ঢাকা ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
লক্ষ্মীপুর বিসিক শিল্পনগরীর ২৯ বছরেও কাটেনি নানা সংকট আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের মধ্যে সম্পর্ক সুস্পস্ট: রিজভী নতুন আয়োজনে কুমার বিশ্বজিতের জনপ্রিয় গান ‘যেখানে সীমান্ত তোমার’ দাম্মাম বিমানবন্দরে হামলায় আহত ২ বাংলাদেশি সুস্থ রয়েছেন ওয়ানডেতে দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির বিশ্ব রেকর্ড হ্যারি ব্রুকের কাউনিয়ায় ডোবার পানিতে গড়িয়ে পড়া খেলনা গাড়ি তুলতে গিয়ে শিশুর মৃত্যু ব্যাটে-বলে বিশ্ব কাঁপানো ১০ অলরাউন্ডারের ক্রিকেট মহাকাব্য কাউনিয়ায় যুবদলের প্রস্তুস্তি সভা ছাত্র-ছাত্রীদের মানবিক মানুষ হওয়ার আহবান হারাগাছ অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে এসএসসি কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও অভিভাবক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে টোকিও থাকছেন না রাষ্ট্রদূত দাউদ আলী

অপসংস্কৃতি রোধ করে মানবিক ভালবাসা ছড়িয়ে পড়ুক সর্বত্র-শিশুবন্ধু মুহাম্মদ আলী

সুনামগঞ্জ থেকে আমির হোসেন
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৬:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৩১৫ বার পড়া হয়েছে

অপসংস্কৃতি রোধ করে মানবিক ভালবাসা ছড়িয়ে পড়ুক সর্বত্র - শিশুবন্ধু মুহাম্মদ আলী

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

১৪ ই ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। বিশ্বের অন‍্যান‍্য দেশের মতো বাংলাদেশেও এই দিবসটি পালন করা হয়।

এই দিবসটি কে কেন্দ্র করে তরুণ তরুণীদের মধ্যে আনন্দ -উচ্ছ্বাসের সমারোহ। দিবসটি ঘিরে বিচিত্র কিছু অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়ে থাকে। দিন – রাতভর চলে এই সব আয়োজনের ঝলকানি। জেনে নিন>>ভালোবাসা দিবস বা ভ‍্যালেন্টাইন ডে সম্পর্কে ইসলাম কি বলে?

এই দিবসে পশ্চিমা অপসংস্কৃতি ব‍্যাপক ভাবে সয়লাব। বাঙ্গালী জাতি হিসেবে দেশের অনেক বাঙ্গালী সংস্কৃতি বা জাতিগত যে বাঙ্গালী দিবস আছে সেই বিষয়ে অবগত থাকে না তাদের।

অথচ পশ্চিমাদের বিশ্ব ভালবাসা দিবস নামক অপসংস্কৃতি খুব ভালভাবেই উদযাপন করে থাকে যা বাঙ্গালী হিসেবে আমরা লজ্জিত।

আমরা বাঙ্গালী হিসেবে ৩৬৫ দিনই ভালবাসার। অথচ পশ্চিমাদের আগ্রাসনে আমরা কেবল এই ১৪ ফেব্রুয়ারি কে ভালবাসার বন্ধনে আবদ্ধ রেখে বাকি দিনগুলো ভালবাসাহীন করে রাখার অপকৌশল করে যাচ্ছি।

ভালবাসা দিবস আসলেই আমরা হিতাহিত জ্ঞানশুন‍্যে হয়ে ছুটতে থাকি উন্মাদনা বা বেহায়াপনার দিকে। পড়ুন>>আজ পহেলা ফাগুন, কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের ভাষায় ‘ফুল ফুটুক আর নাই ফুটুক, আজ বসন্ত’

অথচ আমরা একবারও গভীর ভাবে চিন্তা করে দেখছি না এই ভালবাসা দিবসের উৎপত্তি বা এর সঠিক ইতিহাস।

আমরা সবসময়ই একটা কমন কথা বলে থাকি আর তা-হলো বাংলাদেশে আমার ৯০% মুসলিম কিন্তু এই কথার কতটুকু ভিত্তি আমরা স্থাপন করতে পারছি তা কি আমাদের বোধ গম‍্য আছে?

