ভূরুঙ্গামারীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত দেড়শ একর বেগুন ক্ষেত: হতাশ কৃষকরা
- আপডেট সময় : ০৯:৫৬:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২৫০৯ বার পড়া হয়েছে
ভূরুঙ্গামারীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত দেড়শ একর বেগুন ক্ষেত: হতাশ কৃষকরা
ভূরুঙ্গামারীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত দেড়শ একর বেগুন ক্ষেত: হতাশ কৃষকরা।
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার দুধকুমার নদীর তীরবর্তী এলাকায় টানা ভারি বর্ষণে বেগুনসহ নানা ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কয়েকদিনের প্রবল বর্ষণে নদীর পানি উপচে মাঠে ঢুকে পড়ায় বেগুন ক্ষেতের পাশাপাশি ধান, তিল ও বিভিন্ন ফসল ও সবজির ক্ষেত ডুবে নষ্ট হতে শুরু করেছে। এতে চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় কৃষকরা। এ অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ জানান।
পড়ুন>> আদমদীঘিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল পাচার: নারী আটক সঙ্গে গোডাউন সিলগালা
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল জব্বার ও উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম ও জামিল হোসেন ও সাংবাদিক ও সচেতন নাগরিক মোঃ মাইদুল ইসলামসহ সরেজমিনে তদন্তে যান। তারা চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের সামাদের ঘাট এলাকায় গিয়ে নৌকাযোগে নদীর ওপারে কৃষকের সঙ্গে কথা বলেন।
কৃষকরা জানান, চারা রোপণের কিছুদিনের মধ্যেই প্রবল বর্ষণে নদীর পানি উপচে তাদের জমি তলিয়ে যায়। বর্তমানে কোথাও কোথাও পানি নেমে গেলেও চারাগুলো মরে যাচ্ছে, আবার অনেক জমি এখনো পানির নিচে ডুবে রয়েছে। ফলে নতুন করে চাষের আর কোনো সুযোগ নেই।
স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত এই বেগুন শুধু স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে না, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও সরবরাহ করা হয়। গত বছর এ বেগুন চাষে লাভবান হলেও এ বছর তারা চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এছাড়া জমি ঘাসে ঢেকে ফসল নষ্ট হচ্ছে এবং সার সংকটও দেখা দিয়েছে বলে কৃষকরা অভিযোগ করেন।
পড়ুন>>পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ের উদ্বোধন
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে রয়েছেন নুর আলম, দেলদার, এনামুল, মন্তাজ মিয়া, আইয়ুব আলী, আকবর, আলতাফ, বাচ্চু, আশরাফুল, রফিকুল দোকানদার, আফসার মুন্সি, আব্দুল্লাহ, মিজানুর, দুলু, ফেরদৌস ঘাইটাল ও হযরতসহ আরও অনেকে। এছাড়াও শত শত কৃষকের জমিতে একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল জব্বার বলেন, “এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। এতে প্রায় ৫২ হেক্টর জমি নিমজ্জিত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা অফিস থেকে প্রস্তুত করা হবে। দেশের যেসব জায়গায় নতুন চারা আছে, সেখানে যোগাযোগের মাধ্যমে সহযোগিতা দেওয়া হবে।
এছাড়া পর্যাপ্ত সার মজুত রয়েছে, কৃষকরা চাহিদা অনুযায়ী তা পাবেন। যদি কোনো বিক্রেতা সরকারের নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে সার বিক্রি করে, তাহলে তথ্য দিলে সে বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

























