ঢাকা ০৯:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে পতিত জমিতে সরিষা বাম্পার ফলন

সুনামগঞ্জ থেকে আমির হোসেন
  • আপডেট সময় : ০৬:১০:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৪২৫ বার পড়া হয়েছে

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে পতিত জমিতে সরিষা বাম্পার ফলন

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সুনামগন্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড এ চরগাও গ্রামের তরুন কৃষক সেলিম আহম্মদ তার অনাবাদি জমিতে প্রথম বারের মতো সরিষা চাষ করে তিন গুণ লাভের সম্ভাবনা দেখছেন।

তিনি অল্প পুঁজিতে সঠিক নিয়মের পরিশ্রমই এ সাফল্য আনতে এ উদ্যোগ গ্রহন করেন ।

তিনি অনাবাদি জমিকে আবাদের আওতায় এনেছেন প্রায় ৭ বিঘা জমি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে স্বল্প সময়ে পুঁজির তিন গুণ মুনাফার আশা রয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায় কৃষক মোঃ সেলিম আহম্মদ বাড়ির পার্শ্ববর্তী অনেক দিনের পতিত জমিতে সরিষা আবাদ করেন। সরিষা ফুলের হলুদ রঙের চোখ ধাঁধানো বর্ণিল সমারোহ দেখে কৃষক আনন্দিত । বছরের পর বছর অনাবাদি থাকা এ জমিকে আবকদ করে পরিণত করেছেন হলুদ রঙের বিস্তীর্ণ মাঠে।

কৃষক সেলিম আহমেদ জানান, এক সময় এসব জমিতে আমন ফসল হতো। এখন এ জমিতে আমন ফসলে ও তেমন ভালো ফলন পাই না। তাই মনের আংঙ্গীনা থেকে স্বপ্ন হিসাবে সরিষার আবাদ করি। ফলন দেখে মনে হচ্ছে আজ আমার ভাগ্য সহায়ক।

তিনি আর ও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পানি সংকটসহ নানা কারণে বছরের পর বছর পরিত্যাক্ত ছিল ঐ জমি। অনাবাদি জমি চাষের আওতায় আনতে কৃষি অফিসের পরামর্শ গ্রহণ করে সরিষা চাষের উদ্যোগ নেই।

 

প্রায় ৭ বিঘা জমিতে সরিষা চাষের জন্য জমি প্রস্তুত করি। পরে কৃষি অফিস থেকে কিছু ও নিজে ক্রয় করে বিঘা প্রতি ১ কেজি করে বারি-৭ জাতের সরিষা বীজ বপণ করি।

এতে পরিচর্যাসহ এ পর্যন্ত প্রায় ৪০ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে ফলেছে ভালো মানের সরিষা। আলহামদুলিল্লাহ এই মাসে সরিষার ফসল উঠবে গড়ে।

তিনি আরও জানান, আওবহাওয়া ঠিক থাকলে বিঘা প্রতি ফলনে পাওয়া যাবে প্রায় ২০০ কেজি প্রর্যন্ত ৭ বিঘায় মিলবে ১৪০০ কেজি।

বর্তমানে কেজি প্রতি সরিষার পাইকারি বাজার মূল্য ১২০ টাকা হিসেবে ১৪০০ কেজির মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ১ লক্ষ্য ৫০ হাজার টাকা। এ থেকে খরচ বাদ দিলেও তিন গুণ লাভ হবে।

এ বিষয়ে কথা হলে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তা শামসুল আলম বিধু বলেন, উপজেলায় এ বছর অত্র এলাকার অনেক পতিত জমিতে সরিষা আবাদ হয়েছে।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছরের ফলনও গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। সরিষা আবাদে কৃষকদের সার-বীজ ও উপকরণ সরবরাহসহ সব সময় পরামর্শ দিচ্ছি আমরা।

এ বিষয়ে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা কৃষি অফিসার নয়ন মিয়া জানান, আমাদের এবছর ২৫০ হেক্টর লক্ক্য মাত্রা ছিল। কিন্তু আবাদ হয়েছে ২৭৭ হেক্টর। প্রায় ৪৯০ মেট্রিক টন সরিষার আসা করছেন ।

