ঢাকা ০৫:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভূরুঙ্গামারীতে ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ ​নাগেশ্বরীতে ২৮ অক্টোবর পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত নাগেশ্বরীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিশ্ব হাত ধোঁয়া দিবস ডোমারে উদযাপন কাউনিয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালন   কাউনিয়ায় যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও আনন্দ র‍্যালি তারেক রহমান ও বিএনপির বিরুদ্ধে চক্রান্ত চালাচ্ছে ফ্যাসিস্ট ও গুপ্ত বাহিনী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যারিয়ার নির্ধারণী কর্মশালা ও উপাচার্যের দিকনির্দেশনা চট্টগ্রাম বন্দরে ৩৯৩ জনের নিয়োগ, আবেদন শুরু নভেম্বরে ঢালচরের পর্যটন বিকাশে মতবিনিময় করল ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশন

নীলফামারীতে নির্মাণাধীন ভবনের সিড়িতে পড়ে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত‍্য

নীলফামারী থেকে তপন দাস
  • আপডেট সময় : ১০:০৯:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অগাস্ট ২০২৩ ১৭১ বার পড়া হয়েছে

নীলফামারীতে নির্মাণাধীন ভবনের সিড়িতে পড়ে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত‍্য

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নীলফামারীতে নির্মাণাধীন ভবনের সিড়িতে পড়ে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত‍্য হয়েছে।

নির্মাণাধীন একটি ভবনের সিড়িতে থেকে পড়ে মারা গেছে এক নির্মাণ শ্রমিক ।

মঙ্গলবার বিকেলে জেলা সদরের গাছবাড়ি নামক স্থানে এই ঘটনাটি ঘটে। নিহত শ্রমিকের নাম শ্রী বিপুল চন্দ্র দাস (২০)। সে সদর উপজেলা ৫ নং টুপামারী ইউনিয়নের রামগঞ্জ দাস পাড়া ( জালিয়া পাড়া) এলাকার বাসিন্দা শ্রী নন্দ কুমার দাস এর ছেলে। ৪ ভাই বোনের মধ্যে সবার ছোট।

সরজমিনে গিয়ে স্থানীয় কয়েকজনের সাথে কথা হলে তারা জানান, বিকেল আনুমানিক ৫ টার দিকে নিচতলা থেকে সিমেন্টের বস্তা নিয়ে দোতলায় চড়ার সময় হঠাৎ করে পা পিছলে সিড়িতে পড়ে যায়। সিমেন্টের বস্তা তার মাথায় পড়ে যায়।

পরে আমরা স্হানীয় কয়েকজন এবং সেখানে কর্মরত কয়েকজন শ্রমিক মিলে তাকে উদ্ধার করে নীলফামারী সদর হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে।

এদিকে নিহত বিপুল চন্দ্র দাস এর বাবা নন্দ কুমার দাস এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমার ছেলে দীর্ঘ দিন ধরে এই কাজ করে কোন দিন কোন সমস্যা হয়নি। আজকে হঠাৎ করে কেন এমনটি হলো আমি চিন্তা করতে পারছি না।

ছেলে আমার সাথে সবসময়ই ফোনে কথা বলতো কাজে গেলে। তবে আজকে কোন ফোন দেয়নি আমার বাবা , আমার বাবার একি হলো। আমি এখন কি নিয়ে থাকবো, কে আমাকে বাবা বলে ডাকবে? কে বাজার খরচ করে আনবে? একথা বলেই তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন ।

প্রতিবেশি কয়েকজন জানান বিপুল খুব ভালো ছেলে ছিলো সে কখনো কারো সাথে খারাপ ব্যবহার করেনি। হঠাৎ একি হয়ে গেলো ছেলেটার আমরা বিশ্বাস করতে পারছি না যে ছেলেটি মারা গেলো।

সেই বাসার মালিকের সাথে কথা বলার জন্য একাধিক বার যোগাযোগ করা হলে ও তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি। এছাড়াও সেখানে কাজ করা কোন নির্মাণ শ্রমিক বা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কোন সদস্য কে খুজে পাওয়া যায়নি।

