শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বোরো ক্ষেতে কারেন্ট পোকা ও মাজরা পোকার আক্রমণ; ধানের মরা শীষ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক
- আপডেট সময় : ০৮:০৫:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫ ১৬৪ বার পড়া হয়েছে
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বোরো ক্ষেতে সুলসুলি ও মাজরা পোকার আক্রমণ; ধানের মরা শীষ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক
শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার উত্তর দাড়িয়ারপাড়, খৈলকুড়া, নলকুড়া, বন্ধভাটপাড়া, ডেফলাইসহ উপজেলার চলতি বোরো আবাদের বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলের মাঠে ব্যাপক কারেন্ট ও মাজরা পোকার আক্রমণে ধানক্ষেত শুকিয়ে যাচ্ছে এবং মরা শীষ বের হচ্ছে।
এতে চিটা হয়ে যাওয়ায় ধানের ফলন কম হওয়ার আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। উপজেলা কৃষি অফিসার ফরহাদ হোসেন বলেন, চলতি বোরো মৌসুমে ঝিনাইগাতি উপজেলায় ১৪,৬০৬ হেক্টর জমিতে বোরোধান আবাদ হয়েছে। জলবায়ু ও আবহাওয়া পরিবর্তন জনিত কারনে মাজরা পোকার আক্রমণ শেরপুরসহ অন্যান্য স্হানেও বিগত বছরের তুলনায় বেশি।
ঝিনাইগাতিসহ শেরপুর জেলায় প্রায় ৭০% জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের হাইব্রিড ধান আবাদ হয়। উচ্চ ফলনশীল জাতের হাইব্রিড ধানে মাজরা পোকা আক্রমণ বেশি করে। উষ্ণ ও আর্দ্রযুক্ত আবহাওয়া অর্থাৎ ৮০-৯০% আপেক্ষিক আর্দ্রতা এই পোকার সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য উপযুক্ত।
পড়ুন>> পাট চাষ পদ্ধতি
এই বছর বোরো মৌসুমে অনুকুল আবহাওয়া বিরাজ করেছে তাই আক্রমণ বেশি। যদি প্রতি একর জমিতে শতকরা ৫-৮ ভাগের বেশি মরা শীষ বের হয় তাহলে ফলন কম হওয়ার আশঙ্খা রয়েছে। তাই সাদা শীষ দেখলেই ভয় পাওয়ার কারন নেই। ২-৮% সাদা শীষ থাকলেও ফলনে কোন প্রভাব পড়ে না।
ফসলের মাঠে রোগ বালাই দেখা দিলে উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের সাথে পরামর্শ করে ভালো কোম্পানির কীটনাশক প্রয়োগ করার জন্য কৃষক প্রশিক্ষণ, মাঠ দিবস ও উঠান বৈঠকে আমরা পরামর্শ দিয়ে থাকি।
এছাড়াও মাঠ পর্যায়ে উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা সরেজমিনে ফসলের মাঠ পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন।

























