে প্রবাহিত হয়। এটিই ধনাত্মক দিক।

৩২. বিদ্যুৎ প্রবাহের উৎস কীভাবে বিভব পার্থক্য সৃষ্টি করে?
উত্তর: বিদ্যুৎ উৎস রাসায়নিক বা অন্য প্রক্রিয়ায় এক প্রান্তে ধনাত্মক ও অপর প্রান্তে ঋণাত্মক চার্জ সঞ্চয় করে বিভব পার্থক্য সৃষ্টি করে।

 

৩৩. বিদ্যুৎ কত প্রকার ও তাদের পাথ‍র্ক‍্য কি?
উত্তর: বিদ‍্যুৎ দুই প্রকার। ১. চলবিদ্যুৎ, ২. স্থিতি বিদ্যুৎ। পার্থক্য – চলবিদ্যুৎ: চলমান চার্জ দ্বারা উৎপন্ন। স্থিতি বিদ্যুৎ: স্থির চার্জ দ্বারা সৃষ্ট।

৩৪. অভ্যন্তরীণ প্রতিরোধের প্রভাব কী?
উত্তর: উৎসের অভ্যন্তরীণ প্রতিরোধের কারণে উৎসের বিভব আংশিক ক্ষয় হয় এবং বহিঃ বর্তনীতে কার্যকর বিভব কমে যায়।

৩৫. তড়িৎ প্রবাহ পরিবাহীর তাপমাত্রা বাড়ায় কেন?
উত্তর: তড়িৎ প্রবাহের সময় ইলেকট্রন ও আয়নদের সংঘর্ষে তড়িৎ শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়, ফলে তাপমাত্রা বাড়ে।

৩৬. ইলেকট্রনের একক চার্জ কত?
উত্তর: একটি ইলেকট্রনের চার্জ = কুলম্ব (ঋণাত্মক)

৩৭. চলবিদ্যুৎ  ‘সিরিজ সংযোগে’ বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: প্রবাহ সমান থাকে।  বিভব বিভাজিত হয়।

৩৮. চলবিদ্যুৎ  ‘সামান্তরাল সংযোগে’ বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: বিভব সমান থাকে।  প্রবাহ বিভাজিত হয়

৩৯. শান্ট রোধ (shunt resistance) কী?
উত্তর: কম মানের একটি রোধ, যা গ্যালভানোমিটারের সাথে সমান্তরালে সংযুক্ত হয়ে একে অ্যামিটার রূপ দেয়।

৪০. চালক ও নিরোধকের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর: চালক: তড়িৎ প্রবাহ প্রবাহিত করতে পারে (যেমন: তামা)।নিরোধক: তড়িৎ প্রবাহ প্রবাহিত করতে পারে না (যেমন: কাঠ)।

৪১. তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করার যন্ত্রের নাম কী?
উত্তর: মোটর (Motor)

৪২. ওহমের সূত্র ভঙ্গ হলে কোন কোন পরিস্থিতি হতে পারে?
উত্তর: উচ্চ তাপমাত্রা, নন-ওহমিক উপাদান (যেমন: ডায়োড, ট্রানজিস্টর)।এই দুই পরিস্থিতে ওহমের সুত্র ভঙ্গ হয়।

৪৩. I–V গ্রাফ থেকে কিভাবে প্রতিরোধ নির্ণয় করা যায়?
উত্তর: গ্রাফের ঢাল (slope) =

৪৪. বৈদ্যুতিক সার্কিটে ফিউজ তারের কাজ কী?
উত্তর: প্রবাহ বেশি হলে গলে সার্কিট বন্ধ করে দেয়, ফলে যন্ত্র রক্ষা পায়।

৪৫. চলবিদ্যুৎ অধ্যায়ে ব্যবহৃত প্রধান সূত্র তিনটি লেখো।
উত্তর: ১.ওহমের সূত্র।,২. শক্তি সূত্র। ৩. জুলের সূত্র।

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

এইচ এসসি চলবিদ্যুৎ ক প্রশ্ন ও উত্তর

আপডেট সময় : ০৭:৩২:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫

 

এইচ এসসি চলবিদ্যুৎ ক প্রশ্ন ও উত্তর

 