এবিষয়ে নীলফামারী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ খান মোহাম্মদ শাহরিয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন খবর পাওয়া মাত্র আমরা সেখানে অর্থাৎ ঘটনা স্হলে যাই এবং সেখান কার স্হানীয় লোক জনের সাথে কথা বলি।

আর নিহত বিপুল চন্দ্র দাস এর পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় লাশ হাসপাতাল থেকে আইন সব প্রক্রিয়া শেষে লাশ তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নীলফামারীতে নির্মাণাধীন ভবনের সিড়িতে পড়ে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত‍্য

আপডেট সময় : ১০:০৯:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অগাস্ট ২০২৩

নীলফামারীতে নির্মাণাধীন ভবনের সিড়িতে পড়ে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত‍্য হয়েছে।

নির্মাণাধীন একটি ভবনের সিড়িতে থেকে পড়ে মারা গেছে এক নির্মাণ শ্রমিক ।

মঙ্গলবার বিকেলে জেলা সদরের গাছবাড়ি নামক স্থানে এই ঘটনাটি ঘটে। নিহত শ্রমিকের নাম শ্রী বিপুল চন্দ্র দাস (২০)। সে সদর উপজেলা ৫ নং টুপামারী ইউনিয়নের রামগঞ্জ দাস পাড়া ( জালিয়া পাড়া) এলাকার বাসিন্দা শ্রী নন্দ কুমার দাস এর ছেলে। ৪ ভাই বোনের মধ্যে সবার ছোট।

সরজমিনে গিয়ে স্থানীয় কয়েকজনের সাথে কথা হলে তারা জানান, বিকেল আনুমানিক ৫ টার দিকে নিচতলা থেকে সিমেন্টের বস্তা নিয়ে দোতলায় চড়ার সময় হঠাৎ করে পা পিছলে সিড়িতে পড়ে যায়। সিমেন্টের বস্তা তার মাথায় পড়ে যায়।

পরে আমরা স্হানীয় কয়েকজন এবং সেখানে কর্মরত কয়েকজন শ্রমিক মিলে তাকে উদ্ধার করে নীলফামারী সদর হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে।

এদিকে নিহত বিপুল চন্দ্র দাস এর বাবা নন্দ কুমার দাস এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমার ছেলে দীর্ঘ দিন ধরে এই কাজ করে কোন দিন কোন সমস্যা হয়নি। আজকে হঠাৎ করে কেন এমনটি হলো আমি চিন্তা করতে পারছি না।

ছেলে আমার সাথে সবসময়ই ফোনে কথা বলতো কাজে গেলে। তবে আজকে কোন ফোন দেয়নি আমার বাবা , আমার বাবার একি হলো। আমি এখন কি নিয়ে থাকবো, কে আমাকে বাবা বলে ডাকবে? কে বাজার খরচ করে আনবে? একথা বলেই তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন ।

প্রতিবেশি কয়েকজন জানান বিপুল খুব ভালো ছেলে ছিলো সে কখনো কারো সাথে খারাপ ব্যবহার করেনি। হঠাৎ একি হয়ে গেলো ছেলেটার আমরা বিশ্বাস করতে পারছি না যে ছেলেটি মারা গেলো।

সেই বাসার মালিকের সাথে কথা বলার জন্য একাধিক বার যোগাযোগ করা হলে ও তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি। এছাড়াও সেখানে কাজ করা কোন নির্মাণ শ্রমিক বা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কোন সদস্য কে খুজে পাওয়া যায়নি।

এবিষয়ে নীলফামারী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ খান মোহাম্মদ শাহরিয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন খবর পাওয়া মাত্র আমরা সেখানে অর্থাৎ ঘটনা স্হলে যাই এবং সেখান কার স্হানীয় লোক জনের সাথে কথা বলি।

আর নিহত বিপুল চন্দ্র দাস এর পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় লাশ হাসপাতাল থেকে আইন সব প্রক্রিয়া শেষে লাশ তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

 

Facebook Comments Box