মহাকাশে আটকা আছেন দুই নভোচারী : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
মহাকাশে আটকা আছেন দুই নভোচারী : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কক্সবাজারে প্রমোদতরি ডুবির ঘটনায় নিউজিল্যান্ডের কিশোরের উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত চাকরি ছেড়ে টিকটকে ক্যারিয়ার: বাস্তবতা ও সাফল্যের নতুন সমীকরণ ইরানের সঙ্গে আলোচনায় তাড়াহুড়ো নেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেত্রকোনায় ডেপুটি স্পিকারের উদ্যোগে লাগানো ৩৫টি গাছের চারা উপড়ে ফেলল দুর্বৃত্তরা নেপালে আকস্মিক বন্যায় ১৭ জনের প্রাণহানি, নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটক ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসন ঠেকাতে জাতীয় রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান আইনমন্ত্রীর নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে মোদির বাসভবনের পাশের ৭০০ পরিবারকে উচ্ছেদের নির্দেশ হাইকোর্টের প্রতারণার মামলায় কারাগারে এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিক কেন ইংল্যান্ডে ফিরতে নারাজ আলভারেজ? বার্সেলোনায় যাওয়ার পেছনে রয়েছে পারিবারিক কারণ প্রথম ফরাসি নারী হিসেবে মহাকাশে স্পেসওয়াকের ইতিহাস গড়লেন সোফি আদেনো

মহাকাশে আটকা আছেন দুই নভোচারী

সৃষ্টি প্রযুক্তি ডেস্ক
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৪
মহাকাশে আটকা আছেন দুই নভোচারী

মহাকাশে আটকা আছেন দুই নভোচারী

মহাকাশে আটকা আছেন দুই নভোচারী। কথা ছিল ১৫ দিনের মধ্যে ফিরে আসবেন। তবে যানের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে তারা আসতে পারেনি। আগামী ফেব্রুয়ারির আগে মহাকাশ স্টেশন থেকে পৃথিবীতে ফিরতে পারবেন না সুনীতা উইলিয়মস, বুচ উইলমোররা। মাঝে দীর্ঘ ছয় মাস।

এতদিন সেখানে কীভাবে দিন কাটাবেন, তা নিয়ে বিস্তর আলোচনা, গুঞ্জন চলছে। এরই মধ্যে খবর এসেছে যে, নভোচারীদের শরীরের লোহিত রক্ত কণিকার হার কমছে। তাদের পেশি ও হাড়ের ক্ষমতা কমছে।

সময় যত এগোচ্ছে, আশঙ্কাও বাড়ছে। দীর্ঘদিন ধরে মহাকাশে আটকে থাকায় শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে সুনীতা ও বুচের। শরীরের ওপর অভিকর্ষের নিরবচ্ছিন্ন টান না থাকায় মহাকাশে মানবদেহের পেশি ও হাড়ের ঘনত্ব দ্রুত হ্রাস পেতে থাকে। দুই সপ্তাহ পরেই পেশির ঘনত্ব ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। ছয় মাস থাকলে তা ৩০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।

এছাড়া মহাকাশে থাকলে দ্রুত হারে কমতে থাকে লাল রক্তকণিকার পরিমাণ। সেক্ষেত্রে দেখা দিতে পারে রক্তস্বল্পতার মতো শারীরিক সমস্যারও।

গবেষণা বলছে, মহাকাশে থাককালীন নভোচরের প্রতি সেকেন্ডে ২ লাখের বদলে ৩ লাখ লোহিত কণিকা ধ্বংস হয়ে যায়। আড়াই মাসের বেশি সময় ধরে মহাকাশেই রয়েছেন সুনীতা ও বুচ।

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার দাবি, চিন্তার কারণ নেই। অক্সিজেন, খাবার, পানি আর জামাকাপড় নিয়ে ইতিমধ্যেই কার্গো ফ্লাইট উড়ে গিয়েছে সেখানে। হাতের কাছে সব প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পেয়ে যাবেন আটকে থাকা মহাকাশ বিজ্ঞানীরা।

নাসা সূত্রে খবর, দুটি পণ্যবাহী মহাকাশযান পাঠানো হয়েছে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে। তার মধ্যে একটিতে ৮ হাজার ২০০ পাউন্ডের খাবার, পানি ও দরকারি জিনিসপত্র রয়েছে। আরেকটিতে ঠাসা তিন টন সামগ্রী।

এছাড়া স্পেস স্টেশনে এখন সুনীতাদের হাতেই ফলছে সবজি। ফলে খাবারের অভাব হওয়ার কোনো কারণ নেই। মহাশূন্যে কৃষিকাজ নিয়ে সুনীতা আর বুচ এখন গবেষণায় ব্যস্ত। কীভাবে আরো ভালোভাবে ফসল ফলানো যায়, তা নিয়ে। নাসার দাবি, শূন্যে ঝুলেও সুস্থভাবে থাকার জন্য স্পেস স্টেশনে জিম তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে তারা হালকা ব্যায়াম, শরীরচর্চা করে নিতে পারেন। তাই ভালোভাবেই তারা থাকতে পারবেন বলে দাবি নাসার।

এর আগে ২০০৬ ও ২০১২ সালে মহাকাশ অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন সুনীতা। সব মিলিয়ে ৩২২ দিন মহাকাশে কাটানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। হাড় ও পেশির ক্ষয় রোধে প্রতি দিন কয়েক ঘণ্টা করে ব্যায়াম করছেন তারা।

তাদের স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখছেন চিকিৎসকরা। নাসার রিপোর্ট অনুযায়ী প্রতি দিন কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা ঘুমাচ্ছেন সুনীতা ও বুচ। তাদের ওজন যাতে না কমে যায় তার জন্য ব্যবস্থা রয়েছে পুষ্টিকর খাবার ও পানীয়ের।  সুত্র- আনন্দবাজার পত্রিকা ও ইন্ডিয়া টুডে

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!