ভূরুঙ্গামারীতে দিগন্ত জোড়া ফসলের মাঠে হলুদের স্বপ্ন দেখছে কৃষক : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
ভূরুঙ্গামারীতে দিগন্ত জোড়া ফসলের মাঠে হলুদের স্বপ্ন দেখছে কৃষক : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
স্বেচ্ছাশ্রমে পাট কেটে, ধানের চারা রোপণ করলেন আনসার-ভিডিপি সদস্যরা ভূরুঙ্গামারীতে কামড়ে পালানোর চেষ্টা করেও পুলিশ-বিজিবির হাতে ধরা গাঁজাচাষী ভূরুঙ্গামারীতে মাদক বিরোধী মানববন্ধন দৌলতপুর উপজেলা প্রশাসন ও শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে ৩দিন ব্যাপি নজরুল বর্ষ উৎপাদন এক বছরে দৃশ্যমান পরিবর্তন, দ্বিতীয় মেয়াদে বলদিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম কাউনিয়ায় কলেজছাত্রী ধর্ষণ মামলায় যুবক গ্রেফতার কাউনিয়ায় বিলের পদ্ম ফুলের সৌন্দর্যে চোখ আটকে যাচ্ছে দর্শণার্থীদের বরিশালে নাতির লাথিতে প্রাণ গেল নানির ব্রিটেনে বিশ্বনাথের ইছমাইল উদ্দিনের ব্যাচেলর ডিগ্রী অর্জন পর্তুগাল থেকে দেশে ফিরে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনায় সিক্ত হলেন তালুকদার গিয়াস উদ্দিন

ভূরুঙ্গামারীতে দিগন্ত জোড়া ফসলের মাঠে হলুদের স্বপ্ন দেখছে কৃষক

সৃষ্টি ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : শনিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২০

 

 

সৃষ্টি ডেস্ক: কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে দিগন্ত জোড়া ফসলের মাঠে সরিষা ফুলের হলুদের সমারোহ চলছে। সরিষা ফুলের হলুদ রাজ্যে মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত ফসলের মাঠ ।  হলুদের সমারোহে সজ্জিত সরিষার  ফুলে  দোল খাচ্ছে কৃষকের রঙিন স্বপ্ন। চলতি মৌসুমে সরিষা চাষের নির্ধারিত লক্ষ্য মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে।
সরিষা কেটে ওই জমিতে আবার বোরো আবাদ করা যায়। এতে কৃষিজমির সর্বাধিক ব্যবহার নিশ্চিত হয়। একসময় কৃষকরা আমন ধান কাটার পর জমি পতিত ফেলে রাখতো। সময়ের সাথে সাথে তা পুরোটাই পাল্টে গেছে। আমন ধান কাটার পর জমিতে সরিষা লাগাতে হয়। যা মাত্র  ৮০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যেই ফসল কৃষক ঘরে তুলতে পারেন। তাই তারা দুটি ফসলের মাঝে  সরিষাকে বোনাস ফসল হিসেবে দেখছেন।

 

 


 

উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ও   কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, দেশের অন্যতম একটি তৈল ও মসলা জাতীয় খাদ্যের নাম সরিষা। সরিষা চাষ খুবই লাভজনক ফসল অতি অল্প সময়ে, অল্প পুজিতে কৃষকরা লাভবান হন তাই অধিকাংশ কৃষক এখন সরিষা চাষের দিকে ঝুকছেন।এক বিঘা (৩৩শতাংশ) জমিতে সরিষা আবাদ করতে খরচ হয় দেড় থেকে দুই হাজার টাকা। যদি সঠিক ভাবে পরিচর্চা করা যায় তাহলে প্রতি বিঘায় ফলন হয় ৫ থেকে  ৬ মণ সরিষা।
উপজেলার পশ্চিম ছাট গোপালপুর গ্রামের  চাষি আব্দুল সাত্তার জানান, দুই বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছি। প্রতি বিঘা জমিতে দেড় হাজার টাকা করে ব্যয় হয়েছে। সরিষার ফুলে খেত ভরে গেছে। ফলন ভালো হলে বিঘাপ্রতি  পাঁচ থেকে ছয়  মণ সরিষা  পাওয়া যাবে। বাজার ভালো পেলে প্রতি মণ ১৫-১৮শ টাকা বিক্রি হবে।

 


 

উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের গছিডাঙ্গা গ্রামের কৃষক এরশাদ জানান, আমন ধান কাটার পর দুই বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছি। আশা করছি  বেশ ভাল ফলন হবে। এই সরিষা বিক্রি করে বোরো আবাদের তেল ও সার কেনার টাকা জোগাড় হয়ে যাবে।

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানাগেছে, চলতি মৌসুমে  উপজেলার   ১০টি ইউনিয়নে ১ হাজার ৬ শত ৫৪ হেক্টর  জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সরিষা চাষ  হয়েছে ২ হাজার ২৮৫ হেক্টর।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বলেন, সরিষা মূলত একটি মসলা জাতীয় ফসল। স্বল্প সময়ের মধ্যে কৃষককে অধিক ফলন পেতে নানা ভাবে পরামর্শ  দেওয়া হচ্ছে।  যাতে কৃষকের কোন সমস্যার সৃষ্টি না হয়। আশা করছি প্রাকৃতিক কোন বিপর্যয় না ঘটলে এবার সরিষার বাম্পার ফলন হবে।

 



 

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!