ঢাকা ০১:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানায় ১৪২টি পদে নিয়োগ: আবেদনের সময়সীমা ও বিস্তারিত তথ্য জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে কাতারের প্রয়াত আমির শেখ হামাদ বিন খলিফার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি মেসির দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে থেকেও জয় পেল না ইন্টার মায়ামি ইন্দোনেশিয়ার জাভা সাগরে ২৪০ যাত্রী নিয়ে নিখোঁজ জাহাজ কারা অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিদর্শক ও অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের নিয়োগ বাতিল সাম্প্রদায়িক বিভাজন নয়, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের প্রত্যয়ে নতুন ফোরামের যাত্রা শুরু নারী এশিয়া কাপের ফাইনালে মুখোমুখি ভারত ও শ্রীলঙ্কা: শিরোপার লড়াইয়ে মরিয়া দুই দল ইয়েমেনে সংঘাতের তীব্রতা বৃদ্ধি: সৌদি আরবে হুতিদের হামলা ও পাল্টা বিমান অভিযান এমবাপের জোড়ায় ৪-১ গোলে বড় জয় পেল রিয়াল মাদ্রিদ রাখাল থেকে কোটিপতি: টাঙ্গাইলের সখীপুরে বরই চাষে মোসলেমের অভাবনীয় সাফল্য

শিগগির পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

সৃষ্টি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৭:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

শিগগির পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

 

শারীরিক অসুস্থতাকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করে শিগগির রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে পারেন বলে দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্বাচিত এই রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগের জন্য বিএনপির উচ্চপর্যায় থেকে বার্তা দেওয়া হয়েছে এবং তার সম্ভাব্য উত্তরসূরি নিয়েও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে।

 

 

সরকার, বিরোধী দল ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা ও গ্রহণযোগ্যতাও তাই গুরুত্ব পাচ্ছে। সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, পদত্যাগ, মৃত্যু বা অপসারণের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হয়।

বঙ্গভবনকেন্দ্রিক একটি সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি নিজে তার অধস্তন কর্মীদের শিগগিরই বঙ্গভবন ছেড়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পদত্যাগ করার পর তিনি কিছু সময় বিশ্রামে থাকবেন এবং চিকিৎসার জন্য বিদেশেও যেতে পারেন। তবে এ বিষয়ে গতকাল পর্যন্ত বঙ্গভবন বা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

পড়ুন>> তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ কোটি ১৫ লাখ টাকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ

সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের কাছে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারেন। যদি পদ শূন্য হয়, তবে সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্পিকার সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। এরপর ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নতুন রাষ্ট্রপতির মেয়াদেই হওয়ার কথা থাকায় এই নিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তাঁর পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২০২৮ সালের এপ্রিলে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আমূল বদলে যায়।

নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে সরকার ও নীতিনির্ধারকদের বিবেচনায় রয়েছে রাজনৈতিক চাপ সামলানোর সক্ষমতা, অভিজ্ঞতা এবং গ্রহণযোগ্যতা। বর্তমানে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব পালনকারী একজন সচিবের নাম সম্ভাব্য পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় এসেছে। এর আগে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও আবদুল মঈন খানের নামও আলোচনায় ছিল। তবে খন্দকার মোশাররফ হোসেন এ বিষয়ে কোনো তথ্য জানেন না বলে জানিয়েছেন।

 

পড়ুন>>হরমুজ প্রণালিতে হামলার পরিণাম নিয়ে ইরানকে ট্রাম্পের নতুন হুঁশিয়ারি

২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল মো. সাহাবুদ্দিন বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তার ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা ছিল। এছাড়া গণ-অভ্যুত্থানের পর ছাত্রনেতারা তার অপসারণ দাবি করেছিলেন, যদিও অন্তর্বর্তী সরকার তাকে সরানোর কোনো উদ্যোগ নেয়নি। ২০১১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং এস আলম গ্রুপের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা নিয়ে বিভিন্ন সময় সমালোচনা হয়েছিল।

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

শিগগির পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

আপডেট সময় : ০৭:৫৭:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

 

শিগগির পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

 

শারীরিক অসুস্থতাকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করে শিগগির রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে পারেন বলে দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্বাচিত এই রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগের জন্য বিএনপির উচ্চপর্যায় থেকে বার্তা দেওয়া হয়েছে এবং তার সম্ভাব্য উত্তরসূরি নিয়েও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে।

 

 

সরকার, বিরোধী দল ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা ও গ্রহণযোগ্যতাও তাই গুরুত্ব পাচ্ছে। সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, পদত্যাগ, মৃত্যু বা অপসারণের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হয়।

বঙ্গভবনকেন্দ্রিক একটি সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি নিজে তার অধস্তন কর্মীদের শিগগিরই বঙ্গভবন ছেড়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পদত্যাগ করার পর তিনি কিছু সময় বিশ্রামে থাকবেন এবং চিকিৎসার জন্য বিদেশেও যেতে পারেন। তবে এ বিষয়ে গতকাল পর্যন্ত বঙ্গভবন বা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

পড়ুন>> তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ কোটি ১৫ লাখ টাকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ

সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের কাছে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারেন। যদি পদ শূন্য হয়, তবে সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্পিকার সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। এরপর ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নতুন রাষ্ট্রপতির মেয়াদেই হওয়ার কথা থাকায় এই নিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তাঁর পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২০২৮ সালের এপ্রিলে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আমূল বদলে যায়।

নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে সরকার ও নীতিনির্ধারকদের বিবেচনায় রয়েছে রাজনৈতিক চাপ সামলানোর সক্ষমতা, অভিজ্ঞতা এবং গ্রহণযোগ্যতা। বর্তমানে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব পালনকারী একজন সচিবের নাম সম্ভাব্য পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় এসেছে। এর আগে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও আবদুল মঈন খানের নামও আলোচনায় ছিল। তবে খন্দকার মোশাররফ হোসেন এ বিষয়ে কোনো তথ্য জানেন না বলে জানিয়েছেন।

 

পড়ুন>>হরমুজ প্রণালিতে হামলার পরিণাম নিয়ে ইরানকে ট্রাম্পের নতুন হুঁশিয়ারি

২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল মো. সাহাবুদ্দিন বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তার ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা ছিল। এছাড়া গণ-অভ্যুত্থানের পর ছাত্রনেতারা তার অপসারণ দাবি করেছিলেন, যদিও অন্তর্বর্তী সরকার তাকে সরানোর কোনো উদ্যোগ নেয়নি। ২০১১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং এস আলম গ্রুপের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা নিয়ে বিভিন্ন সময় সমালোচনা হয়েছিল।

 

 

Facebook Comments Box