 

১. তড়িৎ প্রবাহ (Current) কাকে বলে?
উত্তর: তড়িৎ প্রবাহ হলো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে একক সময়ে প্রবাহিত চার্জের পরিমাণ। I = q/t

২. ১ অ্যাম্পিয়ার (A) তড়িৎ প্রবাহ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: যখন কোনো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে ১ কুলম্ব চার্জ প্রবাহিত হলে তাকে ১ অ্যাম্পিয়ার তড়িৎ প্রবাহ বলা হয়।

৩. ইলেকট্রন প্রবাহ ও তড়িৎ প্রবাহের দিক এক নয় কেন?
উত্তর: ইলেকট্রনের প্রকৃত প্রবাহ হয় ঋণাত্মক থেকে ধনাত্মক দিকে, কিন্তু তড়িৎ প্রবাহের প্রচলিত ধারা ধনাত্মক থেকে ঋণাত্মক দিকে। তাই এদের দিক ভিন্ন।

৪. ওহমের সূত্র লেখো।
উত্তর: ওহমের সূত্র: V = IR
V= বিভব পার্থক্য,
I= তড়িৎ প্রবাহ,
R= প্রতিরোধ

৫. ওহমিক এবং নন-ওহমিক পরিবাহীর মধ্যে পার্থক্য লেখো।
উত্তর: ওহমিক: ওহমের সূত্র মানে তাকে ওহমিক বলে। যেমন: ধাতু।
নন-ওহমিক: ওহমের সূত্র মানে না। যেমন: ডায়োড।

৬. পরিবাহীর প্রতিরোধ কিসের ওপর নির্ভর করে?
উত্তর: পরিবাহীর প্রতিরোধ নির্ভর করে:
দৈর্ঘ্য (l), ক্ষেত্রফল (A), পদার্থের প্রকৃতি ও
তাপমাত্রা

৭. রোধের একক কী?
উত্তর: রোধের এসআই একক: ওহম (Ω)

৮. ১ ওহম রোধ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: যদি ১ ভোল্ট বিভব পার্থকে পরিবাহীর মধ্য দিয়ে ১ অ্যাম্পিয়ার তড়িৎ প্রবাহ প্রবাহিত হয়, তবে প্রতিরোধ ১ ওহম।

৯. ভোল্টেজ কাকে বলে?
উত্তর: চার্জকে একবিন্দু থেকে আরেকবিন্দুতে সরাতে যে কাজ করা হয়, তাকে ভোল্টেজ বা বিভব পার্থক্য বলে।

১০. তড়িৎ শক্তি ও তাপ শক্তির সম্পর্ক লেখো।
উত্তর: তড়িৎ প্রবাহ থেকে উৎপন্ন তাপ শক্তি:
H = I²Rt

১১. বৈদ্যুতিক শক্তি ও ক্ষমতার সম্পর্ক লেখো।
উত্তর: P = VI
P= ক্ষমতা,
V= ভোল্টেজ,
I= প্রবাহ

১২. কার্যকর বিভব পার্থক্য কাকে বলে?
উত্তর: পর্যবেক্ষণযোগ্য তাপ শক্তির সমান পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করে যে পরিবর্তনশীল বিভব, তাকে কার্যকর বিভব বলে।

১৩. অভ্যন্তরীণ রোধ কাকে বলে?
উত্তর: কোনো উৎসের ভিতরের প্রতিরোধকে অভ্যন্তরীণ রোধ বলে।

১৪. কুলম্ব কী?
উত্তর: যখন ১ অ্যাম্পিয়ার প্রবাহ ১ সেকেন্ডে প্রবাহিত হয়, তখন পরিবাহীর মধ্য দিয়ে যে পরিমান চার্জ প্রবাহিত হয়। তাকে ১ কুলম্ব চার্জ বলে। 1C = 1A/1s

১৫. কন্ডাকট্যান্স বা পরিবাহিতা কাকে বলে?
উত্তর: রোধকতার বিপরীত মানকে কন্ডাকট্যান্স বলে। অথ‍্র্যাৎ যে ধর্মের দরুন পরিবাহীর মধ‍্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয়। তাকে পরিবাহিতা বলে। G = 1/R

