জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে এনসিপি নেতা নুরুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা
- আপডেট সময় : ১১:১২:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় জমি দখল, চাঁদা দাবি এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফি, তার বাবা এ বি এম হাবিবুর রহমান এবং বড় ভাই মো. মামুনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) কলাপাড়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেছেন খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, গত ১১ জুলাই সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আসামিরা ভেকু মেশিন, ভ্যান, কোদাল ও নির্মাণসামগ্রী নিয়ে বিদ্যালয়ের জমিতে প্রবেশ করেন। সেখানে মাটি কেটে জোরপূর্বক চলাচলের রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা করেন তারা। খবর পেয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কয়েকজন শিক্ষককে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসামিরা তাদের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এ সময় আসামিরা শিক্ষকদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, প্রায় ছয় শতাংশ জমির মাটি কেটে রাস্তা তৈরি করায় বিদ্যালয়ের প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
বাদী আব্দুর রহিম জানান, বিদ্যালয়ের জমি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দখলে রয়েছে এবং বিষয়টি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর বাধ্য হয়ে আদালতের শরণাপন্ন হতে হয়েছে।
তবে নুরুজ্জামান কাফি তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, চাঁদাবাজি, প্রাণনাশের হুমকি ও জমি দখলের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তার ভাষ্যমতে, তিনি যে জমিতে রাস্তা নির্মাণ করেছেন সেটি বৈধভাবে কেনা এবং জমির বিক্রেতারা উচ্চ আদালতসহ তিনটি আদালতে রায় পেয়েছেন। কাফি আরও জানান, তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং আদালতের নিরপেক্ষ তদন্তে সত্য বেরিয়ে আসবে বলে বিশ্বাস করেন। এছাড়া বিরোধপূর্ণ জমির মালিক নিজে হওয়া সত্ত্বেও বাবা ও পরিবারের সদস্যদের আসামি করাকে তিনি অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. ফেরদৌস মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, আদালত মামলাটি নথিভুক্ত করেছেন এবং তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। তদন্ত শেষে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ


























