ঢাকা ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি মূল্যে এলপিজি বিক্রি নিশ্চিতের নির্দেশ, অমান্যে কঠোর হুঁশিয়ারি সিলেটে হামের উপসর্গে ১৭ বছর বয়সী কিশোরের মৃত্যু সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি: ইসি সচিব এক কাপ কফির নেপথ্যে: কৃষকের শ্রম থেকে ভোক্তার টেবিল দিনাজপুরের বিরামপুরে পানিতে ডুবে দুই শিশুর প্রাণহানি পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রে ২০০ জনের নিয়োগ কাতারে স্বল্প আয়ের পরিবারের সহায়তায় রফিক ও কাতার চ্যারিটির শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের ফাইনালে ভারত ভূরুঙ্গামারীতে পিপিআর রোগের বিনামূল্যে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন

ভূরুঙ্গামারীতে দিগন্ত জোড়া ফসলের মাঠে হলুদের স্বপ্ন দেখছে কৃষক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৪:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২০ ৬২৬ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

সৃষ্টি ডেস্ক: কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে দিগন্ত জোড়া ফসলের মাঠে সরিষা ফুলের হলুদের সমারোহ চলছে। সরিষা ফুলের হলুদ রাজ্যে মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত ফসলের মাঠ ।  হলুদের সমারোহে সজ্জিত সরিষার  ফুলে  দোল খাচ্ছে কৃষকের রঙিন স্বপ্ন। চলতি মৌসুমে সরিষা চাষের নির্ধারিত লক্ষ্য মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে।
সরিষা কেটে ওই জমিতে আবার বোরো আবাদ করা যায়। এতে কৃষিজমির সর্বাধিক ব্যবহার নিশ্চিত হয়। একসময় কৃষকরা আমন ধান কাটার পর জমি পতিত ফেলে রাখতো। সময়ের সাথে সাথে তা পুরোটাই পাল্টে গেছে। আমন ধান কাটার পর জমিতে সরিষা লাগাতে হয়। যা মাত্র  ৮০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যেই ফসল কৃষক ঘরে তুলতে পারেন। তাই তারা দুটি ফসলের মাঝে  সরিষাকে বোনাস ফসল হিসেবে দেখছেন।

 

 

 

উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ও   কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, দেশের অন্যতম একটি তৈল ও মসলা জাতীয় খাদ্যের নাম সরিষা। সরিষা চাষ খুবই লাভজনক ফসল অতি অল্প সময়ে, অল্প পুজিতে কৃষকরা লাভবান হন তাই অধিকাংশ কৃষক এখন সরিষা চাষের দিকে ঝুকছেন।এক বিঘা (৩৩শতাংশ) জমিতে সরিষা আবাদ করতে খরচ হয় দেড় থেকে দুই হাজার টাকা। যদি সঠিক ভাবে পরিচর্চা করা যায় তাহলে প্রতি বিঘায় ফলন হয় ৫ থেকে  ৬ মণ সরিষা।
উপজেলার পশ্চিম ছাট গোপালপুর গ্রামের  চাষি আব্দুল সাত্তার জানান, দুই বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছি। প্রতি বিঘা জমিতে দেড় হাজার টাকা করে ব্যয় হয়েছে। সরিষার ফুলে খেত ভরে গেছে। ফলন ভালো হলে বিঘাপ্রতি  পাঁচ থেকে ছয়  মণ সরিষা  পাওয়া যাবে। বাজার ভালো পেলে প্রতি মণ ১৫-১৮শ টাকা বিক্রি হবে।

 

 

উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের গছিডাঙ্গা গ্রামের কৃষক এরশাদ জানান, আমন ধান কাটার পর দুই বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছি। আশা করছি  বেশ ভাল ফলন হবে। এই সরিষা বিক্রি করে বোরো আবাদের তেল ও সার কেনার টাকা জোগাড় হয়ে যাবে।

