১৪ নভেম্বর দেশের প্রথম হানাদার মুক্ত এলাকা ভ‍ূরুঙ্গামারী  : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
১৪ নভেম্বর দেশের প্রথম হানাদার মুক্ত এলাকা ভ‍ূরুঙ্গামারী  : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁওয়ে ইয়াবা ও মাদক বিক্রির ১০ লাখ টাকা উদ্ধার, বিএনপি নেতাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার নিউ জার্সির স্কুলে শিক্ষিকার অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি: ১২ বছরের কারাদণ্ড ঘোষণা মেঘনা পেট্রোলিয়ামে ১৫ পদে নিয়োগ: আবেদন শুরু ১ সেপ্টেম্বর কাতারের আল খোরে মরিয়ম বিনতে মোহাম্মদের স্মরণে চালু হলো ফ্রি কোরআন হিফজ কেন্দ্র ঈশ্বরদীতে রহস্যজনক মৃত্যু: হাসপাতালে নেওয়ার পথে প্রাণ হারালেন তরুণ ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে দেখতে গেলেন রাষ্ট্রপতি নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে সম্পদবিবরণী প্রকাশের শর্ত জুড়ে দেওয়ার আহ্বান টিআইবির তারেক রহমানের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতের আশা প্রকাশ করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে মার্কিন হামলায় শিশুসহ নিহত ও আহত বহু, পাল্টা জবাব দিল তেহরান নতুন পে-স্কেল ঘোষণা: সরকারি চাকরিজীবীদের স্বস্তি, অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা

১৪ নভেম্বর দেশের প্রথম হানাদার মুক্ত এলাকা ভ‍ূরুঙ্গামারী 

সৃষ্টি ডেস্ক
  • প্রকাশিত : রবিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২২
১৪ নভেম্বর দেশের প্রথম হানাদার মুক্ত এলাকা ভ‍ূরুঙ্গামারী 

সোমবার, ১৪ নভেম্বর। ১৯৭১ সালের এই দিনে দেশের কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলা পাকহানাদার মুক্ত হয়।এটিই বাংলাদেশের প্রথম স্বাধীন  এলাকা।

দেশের প্রথম হানাদার মুক্ত উপজেলা ভূরুঙ্গামারী ।  মুক্তিযোদ্ধারা বিজয়ী বেশে বাংলাদেশের প্রথম স্বাধীন ভূখণ্ড ভূরুঙ্গামারীতে সিও অফিসের সামনে (বর্তমান উপজেলা পরিষদ) চলে আসে এবং বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত পতাকা উত্তোলন করে।
তথ্যমতে, ৬নং সেক্টর কমান্ডার এম কে বাশার, মিত্রবাহিনীর অধিনায়ক ব্রিগেডিয়ার জোসিসহ উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে সাহেবগঞ্জ সাব সেক্টরে সমবেত হন এবং ভূরুঙ্গামারী আক্রমণের পরিকল্পনা করেন।
এসময় ভারতীয় ষষ্ঠ মাউন্টেন ডিভিশনের একটি ব্রিগেড এবং বিএসএফের কয়েকটি কোম্পানী ও মুক্তিযোদ্ধারা সামরিক সজ্জায় সজ্জিত হয়ে ভূরুঙ্গামারীর দক্ষিণ দিক খোলা রেখে পূর্ব, পশ্চিম ও উত্তর দিক থেকে পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণের সিন্ধান্ত নেয়। পরিকল্পনা মোতাবেক ১৩ নভেম্বর রাতে মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতীয় বাহিনীর  যৌথ নেতৃত্বে পাকবাহিনীর ওপর প্রবল আক্রমন শুরু হয়। অবশ্য এর একদিন আগে থেকেই মিত্রবাহিনী কামান ও মর্টারের গোলা নিক্ষেপসহ মিত্রবাহিনী বিমান হামলা শুরু করেছিলো। ১৩ নভেম্বর সারারাত যুদ্ধ শেষে মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্র বাহিনীর প্রবল আক্রমণে টিকতে না পেরে পাকহানাদার বাহিনী পিছু হঠে এবং নাগেশ্বরী উপজেলা রায়গঞ্জ নদীর তীরে আশ্রয় নেয়।
পাকবাহিনী পিছু হটলে ঐদিন ভোরে মুক্তি বাহিনীরা জয় বাংলা শ্লোগান দিয়ে সিও অফিসের সামনে (বর্তমান উপজেলা পরিষদ) চলে আসে এবং বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত পতাকা উত্তোলন করে। সেখান থেকে আটক করা হয় ৩০/৪০ জন পাক সেনা। এবং একটি কক্ষ থেকে ১৬ জন বীরাঙ্গনাকে উদ্ধার করা হয়। এদের মধ্যে ৫/৬ জন বীরাঙ্গনা গর্ভবতী ছিলেন।
প্রতিবছর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, ভূরুঙ্গামারী প্রেসক্লাব সহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন দিবসটি পালন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসুচি পালন করে থাকে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!