১৬. অ্যাম্পিয়ার (Ampere) কাকে বলে?
উত্তর:
যখন পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে ১ কুলম্ব চার্জ প্রবাহিত হয়, তখন সেই প্রবাহকে ১ অ্যাম্পিয়ার বলে।

১৭. তড়িৎ ঘনত্ব কাকে বলে?
উত্তর: পরিবাহীর একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহকে তড়িৎ ঘনত্ব বলে। J=1/IA

১৮. রেজিস্টরের রঙের কোড কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: রেজিস্টরের মান ও সহনশীলতা নির্ণয়ে রঙের কোড ব্যবহার করা হয়।

১৯. সুপরিবাহী কাকে বলে?
উত্তর: যেসব পদার্থ অতি নিম্ন তাপমাত্রায় প্রতিরোধহীন হয়ে পড়ে, তাদের সুপরিবাহী বলে।

 

২০. ওহমের সূত্রের প্রয়োগযোগ্যতা কোথায়?
উত্তর: ওহমের সূত্র শুধুমাত্র ওহমিক পরিবাহীতে এবং একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় প্রযোজ্য।

২১. ১ ভোল্ট বিভব পার্থক্য বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: যখন ১ কুলম্ব চার্জ সরাতে ১ জুল কাজ করা হয়, তখন বিভব পার্থক্য ১ ভোল্ট হয়।

1V = 1/1J.1C

২২. ব্যাটারির EMF কাকে বলে?
উত্তর: ব্যাটারি বা উৎস থেকে একক চার্জ পরিবাহীর মধ্যে পাঠাতে যে সর্বোচ্চ কাজ করা হয়, তাকে EMF বলে।

২৩. কন্ডাকটিভিটি (σ) কাকে বলে?
উত্তর: পরিবাহিতার পরিমাণকে কন্ডাকটিভিটি বলে।

২৪. রেজিস্টিভিটি (ρ) কাকে বলে?
উত্তর: একক দৈর্ঘ্য ও একক ক্ষেত্রফলের একটি পদার্থের রোধকে রেজিস্টিভিটি বলে। R = rho/lA

২৫. তড়িৎ শক্তির এসআই একক কী?
উত্তর: তড়িৎ শক্তির এসআই একক হলো জুল (J)।

২৬. ওয়াট (Watt) কাকে বলে?
উত্তর: যখন ১ সেকেন্ডে ১ জুল কাজ সম্পন্ন হয়, তখন ক্ষমতা ১ ওয়াট হয়। 1W = 1J/s

২৭. পাওয়ার ফ্যাক্টর কী?
উত্তর: AC বর্তনীতে বাস্তব ও জটিল শক্তির অনুপাতকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।

২৮. রোধের তাপ নির্ভরতা কীভাবে ব্যাখ্যা করা যায়?
উত্তর: তাপমাত্রা বাড়লে ধাতব পরিবাহীর রোধ সাধারণত বৃদ্ধি পায়।

২৯. গ্যালভানোমিটার কিসে পরিণত হলে অ্যামিটার পাওয়া যায়?
উত্তর: গ্যালভানোমিটারের সাথে একটি ছোট শান্ট রোধ (low resistance) সিরিজে সংযোগ করলে অ্যামিটার হয়।

৩০. চলবিদ্যুৎ অধ্যায়ে Kirchhoff-এর কয়টি সূত্র আছে?
উত্তর: ২টি: ১) বর্তনী সংযোগ বিন্দু সূত্র (Junction Ru) ২) লুপ সূত্র (Loop Rule)

☆ব্যাটারি বা উৎস থেকে একক চার্জ পরিবাহীর মধ্যে পাঠাতে যে সর্বোচ্চ কাজ করা হয়, তাকে EMF বলে।
☆ব্যাটারি বা উৎস থেকে একক চার্জ পরিবাহীর মধ্যে পাঠাতে যে সর্বোচ্চ কাজ করা হয়, তাকে EMF বলে।

