ঢাকা ১২:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রজন্ম ধরে ভাগ্য নির্ধারণ করছে: প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গোপসাগর প্রজন্মের পর সাতক্ষীরায় মারামারি থামাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে রুচিরা বেকারির মালিকের ছেলের বাংলামোটরে আগ্নেয়াস্ত্রের আঘাতে ওষুধ ব্যবসায়ী আহত রূপপুরের পথে ইউরেনিয়ামের চালান, জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৩৬৩ জন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়ল ইউরেনিয়ামের প্রথম ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব হবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও নামিবিয়ায় আজকের খেলার সূচি: টিভিতে চোখ রাখুন ৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতার গুঞ্জন নাকচ করল জামায়াত নীলফামারী অনলাইন শপ’-এর বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, ওসি জিল্লুরের আশ্বাস

ভারত-বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে এবং দুই প্রতিবেশীর সম্পর্ক জোরদারে সম্মিলিত ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় আগ্রহী ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

সৃষ্টি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:২৫:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৪ ১১৬ বার পড়া হয়েছে

ভারত-বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে এবং দুই প্রতিবেশীর সম্পর্ক জোরদারে সম্মিলিত ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় আগ্রহী ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ভারত-বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে এবং দুই প্রতিবেশীর সম্পর্ক জোরদারে সম্মিলিত ও সমন্বিত

প্রচেষ্টায় আগ্রহী ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি
ভারত-বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে এবং দুই প্রতিবেশীর মধ্যকার সম্পর্ক জোরদারে সম্মিলিত ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় আগ্রহী বলে জানিয়েছেন সফররত ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ড. ইউনূসের সঙ্গে এক বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বলেন, সম্পর্ক বাড়ানো ছাড়া দ্বিতীয় কোনো চিন্তা নেই। আমরা এটাকে উভয় দেশের জন্যই লাভজনক হিসেবে দেখি। আমরা যেখানে ছিলাম- সেখান থেকেই আবার শুরু করতে চাই।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের বর্তমান সরকারের সঙ্গে কাজ করতে হবে।

প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ককে খুবই দৃঢ় এবং ঘনিষ্ঠ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, সাম্প্রতিক সময়ে দুই প্রতিবেশির সম্পর্কে কিছু মেঘ জমে ছায়া তৈরি করেছে। এই কালো মেঘ মুছে ফেলতে ভারতের সাহায্য চেয়েছেন ড. ইউনূস। আলোচনায় উঠে আসে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রসঙ্গও। যিনি এখন ভারতে অবস্থান করছেন।

বিগত ১৫ বছরের নির্মম ও দুর্নীতিগ্রস্ত স্বৈরশাসনের বর্ণনা দিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র সচিবকে প্রধান উপদেষ্টা জানান, আমাদের লোকজন উদ্বিগ্ন, কারণ তিনি সেখান (ভারত) থেকে অনেক বক্তব্য দিচ্ছেন। এটা উত্তেজনা সৃষ্টি করছে।
এ সময় বিক্রম মিশ্রি জানান, তিনি জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় প্রায় প্রতি ঘণ্টায় বাংলাদেশের ঘটনাবলি পর্যবেক্ষণ করেছেন।

বিক্রম মিশ্রি বলেন, অধ্যাপক ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর যে সব বিদেশি নেতা তাকে অভ্যর্থনা জানিয়েছিলেন তাদের মধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামনের সারিতে আছেন। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে গণমাধ্যমের ন্যারেটিভ এবং ভারত সরকারের ধারণা ভিন্ন। আমরা আপনার সাফল্য কামনা করছি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক রয়েছে এটা ভুল ধারণা। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোনো নির্দিষ্ট দলের জন্য নয়, বরং সবার জন্য।

বৈঠকে ড. ইউনূস বন্যা এবং পানি ব্যবস্থাপনায় ঘনিষ্ঠ দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা এবং সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য ভারতকে তার উদ্যোগে সাড়া দেওয়ার আহ্বান জানান।

