চকরিয়ায় স্কুলছাত্রী নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঘটনায় মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
- আপডেট সময় : ০৫:৩৪:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
কক্সবাজারের চকরিয়ায় স্কুলছাত্রীকে অপহরণের দায়ে সুমন বৈষ্ণব নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে ১৪ বছরের কারাদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
কক্সবাজারের চকরিয়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে অপহরণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সুমন বৈষ্ণব (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক রবিউল আলম এ চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত সুমন চকরিয়া পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের তরছঘাটা এলাকার তুলসী বৈষ্ণবের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাতক থাকায় আদালত তাকে গ্রেপ্তারে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট সলিমুল মোস্তফা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ২৬ জুলাই বিকেলে চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠের নিকটবর্তী সড়ক দিয়ে ওই শিক্ষার্থী তার মা ও ভাইয়ের সঙ্গে বাড়ি ফিরছিল। সেই সময় স্কুলগামী শিক্ষার্থীকে দীর্ঘদিনের উত্ত্যক্তকারী সুমন বৈষ্ণব অস্ত্রের মুখে অপহরণ করেন। ভুক্তভোগীর মা বাধা দিলে তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। এরপর মহাসড়কের পাশে এস আলম বাস কাউন্টারের কাছে একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে ভুক্তভোগীকে সরিয়ে ফেলা হয়। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হলে তদন্তকারী কর্মকর্তা দেবব্রত রায় ওই বছরের ১১ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এতে সুমন বৈষ্ণবকে প্রধান অভিযুক্ত করা হয়।
বিচারিক প্রক্রিয়ায় আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর (সংশোধিত ২০০৩) ৩০ ধারায় সুমনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অনাদায়ে তাকে আরও দুই মাস সশ্রম কারাভোগ করতে হবে। এছাড়া একই আইনের ৭ ধারায় তাকে আরও ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। সব মিলিয়ে তাকে ৩৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে মোট তিন মাসের বাড়তি কারাদণ্ড দেন বিচারক। রায় ঘোষণার পর বাদীপক্ষ আদালতের এ সিদ্ধান্তে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এজাহারে থাকা অন্য তিন আসামি বিজয় দাশ, কৃষ্ণ পদ দাশ ও পিঠন বৈষ্ণব এ কাজে সুমনকে সহযোগিতা করেন বলে অভিযোগ করা হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মামলায় আরো বলা হয়, সুমন দীর্ঘদিন ধরে স্কুলে যাওয়ার পথে ওই শিক্ষার্থীকে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ঘটনার দিন প্রাইভেট পড়া শেষে শিক্ষার্থী তার ভাই প্রসেনজিৎ চক্রবর্তী ও মায়ের সঙ্গে পায়ে হেঁটে বাড়ি ফেরার পথে অপহরণের শিকার হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অভিযোগপত্রে এজাহারের ২, ৩ ও ৪ নম্বর আসামিকে বাদ দিয়ে সুমন বৈষ্ণবকে প্রধান অভিযুক্ত করা হয়।
সূত্র: রাইজিংবিডি
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ





















