কুড়িগ্রামের রৌমারীতে বিজিবি-চোরাকারবারির সংঘর্ষে আহত
- আপডেট সময় : ১০:২৮:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৪ ৩২১ বার পড়া হয়েছে
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে বিজিবি-চোরা কারবারির সংঘর্ষে আহত ৮
রৌমারীতে ভারতীয় গরু আটককে কেন্দ্র করে বিজিবির সঙ্গে চোরা কারবারিদের এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। এতে আহত হয়েছে নারীসহ অন্তত ৮জন। সোমবার সকাল ৮টার দিকে উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ধর্মপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ভোর রাতে দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের ধর্মপুর সীমান্তের আন্তর্জাতিক সীমানা ১০৫৭ পিলারেরকাছ দিয়ে ভারত থেকে ২০-২৫টি গরু অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশের ধর্মপুর গ্রামে নিয়ে আসে কয়েকজন চোরাকারবারি।
সেখান থেকে গরুগুলো ধর্মপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পূর্বপাশে খোলা মাঠে বেঁধে রাখা হয়। সোমবার সকাল ৮টার দিকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে দাঁতভাঙ্গা কোম্পানি কমন্ডার সুবেদার আঞ্জু আহমেদের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে চোরাই গরু গুলো জব্দ করে বিজিবি।
এ সময় গরুর মালিক চোরা কারবারিরা হইচই করে গ্রামের লোকজনকে জড়ো করে এবং বিজিবি সদস্যদের ওপর চড়াও হয়। একপর্যায় চোরাকারবারি ও বিজিবির মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় এক রক্তক্ষয়ি সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।
এতে আহত হয় সোনা রতী খাতুন, হাফিজুর রহমান, মঞ্জু মিয়া, মিজানুর রহমান, রাবেয়া খাতুন, আঙ্গুর মিয়া ও বিজিবির এক সদস্য। আহদের উদ্ধারকরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা গ্রহন করেন। তাদের মধ্যে সোনা রতীর অবস্থা আশঙ্কাজনক।
দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের স্থানীয় ওয়ার্ড সদস্য শাহাজাহান আলী জানান, ভারত থেকে গরুপাচার করা গরু নিয়ে এসে ধর্মপুর গ্রামে জমা করে রাখে পাচারকারিরা।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ধাক্কাধাক্কি শুরু করে বিজিবি সদস্যরা।
এসময় সোনা রতী খাতুন এগিয়ে আসলে তার মাথায় আঘাত করে বিজিবি। এতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি।
এ খবর ছড়িয়ে পড়লে চোরাকারবারি ও গ্রামবাসী বিজিবির উপর চড়াও হয়। এক পর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। আহত হয় কয়েকজন।
দাঁতভাঙ্গা কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আঞ্জু আহমেদ বলেন, বিষয়টি ফোনে বলা যাবেনা। আপনাদের কাছে লোক পাঠাচ্ছি।
জামালপুর বিজিবির ৩৫ ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক শামছুল হকের মোবাইল ফোনে একাধিবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
এব্যাপারে রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি ) আব্দুল্লাহিল জামান জানান, ঘটনাটি শুনেছি, এ ঘটনায় কোনো পক্ষই অভিযোগ করেননি, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।


