সংখ্যালঘু ইস্যু সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিটি নাগরিকের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে এবং ধর্ম, বর্ণ, জাতি ও লিঙ্গ নির্বিশেষে সবার অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা একটি পরিবার। আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

এ সময় ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ভারত গত মাসে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসার সংখ্যা দ্বিগুণ করেছে এবং আগামী দিনে এই সংখ্যা আরও বাড়াবে। আমরা আমাদের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভারত-বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে এবং দুই প্রতিবেশীর সম্পর্ক জোরদারে সম্মিলিত ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় আগ্রহী ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

আপডেট সময় : ১১:২৫:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৪

 

ভারত-বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে এবং দুই প্রতিবেশীর সম্পর্ক জোরদারে সম্মিলিত ও সমন্বিত

প্রচেষ্টায় আগ্রহী ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি
ভারত-বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে এবং দুই প্রতিবেশীর মধ্যকার সম্পর্ক জোরদারে সম্মিলিত ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় আগ্রহী বলে জানিয়েছেন সফররত ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ড. ইউনূসের সঙ্গে এক বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বলেন, সম্পর্ক বাড়ানো ছাড়া দ্বিতীয় কোনো চিন্তা নেই। আমরা এটাকে উভয় দেশের জন্যই লাভজনক হিসেবে দেখি। আমরা যেখানে ছিলাম- সেখান থেকেই আবার শুরু করতে চাই।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের বর্তমান সরকারের সঙ্গে কাজ করতে হবে।

প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ককে খুবই দৃঢ় এবং ঘনিষ্ঠ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, সাম্প্রতিক সময়ে দুই প্রতিবেশির সম্পর্কে কিছু মেঘ জমে ছায়া তৈরি করেছে। এই কালো মেঘ মুছে ফেলতে ভারতের সাহায্য চেয়েছেন ড. ইউনূস। আলোচনায় উঠে আসে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রসঙ্গও। যিনি এখন ভারতে অবস্থান করছেন।

বিগত ১৫ বছরের নির্মম ও দুর্নীতিগ্রস্ত স্বৈরশাসনের বর্ণনা দিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র সচিবকে প্রধান উপদেষ্টা জানান, আমাদের লোকজন উদ্বিগ্ন, কারণ তিনি সেখান (ভারত) থেকে অনেক বক্তব্য দিচ্ছেন। এটা উত্তেজনা সৃষ্টি করছে।
এ সময় বিক্রম মিশ্রি জানান, তিনি জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় প্রায় প্রতি ঘণ্টায় বাংলাদেশের ঘটনাবলি পর্যবেক্ষণ করেছেন।

বিক্রম মিশ্রি বলেন, অধ্যাপক ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর যে সব বিদেশি নেতা তাকে অভ্যর্থনা জানিয়েছিলেন তাদের মধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামনের সারিতে আছেন। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে গণমাধ্যমের ন্যারেটিভ এবং ভারত সরকারের ধারণা ভিন্ন। আমরা আপনার সাফল্য কামনা করছি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক রয়েছে এটা ভুল ধারণা। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোনো নির্দিষ্ট দলের জন্য নয়, বরং সবার জন্য।

বৈঠকে ড. ইউনূস বন্যা এবং পানি ব্যবস্থাপনায় ঘনিষ্ঠ দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা এবং সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য ভারতকে তার উদ্যোগে সাড়া দেওয়ার আহ্বান জানান।

সংখ্যালঘু ইস্যু সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিটি নাগরিকের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে এবং ধর্ম, বর্ণ, জাতি ও লিঙ্গ নির্বিশেষে সবার অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা একটি পরিবার। আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

এ সময় ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ভারত গত মাসে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসার সংখ্যা দ্বিগুণ করেছে এবং আগামী দিনে এই সংখ্যা আরও বাড়াবে। আমরা আমাদের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

 

Facebook Comments Box