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানাগেছে, চলতি মৌসুমে  উপজেলার   ১০টি ইউনিয়নে ১ হাজার ৬ শত ৫৪ হেক্টর  জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সরিষা চাষ  হয়েছে ২ হাজার ২৮৫ হেক্টর।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বলেন, সরিষা মূলত একটি মসলা জাতীয় ফসল। স্বল্প সময়ের মধ্যে কৃষককে অধিক ফলন পেতে নানা ভাবে পরামর্শ  দেওয়া হচ্ছে।  যাতে কৃষকের কোন সমস্যার সৃষ্টি না হয়। আশা করছি প্রাকৃতিক কোন বিপর্যয় না ঘটলে এবার সরিষার বাম্পার ফলন হবে।

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভূরুঙ্গামারীতে দিগন্ত জোড়া ফসলের মাঠে হলুদের স্বপ্ন দেখছে কৃষক

আপডেট সময় : ০৫:১৪:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২০

 

 

সৃষ্টি ডেস্ক: কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে দিগন্ত জোড়া ফসলের মাঠে সরিষা ফুলের হলুদের সমারোহ চলছে। সরিষা ফুলের হলুদ রাজ্যে মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত ফসলের মাঠ ।  হলুদের সমারোহে সজ্জিত সরিষার  ফুলে  দোল খাচ্ছে কৃষকের রঙিন স্বপ্ন। চলতি মৌসুমে সরিষা চাষের নির্ধারিত লক্ষ্য মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে।
সরিষা কেটে ওই জমিতে আবার বোরো আবাদ করা যায়। এতে কৃষিজমির সর্বাধিক ব্যবহার নিশ্চিত হয়। একসময় কৃষকরা আমন ধান কাটার পর জমি পতিত ফেলে রাখতো। সময়ের সাথে সাথে তা পুরোটাই পাল্টে গেছে। আমন ধান কাটার পর জমিতে সরিষা লাগাতে হয়। যা মাত্র  ৮০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যেই ফসল কৃষক ঘরে তুলতে পারেন। তাই তারা দুটি ফসলের মাঝে  সরিষাকে বোনাস ফসল হিসেবে দেখছেন।

 

 

 

উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ও   কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, দেশের অন্যতম একটি তৈল ও মসলা জাতীয় খাদ্যের নাম সরিষা। সরিষা চাষ খুবই লাভজনক ফসল অতি অল্প সময়ে, অল্প পুজিতে কৃষকরা লাভবান হন তাই অধিকাংশ কৃষক এখন সরিষা চাষের দিকে ঝুকছেন।এক বিঘা (৩৩শতাংশ) জমিতে সরিষা আবাদ করতে খরচ হয় দেড় থেকে দুই হাজার টাকা। যদি সঠিক ভাবে পরিচর্চা করা যায় তাহলে প্রতি বিঘায় ফলন হয় ৫ থেকে  ৬ মণ সরিষা।
উপজেলার পশ্চিম ছাট গোপালপুর গ্রামের  চাষি আব্দুল সাত্তার জানান, দুই বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছি। প্রতি বিঘা জমিতে দেড় হাজার টাকা করে ব্যয় হয়েছে। সরিষার ফুলে খেত ভরে গেছে। ফলন ভালো হলে বিঘাপ্রতি  পাঁচ থেকে ছয়  মণ সরিষা  পাওয়া যাবে। বাজার ভালো পেলে প্রতি মণ ১৫-১৮শ টাকা বিক্রি হবে।

 

 

উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের গছিডাঙ্গা গ্রামের কৃষক এরশাদ জানান, আমন ধান কাটার পর দুই বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছি। আশা করছি  বেশ ভাল ফলন হবে। এই সরিষা বিক্রি করে বোরো আবাদের তেল ও সার কেনার টাকা জোগাড় হয়ে যাবে।

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানাগেছে, চলতি মৌসুমে  উপজেলার   ১০টি ইউনিয়নে ১ হাজার ৬ শত ৫৪ হেক্টর  জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সরিষা চাষ  হয়েছে ২ হাজার ২৮৫ হেক্টর।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বলেন, সরিষা মূলত একটি মসলা জাতীয় ফসল। স্বল্প সময়ের মধ্যে কৃষককে অধিক ফলন পেতে নানা ভাবে পরামর্শ  দেওয়া হচ্ছে।  যাতে কৃষকের কোন সমস্যার সৃষ্টি না হয়। আশা করছি প্রাকৃতিক কোন বিপর্যয় না ঘটলে এবার সরিষার বাম্পার ফলন হবে।

 

 

Facebook Comments Box