হাসনাবাদ আদর্শ জনতা বিদ্যা বিতান উচ্চ বিদ্যালয়ে জ্যেষ্ঠতা অমান্য করে ফ্যাসিস্ট নিয়োগের প্রতিবাদে মানববন্ধন
- আপডেট সময় : ০৪:৪২:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৫ ১৪১ বার পড়া হয়েছে
হাসনাবাদ আদর্শ জনতা বিদ্যা বিতান উচ্চ বিদ্যালয়ে জ্যেষ্ঠতা অমান্য করে ফ্যাসিস্ট নিয়োগের প্রতিবাদে মানববন্ধন
হাসনাবাদ আদর্শ জনতা বিদ্যা বিতান উচ্চ বিদ্যালয়ে জ্যেষ্ঠতা অমান্য করে ফ্যাসিস্ট নিয়োগের প্রতিবাদে মানববন্ধন
হাসনাবাদ আদর্শ জনতা বিদ্যা বিতান উচ্চ বিদ্যালয়ে জ্যেষ্ঠতা অমান্য করে ফ্যাসিস্ট নিয়োগের প্রতিবাদে মানববন্ধন
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী আদর্শ জনতা বিদ্যা বিতান উচ্চ বিদ্যালয়ে জ্যেষ্ঠতা লংঘন করে আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্ট প্রধান শিক্ষকের চক্রান্তে আওয়ামী দোসর হাসনাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এক নম্বর সদস্য সহকারী শিক্ষক উমানন্দ রায় কে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে স্থানীয় ছাত্র জনতা ও অভিভাবক।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায় গত ২১ এপ্রিল বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম খন্দকার আন্ধারিঝার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি অবসরে যায়। পরে জাহাঙ্গীর আলম খন্দকার নবগঠিত কমিটির সভাপতি শামিনা খাতুন শিউলি মিলে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে রাতের আঁধারে ফ্যাসিস্টের দোসর উমানন্দ রায়কে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় ছাত্র অভিভাবক ও সচেতন মহল প্রতিবাদ গড়ে তোলে। এর ফলে গত ২২এপ্রিল বিদ্যালয় বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। অবরুদ্ধ হয়ে পরে বিদ্যালয়টি, সংবাদ পেয়ে থানা প্রশাসন গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে আনে।
পড়ুন>>বাফুফের নিবন্ধন পেল কাউনিয়ার ফুটবল একাডেমি
অবৈধভাবে উমানন্দ রায় কে নিয়োগ দিলে কোনভাবেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে মেনে নেবে না স্থানীয় ছাত্র জনতা। আন্দোলনকারীরা এরকম দাবি করে থাকে।
ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক নূর হোসেন ৯৫ ইং সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এমপিওভুক্ত হয়, এমপিও ইনডেক্স নাম্বার ২৫৬৮৫৫ এছাড়াও ওই বিদ্যালয়ের উমানন্দ রায় একই সালের মে মাসে এমপিওভুক্ত হয়। ইনডেক্স নাম্বার ২৫৮৩৭৩। নুর হোসেনের দাবি, এমপিও অনুযায়ী তিন মাসের ব্যবধান থাকলেও জ্যেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে আমাকে নিয়োগ না দিয়ে জুনিয়র শিক্ষক উমানন্দ রায় কে নিয়োগ দেয়ার পায় তারা করা হচ্ছে।
এ ছাড়াও উমানন্দ রায় বহিরাগত কিছু শিক্ষার্থী ও ভাড়াটিয়া মাস্তান দিয়ে বিদ্যালয়ের পরিবেশ উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছে। বিদ্যালয়ের সভাপতি শামিমা খাতুন শিউলির সাথে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি। উমানন্দ রায় এর সাথে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কামরুল ইসলাম বলেন, বিদ্যালয়ের কোন পক্ষই আমার কাছে আসেনি কাগজপত্র জমা দিলে যাচাই-বাছাই করে দেখা যাবে কে জ্যেষ্ঠ, বিধান অনুপাতে জ্যেষ্ঠতা অনুপাতে যে যোগ্য সেই নিয়োগ পাবে।
পড়ুন>> বীরগঞ্জে শিশু অপহরণকারী ও ধর্ষক গ্রেফতার
জেলা শিক্ষা অফিসার শামছুল আলমের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি।

























