নেপালে বন্যায় নিখোঁজের ১১ দিন পর জীবিত উদ্ধার বৃদ্ধা, শোকের বদলে পরিবারে স্বস্তি : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
নেপালে বন্যায় নিখোঁজের ১১ দিন পর জীবিত উদ্ধার বৃদ্ধা, শোকের বদলে পরিবারে স্বস্তি : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
খোলা বাজারে সার বিক্রির দাবিতে অবরুদ্ধ কৃষি অফিসার বিরলে কলেজছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগে থানায় এজাহার, আটক ১ মফস্বল সাংবাদিকদের সংকট-সম্ভাবনা নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের মতবিনিময় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে গত দুই দিনে চার বন্দির মৃত্যু পাবনার আটঘরিয়ায় জামিনে মুক্ত বিএনপি নেতার ওপর হামলা ও প্রাণহানির ঘটনা দক্ষ মানবসম্পদ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ-ইতালি যৌথভাবে কাজ করবে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকে শাখা ব্যবস্থাপক নিয়োগ, আবেদনের সুযোগ ২০ থেকে ৫৫ বছর বয়সীদের আরব লিগ কাউন্সিলের ১৬৬তম অধিবেশন: ফিলিস্তিন ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার উন্নয়নে বসছে ‘ক্যারিয়ার হাব ডেঙ্গু প্রতিরোধে চট্টগ্রামের দুই হাজার মসজিদে একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

নেপালে বন্যায় নিখোঁজের ১১ দিন পর জীবিত উদ্ধার বৃদ্ধা, শোকের বদলে পরিবারে স্বস্তি

সৃষ্টি আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশিত : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

 

নেপালে বন্যায় নিখোঁজের ১১ দিন পর জীবিত উদ্ধার বৃদ্ধা, শোকের বদলে পরিবারে স্বস্তি

 

নেপালের ভয়াবহ বন্যায় বাড়ি ভেসে যাওয়ার পর ৬৪ বছর বয়সী চন্দিকা শ্রেষ্ঠা ১১ দিন নিখোঁজ ছিলেন। টানা আট দিন ধরে তার কোনো খোঁজ না পেয়ে পরিবার ধরে নিয়েছিল যে তিনি আর বেঁচে নেই। এমনকি কুশ ঘাস দিয়ে প্রতীকী মরদেহ তৈরি করে শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতাও শুরু করে দিয়েছিলেন স্বজনরা। কিন্তু নিখোঁজের ১১তম দিনে অলৌকিকভাবে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে চন্দিকাকে।

কাঠমান্ডুর সানো ভারিয়াংয়ে পরিবারের বাড়িতে যখন তার শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা চলছিল, ঠিক সেই সময়ে নুয়াকোটের বেত্রাবতী বাজারের একটি বাড়ি থেকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর পরিদর্শক সুমন বিকের নেতৃত্বে এই উদ্ধার অভিযান পরিচালিত হয়।

 

পড়ুন>>সাভারে পুলিশ কর্মকর্তা নিহতের ঘটনায় প্রধান অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি গ্রেপ্তার

 

জানা যায়, নুয়াকোটের বিদুর পৌরসভা-১০-এর বাসিন্দা চন্দিকা বন্যার সময় স্বামীর সঙ্গে বাড়িতেই ছিলেন। প্রবল স্রোতে তাদের সাড়ে চারতলা বাড়িটি উপড়ে ভেসে যায় এবং পরে তা ত্রিশূলী নদীর তীরে কোথাও আটকে যায় বলে জানান তার সম্বন্ধী রমেশ মান শ্রেষ্ঠা।

রমেশ মান শ্রেষ্ঠা জানান, তারা আট দিন ধরে চন্দিকাকে খুঁজেছেন, কিন্তু কোথাও না পেয়ে শেষ পর্যন্ত আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন। চন্দিকার জামাইও বেত্রাবতী ও ত্রিশূলী নদীর তীর ধরে কয়েকদিন তল্লাশি চালিয়েছিলেন। কিন্তু ওই এলাকায় প্রবেশ করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছিল।

আশপাশে মরদেহ পচতে শুরু করায় দুর্গন্ধ এতটাই তীব্র ছিল যে মাস্ক ছাড়া সেখানে যাওয়া অসম্ভব ছিল। এছাড়া গভীর কাদা ও জলাবদ্ধতার কারণে উদ্ধারকর্মীরাও অনেক এলাকায় পৌঁছাতে পারেননি। অনুসন্ধান ব্যর্থ হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা চন্দিকার শেষকৃত্যের সিদ্ধান্ত নেন এবং কুশের মরদেহ তৈরি করে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন।

পড়ুন>>ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে কোণঠাসা ট্রাম্প, দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের আশঙ্কায় প্যানেটা

উদ্ধারের পর হেলিকপ্টারে করে চন্দিকাকে ত্রিশূলীর নেপাল আর্মির মাইবাল ব্যারাকে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে কাঠমান্ডুর ছাউনির আর্মি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে চিকিৎসকেরা পরিবারকে এখনো ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন, যার ফলে রমেশ এখনো সরাসরি চন্দিকার সঙ্গে দেখা করতে পারেননি। হাসপাতালের বাইরে থেকে দূর থেকেই তাকে দেখার চেষ্টা করছেন তিনি।

চন্দিকার নাতিও বর্তমানে হাসপাতালে রয়েছে। রমেশ জানান, নানিকে দেখে ছেলেটি অনবরত কাঁদছে এবং ঠিকমতো খাওয়াদাওয়াও করছে না। পরিবারের আট দিনের চরম হতাশা, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শুরু করা এবং এরপর হঠাৎ চন্দিকার জীবিত ফিরে আসার ঘটনায় রমেশ গভীরভাবে আবেগাপ্লুত। তিনি বলেন, ‘মনে হচ্ছে, সত্যিই এই পৃথিবীতে ঈশ্বর আছেন।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
error: Content is protected !!