নীলফামারীতে নির্মাণাধীন ভবনের সিড়িতে পড়ে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত‍্য : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
নীলফামারীতে নির্মাণাধীন ভবনের সিড়িতে পড়ে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত‍্য : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুড়িগ্রামের দায়িত্বে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, নতুন প্রত্যাশায় জেলাবাসী মক্কায় বিশেষ প্রার্থনা ও তরুণদের প্রতি রাখি সাওয়ান্তের আবেগঘন বার্তা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতের কাছে প্রস্তাব ও ইন্টারপোলে রেড নোটিশের আবেদন বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগ আমলে না নিলে কঠোর ব্যবস্থা নেবে ইউজিসি চট্টগ্রামে রবির এলিট পার্টনার নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ: নতুন অংশীদার ও অ্যাওয়ার্ড প্রদান বিদ্যুৎ বিভাগের কোম্পানিগুলোর চাকরিবিধি সংশোধনে ১০ সদস্যের কমিটি গঠন তুরস্ক-কাতার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য এসএ টিভিতে আসছে জনপ্রিয় দুই ইসলামিক ধারাবাহিক ‘মুহাম্মদ (সা.)’ ও ‘ইউসুফ-জুলেখা গবেষণায় অনন্য অবদানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬২ শিক্ষক পেলেন বিশেষ সম্মাননা

নীলফামারীতে নির্মাণাধীন ভবনের সিড়িতে পড়ে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত‍্য

নীলফামারী থেকে তপন দাস
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২২ আগস্ট, ২০২৩
নীলফামারীতে নির্মাণাধীন ভবনের সিড়িতে পড়ে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত‍্য

নীলফামারীতে নির্মাণাধীন ভবনের সিড়িতে পড়ে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত‍্য হয়েছে।

নির্মাণাধীন একটি ভবনের সিড়িতে থেকে পড়ে মারা গেছে এক নির্মাণ শ্রমিক ।

মঙ্গলবার বিকেলে জেলা সদরের গাছবাড়ি নামক স্থানে এই ঘটনাটি ঘটে। নিহত শ্রমিকের নাম শ্রী বিপুল চন্দ্র দাস (২০)। সে সদর উপজেলা ৫ নং টুপামারী ইউনিয়নের রামগঞ্জ দাস পাড়া ( জালিয়া পাড়া) এলাকার বাসিন্দা শ্রী নন্দ কুমার দাস এর ছেলে। ৪ ভাই বোনের মধ্যে সবার ছোট।

সরজমিনে গিয়ে স্থানীয় কয়েকজনের সাথে কথা হলে তারা জানান, বিকেল আনুমানিক ৫ টার দিকে নিচতলা থেকে সিমেন্টের বস্তা নিয়ে দোতলায় চড়ার সময় হঠাৎ করে পা পিছলে সিড়িতে পড়ে যায়। সিমেন্টের বস্তা তার মাথায় পড়ে যায়।

পরে আমরা স্হানীয় কয়েকজন এবং সেখানে কর্মরত কয়েকজন শ্রমিক মিলে তাকে উদ্ধার করে নীলফামারী সদর হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে।

এদিকে নিহত বিপুল চন্দ্র দাস এর বাবা নন্দ কুমার দাস এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমার ছেলে দীর্ঘ দিন ধরে এই কাজ করে কোন দিন কোন সমস্যা হয়নি। আজকে হঠাৎ করে কেন এমনটি হলো আমি চিন্তা করতে পারছি না।

ছেলে আমার সাথে সবসময়ই ফোনে কথা বলতো কাজে গেলে। তবে আজকে কোন ফোন দেয়নি আমার বাবা , আমার বাবার একি হলো। আমি এখন কি নিয়ে থাকবো, কে আমাকে বাবা বলে ডাকবে? কে বাজার খরচ করে আনবে? একথা বলেই তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন ।

প্রতিবেশি কয়েকজন জানান বিপুল খুব ভালো ছেলে ছিলো সে কখনো কারো সাথে খারাপ ব্যবহার করেনি। হঠাৎ একি হয়ে গেলো ছেলেটার আমরা বিশ্বাস করতে পারছি না যে ছেলেটি মারা গেলো।

সেই বাসার মালিকের সাথে কথা বলার জন্য একাধিক বার যোগাযোগ করা হলে ও তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি। এছাড়াও সেখানে কাজ করা কোন নির্মাণ শ্রমিক বা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কোন সদস্য কে খুজে পাওয়া যায়নি।

এবিষয়ে নীলফামারী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ খান মোহাম্মদ শাহরিয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন খবর পাওয়া মাত্র আমরা সেখানে অর্থাৎ ঘটনা স্হলে যাই এবং সেখান কার স্হানীয় লোক জনের সাথে কথা বলি।

আর নিহত বিপুল চন্দ্র দাস এর পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় লাশ হাসপাতাল থেকে আইন সব প্রক্রিয়া শেষে লাশ তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!