সত্যিই যদি ৯০% মুসলমান আমরা বাংলাদেশে থেকে থাকি তাহলে পশ্চিমা বিশ্বের একটি অপ-সংস্কৃতি কে কিভাবে আকড়ে ধরে রাখছি। আসলে আমরা ৯০% মুসলিম হতে পারি করে কিন্তু ৯০% ইমানদার নয় আর তাই এই বেহায়াপনার দিকে ধুকে পড়ছি আমরা।

ভালবাসা শুধু কোন নির্দিষ্ট দিনে বন্ধী রাখার নয় ভালবাসা হলো মুক্ত আকাশের মতো ৩৬৫ দিনেরই। তরুণ তরুণীদের কাছে একজন আরেকজন কে নিয়ে পার্কে, সিনেমা হলে, হোটেল -রেস্টুরেন্টে গিয়ে সময় কাটানোর নাম হলো ভালবাসা। পড়ুন>>১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস নয় কাউ হাগ ডে পালনের নির্দেশ

আর এই বেহায়াপনা ভালবাসার কারণে অনেক তরুণ তরুণীর জীবনে অকালে অন্ধকার নেমে আসে ; তারপরও তারা এই অপসংস্কৃতি থেকে বেড়িয়ে আসছে না।

দিন দিন আরও বেশি অধপতন হচ্ছে। বাবা মায়ের প্রতি সন্তানের ভালবাসা, সন্তানের প্রতি বাবা মায়ের ভালবাসা, ভাই- বোনের প্রতি ভালবাসা, স্বামী স্ত্রীর প্রতি স্ত্রী স্বামীর প্রতি ভালবাসা হলো একটি পারিবারিক ভালবাসার মেল বন্ধন।

আবার প্রতিবেশীদের প্রতি ভালোবাসা, মানুষ হিসেবে আরেক মানুষের প্রতি ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ সহ এমনকি সমাজের অসহায় নির্যাতিত- নিপীড়িত মানুষের প্রতি দয়া দেখানো এক প্রকার ভালবাসা।

বর্তমানে বিশ্ব ভালবাসা নামক বেহায়াপনা কে রোধ করে ধর্মীয় চেতনা কে ধারণ করে মানবিক ভালবাসা সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে হবে।

কেননা ধর্মীয় ভাবে যেকোন বেহায়াপনার বিরুদ্ধে কঠোর ভাবে নিষেধ করা হয়েছে। আর তাই আমরা মুসলিম হিসেবে ধর্মীয় বিষয় গুলো গুরুত্ব দিয়ে তা পালন করা আমাদের জন্য ফরয।

এই বেহায়াপানা রোধ করতে ধর্মীয় অনুস্বাসনের কোন বিকল্প নাই।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

অপসংস্কৃতি রোধ করে মানবিক ভালবাসা ছড়িয়ে পড়ুক সর্বত্র-শিশুবন্ধু মুহাম্মদ আলী

আপডেট সময় : ০৬:৩৬:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

১৪ ই ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। বিশ্বের অন‍্যান‍্য দেশের মতো বাংলাদেশেও এই দিবসটি পালন করা হয়।

এই দিবসটি কে কেন্দ্র করে তরুণ তরুণীদের মধ্যে আনন্দ -উচ্ছ্বাসের সমারোহ। দিবসটি ঘিরে বিচিত্র কিছু অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়ে থাকে। দিন – রাতভর চলে এই সব আয়োজনের ঝলকানি। জেনে নিন>>ভালোবাসা দিবস বা ভ‍্যালেন্টাইন ডে সম্পর্কে ইসলাম কি বলে?

