ঢাকা ০২:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আইইডিসিআর কার্যালয়ে ঢুকে পরিচালককে নিরাপত্তা ঘটনায়, অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি ড্যাব গাজীপুর কর অঞ্চলে ৩৪টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি স্পেনের মালাগার সঙ্গে সহযোগিতার ক্ষেত্র বাড়াতে চায় বাংলাদেশ বাংলাদেশে কার্যালয় খুলতে জেবিআইসিকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সরকারি বেতন দিতে ব্যাংক থেকে আরও ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ আকাশে ড্রোন, মাঠে কে-৯: ঠাকুরগাঁও-১আসন উপ-নির্বাচনে ২১ প্লাটুন বিজিবি রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে বাসের ধাক্কায় নিহত ৩ হুতিদের শান্ত করতে ১০০ কোটি ডলারের প্রস্তাব সৌদি আরবের ইসরাইলের নির্বাচনে ঝুলে আছে নেতানিয়াহুর ভাগ্য, সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং দমনে দীর্ঘমেয়াদি কৌশল জরুরি

মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের গডফাদার ঘোড়াঘাটের সিংড়া ইউপি চেয়ারম্যান

সৃষ্টি ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৫:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩ ২৪৭ বার পড়া হয়েছে

মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের গডফাদার ঘোড়াঘাটের সিংড়া ইউপি চেয়ারম্যান

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের গডফাদার ঘোড়াঘাটের সিংড়া ইউপি চেয়ারম্যান।

মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার ৩ নম্বর সিংড়া ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান সাজ্জাদ হোসেন।

প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের উত্তরাঞ্চলের সিন্ডিকেট প্রধান হিসেবে কাজ করতেন তিনি। তার কাছ থেকে প্রশ্নপত্র কিনে বিভিন্ন সরকারি মেডিকেলে অন্তত ৩০ জন ভর্তির সুযোগ পাওয়ার তথ্য পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সাজ্জাদ ইউপি চেয়ারম্যান হলেও ২০১০ থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত। পাশাপাশি তিনি দিনাজপুরের বিরামপুরের একটি কলেজে শিক্ষকতা করেন।

এ সুবাদে মেডিকেলে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন তিনি। উত্তরবঙ্গের শিক্ষার্থীদের কাছে প্রশ্নপত্র বিক্রি করে কয়েক কোটি টাকা উপার্জন করেন সাজ্জাদ।

এক মামার মাধ্যমে মেডিকেলের ফাঁসকৃত প্রশ্ন পায় এবং বকুলকে তা সরবরাহ করে। বকুল তার চার ভর্তিচ্ছু ছোট ভাইয়ের কাছে সেই প্রশ্ন বিক্রি করে। চারজনই দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছে।

ডা. সাইফুল আলম বাদশা ২০১০ সালে সাজ্জাদের মাধ্যমে প্রশ্ন পেয়ে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি হন। প্রশ্নফাঁস ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন। ২০১৩ এবং ২০১৫ সালে প্রশ্নফাঁস করে।

সিআইডি জানিয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের তদন্তকালে ২০১৮ সালে একটি চক্রের সন্ধান পায় তারা। ২০২০ সালের জুলাইয়ে এস এম সানোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। তার তথ্যে সিআইডি প্রথমবার জানতে পারে, ২০১৩, ১৫ ও ১৭ সালের মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। তার তথ্যেই গ্রেপ্তার হয় জসিম। তথ্য সুত্র ও ছবি

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের গডফাদার ঘোড়াঘাটের সিংড়া ইউপি চেয়ারম্যান

আপডেট সময় : ০৪:৪৫:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩

মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের গডফাদার ঘোড়াঘাটের সিংড়া ইউপি চেয়ারম্যান।

মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার ৩ নম্বর সিংড়া ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান সাজ্জাদ হোসেন।

প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের উত্তরাঞ্চলের সিন্ডিকেট প্রধান হিসেবে কাজ করতেন তিনি। তার কাছ থেকে প্রশ্নপত্র কিনে বিভিন্ন সরকারি মেডিকেলে অন্তত ৩০ জন ভর্তির সুযোগ পাওয়ার তথ্য পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সাজ্জাদ ইউপি চেয়ারম্যান হলেও ২০১০ থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত। পাশাপাশি তিনি দিনাজপুরের বিরামপুরের একটি কলেজে শিক্ষকতা করেন।

এ সুবাদে মেডিকেলে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন তিনি। উত্তরবঙ্গের শিক্ষার্থীদের কাছে প্রশ্নপত্র বিক্রি করে কয়েক কোটি টাকা উপার্জন করেন সাজ্জাদ।

এক মামার মাধ্যমে মেডিকেলের ফাঁসকৃত প্রশ্ন পায় এবং বকুলকে তা সরবরাহ করে। বকুল তার চার ভর্তিচ্ছু ছোট ভাইয়ের কাছে সেই প্রশ্ন বিক্রি করে। চারজনই দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছে।

ডা. সাইফুল আলম বাদশা ২০১০ সালে সাজ্জাদের মাধ্যমে প্রশ্ন পেয়ে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি হন। প্রশ্নফাঁস ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন। ২০১৩ এবং ২০১৫ সালে প্রশ্নফাঁস করে।

সিআইডি জানিয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের তদন্তকালে ২০১৮ সালে একটি চক্রের সন্ধান পায় তারা। ২০২০ সালের জুলাইয়ে এস এম সানোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। তার তথ্যে সিআইডি প্রথমবার জানতে পারে, ২০১৩, ১৫ ও ১৭ সালের মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। তার তথ্যেই গ্রেপ্তার হয় জসিম। তথ্য সুত্র ও ছবি

 

Facebook Comments Box