এবছর আমাদের উপজেলার কৃষকরা তাদের পতিত জমিতে সরিষা আবাদ করে বেপক সাফল্য পেয়েছেন। এই সরিষা আবাদে বোর আবাদে কোন বাদা হবে না।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে পতিত জমিতে সরিষা বাম্পার ফলন

আপডেট সময় : ০৬:১০:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

সুনামগন্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড এ চরগাও গ্রামের তরুন কৃষক সেলিম আহম্মদ তার অনাবাদি জমিতে প্রথম বারের মতো সরিষা চাষ করে তিন গুণ লাভের সম্ভাবনা দেখছেন।

তিনি অল্প পুঁজিতে সঠিক নিয়মের পরিশ্রমই এ সাফল্য আনতে এ উদ্যোগ গ্রহন করেন ।

তিনি অনাবাদি জমিকে আবাদের আওতায় এনেছেন প্রায় ৭ বিঘা জমি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে স্বল্প সময়ে পুঁজির তিন গুণ মুনাফার আশা রয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায় কৃষক মোঃ সেলিম আহম্মদ বাড়ির পার্শ্ববর্তী অনেক দিনের পতিত জমিতে সরিষা আবাদ করেন। সরিষা ফুলের হলুদ রঙের চোখ ধাঁধানো বর্ণিল সমারোহ দেখে কৃষক আনন্দিত । বছরের পর বছর অনাবাদি থাকা এ জমিকে আবকদ করে পরিণত করেছেন হলুদ রঙের বিস্তীর্ণ মাঠে।

কৃষক সেলিম আহমেদ জানান, এক সময় এসব জমিতে আমন ফসল হতো। এখন এ জমিতে আমন ফসলে ও তেমন ভালো ফলন পাই না। তাই মনের আংঙ্গীনা থেকে স্বপ্ন হিসাবে সরিষার আবাদ করি। ফলন দেখে মনে হচ্ছে আজ আমার ভাগ্য সহায়ক।

তিনি আর ও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পানি সংকটসহ নানা কারণে বছরের পর বছর পরিত্যাক্ত ছিল ঐ জমি। অনাবাদি জমি চাষের আওতায় আনতে কৃষি অফিসের পরামর্শ গ্রহণ করে সরিষা চাষের উদ্যোগ নেই।

 

প্রায় ৭ বিঘা জমিতে সরিষা চাষের জন্য জমি প্রস্তুত করি। পরে কৃষি অফিস থেকে কিছু ও নিজে ক্রয় করে বিঘা প্রতি ১ কেজি করে বারি-৭ জাতের সরিষা বীজ বপণ করি।

এতে পরিচর্যাসহ এ পর্যন্ত প্রায় ৪০ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে ফলেছে ভালো মানের সরিষা। আলহামদুলিল্লাহ এই মাসে সরিষার ফসল উঠবে গড়ে।

তিনি আরও জানান, আওবহাওয়া ঠিক থাকলে বিঘা প্রতি ফলনে পাওয়া যাবে প্রায় ২০০ কেজি প্রর্যন্ত ৭ বিঘায় মিলবে ১৪০০ কেজি।

বর্তমানে কেজি প্রতি সরিষার পাইকারি বাজার মূল্য ১২০ টাকা হিসেবে ১৪০০ কেজির মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ১ লক্ষ্য ৫০ হাজার টাকা। এ থেকে খরচ বাদ দিলেও তিন গুণ লাভ হবে।

এ বিষয়ে কথা হলে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তা শামসুল আলম বিধু বলেন, উপজেলায় এ বছর অত্র এলাকার অনেক পতিত জমিতে সরিষা আবাদ হয়েছে।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছরের ফলনও গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। সরিষা আবাদে কৃষকদের সার-বীজ ও উপকরণ সরবরাহসহ সব সময় পরামর্শ দিচ্ছি আমরা।

এ বিষয়ে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা কৃষি অফিসার নয়ন মিয়া জানান, আমাদের এবছর ২৫০ হেক্টর লক্ক্য মাত্রা ছিল। কিন্তু আবাদ হয়েছে ২৭৭ হেক্টর। প্রায় ৪৯০ মেট্রিক টন সরিষার আসা করছেন ।

এবছর আমাদের উপজেলার কৃষকরা তাদের পতিত জমিতে সরিষা আবাদ করে বেপক সাফল্য পেয়েছেন। এই সরিষা আবাদে বোর আবাদে কোন বাদা হবে না।

Facebook Comments Box