নির্বাচনে জয়; ঋণখেলাপির অভিযোগে এমপি হওয়া হলো না আসলামের
- আপডেট সময় : ১০:৫৪:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬ ৩৯৯১৭ বার পড়া হয়েছে
নির্বাচনে জয়; ঋণখেলাপির অভিযোগে এমপি হওয়া হলো না আসলামের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসলাম চৌধুরী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হলেও তার প্রার্থিতা বাতিল করেছেন আপিল বিভাগ। ফলে তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে পারবেন না।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল পৌনে ১০টার দিকে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ঋণখেলাপির অভিযোগে নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানির শেষ দিনে গত ১৮ জানুয়ারি আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। পরে ওই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষ হাইকোর্টে রিট আবেদন করলে তা খারিজ হয়ে যায়। এরপর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। একই সঙ্গে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন মো. আনোয়ার সিদ্দিকী।
পড়ুন>> নাগেশ্বরীতে বিয়ের দাবিতে তরুণীর অনশন: প্রেমিকসহ পরিবার পলাতক
ঋণখেলাপি মামলায় বাতিল আসলামের প্রার্থিতা
গত ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে আসলাম চৌধুরীকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হলেও আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন।
এর মধ্যে গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তিনি বেসরকারিভাবে বিজয়ী হলেও আদালতের নির্দেশনার কারণে নির্বাচন কমিশন এখনো চূড়ান্ত ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ করেনি।
পড়ুন>>ঠাকুরগাঁওয়ে বিরল বিষ্ণুমূর্তি উদ্ধার: গ্রেপ্তার-২
গত ১৫ জুন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চে মামলার চূড়ান্ত শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে আদালত নিযুক্ত দুই অ্যামিকাস কিউরি, সিনিয়র আইনজীবী এম কামরুল হক সিদ্দিকী এবং প্রবীর নিয়োগী আদালতকে সহায়তা করেন। সব পক্ষের শুনানি শেষে আপিল বিভাগ ৩০ জুন রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেন।
তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়ে ও শপথ নিতে পারলেন না চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসন থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী। ব্যাংক এশিয়া ও যমুনা ব্যাংকের প্রায় দুই কোটি টাকার ঋণখেলাপির দায়ে শেষ পর্যন্ত প্রার্থিতা হারাতে হলো তাকে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হলেও তার সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পথ বন্ধ হয়ে গেল।


