৩১. তড়িৎ প্রবাহে ‘ধনাত্মক দিক’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: প্রচলিত ধারায় ধরা হয়, তড়িৎ প্রবাহ ধনাত্মক চার্জের প্রবাহ; এটি উচ্চ বিভব থেকে নিম্ন বিভব দিকে প্রবাহিত হয়। এটিই ধনাত্মক দিক।

৩২. বিদ্যুৎ প্রবাহের উৎস কীভাবে বিভব পার্থক্য সৃষ্টি করে?
উত্তর: বিদ্যুৎ উৎস রাসায়নিক বা অন্য প্রক্রিয়ায় এক প্রান্তে ধনাত্মক ও অপর প্রান্তে ঋণাত্মক চার্জ সঞ্চয় করে বিভব পার্থক্য সৃষ্টি করে।

 

৩৩. বিদ্যুৎ কত প্রকার ও তাদের পাথ‍র্ক‍্য কি?
উত্তর: বিদ‍্যুৎ দুই প্রকার। ১. চলবিদ্যুৎ, ২. স্থিতি বিদ্যুৎ। পার্থক্য – চলবিদ্যুৎ: চলমান চার্জ দ্বারা উৎপন্ন। স্থিতি বিদ্যুৎ: স্থির চার্জ দ্বারা সৃষ্ট।

৩৪. অভ্যন্তরীণ প্রতিরোধের প্রভাব কী?
উত্তর: উৎসের অভ্যন্তরীণ প্রতিরোধের কারণে উৎসের বিভব আংশিক ক্ষয় হয় এবং বহিঃ বর্তনীতে কার্যকর বিভব কমে যায়।

৩৫. তড়িৎ প্রবাহ পরিবাহীর তাপমাত্রা বাড়ায় কেন?
উত্তর: তড়িৎ প্রবাহের সময় ইলেকট্রন ও আয়নদের সংঘর্ষে তড়িৎ শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়, ফলে তাপমাত্রা বাড়ে।

৩৬. ইলেকট্রনের একক চার্জ কত?
উত্তর: একটি ইলেকট্রনের চার্জ = কুলম্ব (ঋণাত্মক)

৩৭. চলবিদ্যুৎ  ‘সিরিজ সংযোগে’ বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: প্রবাহ সমান থাকে।  বিভব বিভাজিত হয়।

৩৮. চলবিদ্যুৎ  ‘সামান্তরাল সংযোগে’ বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: বিভব সমান থাকে।  প্রবাহ বিভাজিত হয়

৩৯. শান্ট রোধ (shunt resistance) কী?
উত্তর: কম মানের একটি রোধ, যা গ্যালভানোমিটারের সাথে সমান্তরালে সংযুক্ত হয়ে একে অ্যামিটার রূপ দেয়।

৪০. চালক ও নিরোধকের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর: চালক: তড়িৎ প্রবাহ প্রবাহিত করতে পারে (যেমন: তামা)।নিরোধক: তড়িৎ প্রবাহ প্রবাহিত করতে পারে না (যেমন: কাঠ)।

৪১. তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করার যন্ত্রের নাম কী?
উত্তর: মোটর (Motor)

৪২. ওহমের সূত্র ভঙ্গ হলে কোন কোন পরিস্থিতি হতে পারে?
উত্তর: উচ্চ তাপমাত্রা, নন-ওহমিক উপাদান (যেমন: ডায়োড, ট্রানজিস্টর)।এই দুই পরিস্থিতে ওহমের সুত্র ভঙ্গ হয়।

৪৩. I–V গ্রাফ থেকে কিভাবে প্রতিরোধ নির্ণয় করা যায়?
উত্তর: গ্রাফের ঢাল (slope) =

৪৪. বৈদ্যুতিক সার্কিটে ফিউজ তারের কাজ কী?
উত্তর: প্রবাহ বেশি হলে গলে সার্কিট বন্ধ করে দেয়, ফলে যন্ত্র রক্ষা পায়।

৪৫. চলবিদ্যুৎ অধ্যায়ে ব্যবহৃত প্রধান সূত্র তিনটি লেখো।
উত্তর: ১.ওহমের সূত্র।,২. শক্তি সূত্র। ৩. জুলের সূত্র।

 

 

Facebook Comments Box