গর্ভকালীন নিরাপদ প্রসবের গুরুত্ব নিয়ে ভূরুঙ্গামারীতে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
- আপডেট সময় : ০৬:০১:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫ ১২৫ বার পড়া হয়েছে
গর্ভকালীন নিরাপদ প্রসবের গুরুত্ব নিয়ে ভূরুঙ্গামারীতে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ‘ইজি ডেলিভারি সেবা’ প্রতিবাদ্যকে সামনে রেখে পাইকেরছড়া মডেল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে এক সচেতনতা মূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ।
পাইকেরছড়া মডেল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের উদ্যোগে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের সহযোগিতায় ল্যাম্ব এর বাস্তবায়নে সচেতনতামূলক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, ইজি ডেলিভারি বর্তমান সময়ে একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও সময়োপযোগী স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা। এটি প্রসূতি মায়েদের জন্য নিরাপদ, সহজলভ্য ও ঝুঁকিমুক্ত প্রসব সেবা প্রদান করে থাকে। মাতৃ ও নবজাতকের জীবন রক্ষায় এই সেবার গুরুত্ব অপরিসীম।
তারা জানান, পাইকেরছড়া মডেল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে এখন নিয়মিতভাবে দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে নিরাপদ প্রসব সেবা প্রদান করা হচ্ছে। এতে করে বাড়ি থেকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রসবের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং গর্ভকালীন জটিলতা কমে আসছে।
আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষক ও সমাজকর্মীরা বলেন, এ ধরনের স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে জনগণের মধ্যে এখনো পুরোপুরি সচেতনতা গড়ে ওঠেনি। তাই এর ব্যাপক প্রচার প্রয়োজন। তাঁরা বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে পরিবার ও সমাজে এই বার্তা পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার করেন।
পড়ুন>>সড়ক দূর্ঘটনায় কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের একই পরিবারের ৫ জনসহ নিহত ৮
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা পরিবার পরিকল্পনা ফেসিলিটেটর আসাদুজ্জামান সরকার বলেন, “সকল স্তরের মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা গড়ে তুলতে এ ধরনের সভা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইজি ডেলিভারি সেবা সম্পর্কে সবাইকে জানতে হবে, বুঝতে হবে এবং অন্যদের জানাতে হবে।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী (ইউএনএফপিএ–ল্যাম্ব) সহ উপস্থিত ছিলেন উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার তৌহিদুর রহমান, এবং ফার্মাসিস্ট আব্দুল্লাহ আল বাকী, পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা লায়লা ইয়াসমিন, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক আব্দুল হক মন্ডল।
এছাড়াও উক্ত অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকবৃন্দ, বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষক, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ধর্মীয় নেতা, নারী প্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তি সহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিগণ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

























