কাতারের সুক ওয়াকিফে বাজপাখির বেচাকেনা তুঙ্গে, বিক্রি বেড়েছে ৬০ শতাংশ : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
কাতারের সুক ওয়াকিফে বাজপাখির বেচাকেনা তুঙ্গে, বিক্রি বেড়েছে ৬০ শতাংশ : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০১:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কাপ্তাইয়ে পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড বসানোর সিদ্ধান্ত ময়মনসিংহের ত্রিশালে ট্রাক ও সিএনজি সংঘর্ষে দুইজনের প্রাণহানি নেপালে বন্যার পর উত্তরাখন্ডে ১৩টি হিমবাহ হ্রদ নিয়ে সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও বোয়িং উড়োজাহাজ কিনবে বাংলাদেশ: ট্রাম্প-তারেক রহমানের নতুন চুক্তি মানবতাবিরোধী অপরাধ: আবুল কালাম আযাদের আপিল শুনানির আদেশ ৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ২০ পদে নিয়োগ: আবেদনের নিয়ম ও সময়সীমা নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়াতে প্যারিসে কাতারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফরাসি মন্ত্রীর বৈঠক লা লিগায় টানা তৃতীয় জয়: মালাগাকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে উড়ছে মরিনিওর রিয়াল জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে বিরোধী দলকে কমিটিতে আসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আজ ৩১ আগস্ট; দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা: কমতে পারে তাপমাত্রা

কাতারের সুক ওয়াকিফে বাজপাখির বেচাকেনা তুঙ্গে, বিক্রি বেড়েছে ৬০ শতাংশ

সৃষ্টি আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশিত : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬

 

কাতারের সুক ওয়াকিফে বাজপাখির বেচাকেনা তুঙ্গে, বিক্রি বেড়েছে ৬০ শতাংশ

 

কাতারের ঐতিহ্যবাহী সুক ওয়াকিফ বাজারের ফ্যালকন মার্কেটে এখন ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় কর্তৃক আগামী সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পরিযায়ী পাখি শিকারের মৌসুম ঘোষণা করার পর থেকেই বাজারে বাজপাখির চাহিদা ব্যাপক হারে বেড়েছে। ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, গত সময়ের তুলনায় বর্তমানে বাজপাখির বিক্রি প্রায় ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

 

 

কাতার ছাড়াও সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো প্রতিবেশী দেশগুলোর ক্রেতারা শিকার মৌসুমের প্রস্তুতি হিসেবে এখন থেকেই পাখি সংগ্রহ করছেন। অনেকে সশরীরে দোকানে এসে কেনার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমেও অর্ডার করছেন, যা ব্যবসায়ীরা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে অন্য দেশে পৌঁছে দিচ্ছেন।

 

পড়ুন>>জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর

বাজারে বিভিন্ন জাতের বাজপাখির দাম মূলত সেগুলোর গুণগত মান ও ধরনের ওপর নির্ভর করে। শাহিন ফ্যালকনের দাম ৩০ হাজার রিয়াল থেকে শুরু হয় এবং গারফ্যালকনের দাম প্রায় ২০ হাজার রিয়াল। এছাড়া গার-শাহিন হাইব্রিড ফ্যালকনের দাম অন্তত ৫০ হাজার রিয়াল থেকে শুরু হয়। সাশ্রয়ী দামের মধ্যে ওয়াকরি বা ল্যানার ফ্যালকন ২ হাজার ৫০০ থেকে ৫ হাজার রিয়ালের মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। সুদানি ওয়াকরি ফ্যালকনের দাম প্রায় ২ হাজার রিয়াল, ব্রিটিশ গারমুশা ফ্যালকন ৪ হাজার রিয়াল এবং স্প্যানিশ গারফ্যালকন ১০ হাজার রিয়াল থেকে শুরু হচ্ছে।

বাজপাখির পাশাপাশি শিকারের বিভিন্ন সরঞ্জাম ও উপকরণের চাহিদাও তুঙ্গে। সাধারণ মানের হাতমোজা ৫০ রিয়াল থেকে শুরু হলেও আমদানিকৃত ডাচ মডেলের হাতমোজার দাম ৫০০ রিয়াল পর্যন্ত হয়ে থাকে।

পড়ুন>>বিপিএলের বর্তমান মডেল নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিদের অসন্তোষ, পরিবর্তনের দাবি

এছাড়া হুড ৩০ থেকে ১৫০ রিয়াল, বহন করার বাক্স ৬০ থেকে ৭০ রিয়াল এবং জার্মান প্রযুক্তির উন্নত মানের বাইনোকুলারের দাম ২ হাজার ৮০০ রিয়াল থেকে শুরু হয়। দোকানে ছুরি, জাল, পাখির স্ট্যান্ড এবং শিকারের পোশাকসহ প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জামই সাজিয়ে রাখা হয়েছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, নতুন কেনা বাজপাখিকে শিকারের উপযোগী করে তোলার জন্য সাধারণত ১৫ দিন পর্যন্ত বিশেষ প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হয়। নতুন মালিকের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়া এবং শিকারের সময় সঠিকভাবে পারফর্ম করার জন্য এই প্রশিক্ষণ অত্যন্ত জরুরি। তবে ক্রেতাদের সুবিধার জন্য আগে থেকেই প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পাখিও বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।

 

আগামী সেপ্টেম্বর মাস থেকে ইরান, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ইরাক ও সিরিয়া থেকে বাজপাখির নতুন চালান আসার কথা রয়েছে। ফলে সামনের মাসগুলোতে বাজারের এই চাঙ্গা ভাব আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!