এই দিবসে পশ্চিমা অপসংস্কৃতি ব‍্যাপক ভাবে সয়লাব। বাঙ্গালী জাতি হিসেবে দেশের অনেক বাঙ্গালী সংস্কৃতি বা জাতিগত যে বাঙ্গালী দিবস আছে সেই বিষয়ে অবগত থাকে না তাদের।

অথচ পশ্চিমাদের বিশ্ব ভালবাসা দিবস নামক অপসংস্কৃতি খুব ভালভাবেই উদযাপন করে থাকে যা বাঙ্গালী হিসেবে আমরা লজ্জিত।

আমরা বাঙ্গালী হিসেবে ৩৬৫ দিনই ভালবাসার। অথচ পশ্চিমাদের আগ্রাসনে আমরা কেবল এই ১৪ ফেব্রুয়ারি কে ভালবাসার বন্ধনে আবদ্ধ রেখে বাকি দিনগুলো ভালবাসাহীন করে রাখার অপকৌশল করে যাচ্ছি।

ভালবাসা দিবস আসলেই আমরা হিতাহিত জ্ঞানশুন‍্যে হয়ে ছুটতে থাকি উন্মাদনা বা বেহায়াপনার দিকে। পড়ুন>>আজ পহেলা ফাগুন, কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের ভাষায় ‘ফুল ফুটুক আর নাই ফুটুক, আজ বসন্ত’

অথচ আমরা একবারও গভীর ভাবে চিন্তা করে দেখছি না এই ভালবাসা দিবসের উৎপত্তি বা এর সঠিক ইতিহাস।

আমরা সবসময়ই একটা কমন কথা বলে থাকি আর তা-হলো বাংলাদেশে আমার ৯০% মুসলিম কিন্তু এই কথার কতটুকু ভিত্তি আমরা স্থাপন করতে পারছি তা কি আমাদের বোধ গম‍্য আছে?

সত্যিই যদি ৯০% মুসলমান আমরা বাংলাদেশে থেকে থাকি তাহলে পশ্চিমা বিশ্বের একটি অপ-সংস্কৃতি কে কিভাবে আকড়ে ধরে রাখছি। আসলে আমরা ৯০% মুসলিম হতে পারি করে কিন্তু ৯০% ইমানদার নয় আর তাই এই বেহায়াপনার দিকে ধুকে পড়ছি আমরা।

ভালবাসা শুধু কোন নির্দিষ্ট দিনে বন্ধী রাখার নয় ভালবাসা হলো মুক্ত আকাশের মতো ৩৬৫ দিনেরই। তরুণ তরুণীদের কাছে একজন আরেকজন কে নিয়ে পার্কে, সিনেমা হলে, হোটেল -রেস্টুরেন্টে গিয়ে সময় কাটানোর নাম হলো ভালবাসা। পড়ুন>>১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস নয় কাউ হাগ ডে পালনের নির্দেশ

আর এই বেহায়াপনা ভালবাসার কারণে অনেক তরুণ তরুণীর জীবনে অকালে অন্ধকার নেমে আসে ; তারপরও তারা এই অপসংস্কৃতি থেকে বেড়িয়ে আসছে না।

দিন দিন আরও বেশি অধপতন হচ্ছে। বাবা মায়ের প্রতি সন্তানের ভালবাসা, সন্তানের প্রতি বাবা মায়ের ভালবাসা, ভাই- বোনের প্রতি ভালবাসা, স্বামী স্ত্রীর প্রতি স্ত্রী স্বামীর প্রতি ভালবাসা হলো একটি পারিবারিক ভালবাসার মেল বন্ধন।

আবার প্রতিবেশীদের প্রতি ভালোবাসা, মানুষ হিসেবে আরেক মানুষের প্রতি ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ সহ এমনকি সমাজের অসহায় নির্যাতিত- নিপীড়িত মানুষের প্রতি দয়া দেখানো এক প্রকার ভালবাসা।

বর্তমানে বিশ্ব ভালবাসা নামক বেহায়াপনা কে রোধ করে ধর্মীয় চেতনা কে ধারণ করে মানবিক ভালবাসা সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে হবে।

কেননা ধর্মীয় ভাবে যেকোন বেহায়াপনার বিরুদ্ধে কঠোর ভাবে নিষেধ করা হয়েছে। আর তাই আমরা মুসলিম হিসেবে ধর্মীয় বিষয় গুলো গুরুত্ব দিয়ে তা পালন করা আমাদের জন্য ফরয।

এই বেহায়াপানা রোধ করতে ধর্মীয় অনুস্বাসনের কোন বিকল্প নাই।

Facebook Comments Box