মঙ্গলের মাধ্যাকর্ষণে চলছে’ পৃথিবীর সমুদ্র স্রোত? : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
মঙ্গলের মাধ্যাকর্ষণে চলছে’ পৃথিবীর সমুদ্র স্রোত? : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কক্সবাজারে প্রমোদতরি ডুবির ঘটনায় নিউজিল্যান্ডের কিশোরের উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত চাকরি ছেড়ে টিকটকে ক্যারিয়ার: বাস্তবতা ও সাফল্যের নতুন সমীকরণ ইরানের সঙ্গে আলোচনায় তাড়াহুড়ো নেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেত্রকোনায় ডেপুটি স্পিকারের উদ্যোগে লাগানো ৩৫টি গাছের চারা উপড়ে ফেলল দুর্বৃত্তরা নেপালে আকস্মিক বন্যায় ১৭ জনের প্রাণহানি, নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটক ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসন ঠেকাতে জাতীয় রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান আইনমন্ত্রীর নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে মোদির বাসভবনের পাশের ৭০০ পরিবারকে উচ্ছেদের নির্দেশ হাইকোর্টের প্রতারণার মামলায় কারাগারে এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিক কেন ইংল্যান্ডে ফিরতে নারাজ আলভারেজ? বার্সেলোনায় যাওয়ার পেছনে রয়েছে পারিবারিক কারণ প্রথম ফরাসি নারী হিসেবে মহাকাশে স্পেসওয়াকের ইতিহাস গড়লেন সোফি আদেনো

মঙ্গলের মাধ্যাকর্ষণে চলছে’ পৃথিবীর সমুদ্র স্রোত?

সৃষ্টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক
  • প্রকাশিত : বুধবার, ৫ জুন, ২০২৪
মঙ্গলের মাধ্যাকর্ষণে চলছে’ পৃথিবীর সমুদ্র স্রোত?

মঙ্গলের মাধ্যাকর্ষণে চলছে’ পৃথিবীর সমুদ্র স্রোত?

সম্প্রতি গভীর-সমুদ্র স্রোতের নানা ভূতাত্ত্বিক রেকর্ড থেকে পৃথিবী ও মঙ্গল গ্রহের কক্ষপথের মধ্যে এক অদ্ভুত যোগসূত্র খুঁজে পাওয়া গেছে।

এর থেকে ইঙ্গিত মিলেছে, অতীতের বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ঘটনা, এমনকি সমুদ্র সঞ্চালনের উপরও প্রভাব ফেলেছে এ সংযোগ।

বিজ্ঞানভিত্তিক জার্নাল ‘নেচার কমিউনিকেশন’ প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে দেখা যায়, পৃথিবীর ২৪ লাখ বছরের গভীর সমুদ্র স্রোত চক্রের নানা উত্থান-পতন ঘটেছে, যা সূর্য থেকে বর্ধিত শক্তির সময়কাল ও বৈশ্বিক জলবায়ুর উষ্ণতার সঙ্গে সম্পৃক্ত। আর, জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যান্য কারণ যেমন গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের সঙ্গে এর কোনও যোগসূত্র নেই।

৫০ বছরের বেশি সময় ধরে গোটা বিশ্বের শত শত ‘ড্রিলিং’ সাইট থেকে সংগৃহিত ডেটা অনুসারে, গভীর সমুদ্র স্রোতের গতি প্রতি ২০ লাখ বছরে একবার করে পরিবর্তিত হয়ে থাকে।

“গভীর-সমুদ্রের পাললিক শিলার ডেটায় এই ২৪ লাখ বছরের নানা চক্র খুঁজে পেয়ে আমরা অবাক হয়েছি,” বলেন এ গবেষণার প্রধান লেখক ও ‘ইউনিভার্সিটি অফ সিডনি’র অধ্যাপক ড. অ্যাড্রিয়ানা ডাটকিউটজ।
“এগুলো ব্যাখ্যা করার মাত্র একটি উপায় আছে, যা সূর্যকে প্রদক্ষিণ করা গ্রহ মঙ্গল ও পৃথিবীর মিথস্ক্রিয়া চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত।”

তাই মঙ্গলের প্রতি এমন আকর্ষণ পৃথিবীর গভীর-সমুদ্রের স্রোতে গভীর গর্জন সৃষ্টি করে, যা কিছুটা ‘রোমান্টিক’ও বটে।

“সৌরজগতের বিভিন্ন গ্রহের মাধ্যাকর্ষণ ক্ষেত্র একে অপরের ওপর প্রভাব বিস্তার করে। এ মিথস্ক্রিয়াকে বলা হয় অনুরণন। এটি গ্রহের বিকেন্দ্রিকতায় (কেন্দ্রীয় দূরত্বে) পরিবর্তন ঘটায়। পাশাপাশি, গ্রহগুলো বৃত্তাকার কক্ষপথের কতটা কাছাকাছি তার একটি পরিমাপও এটি,” বলেন এ গবেষণার সহ-লেখক ও ‘ইউনিভার্সিটি অফ সিডনি’র অধ্যাপক ডিটমার মুলার।

এই পারস্পরিক মহাকর্ষীয় ক্রিয়ার অর্থ, প্রতি ২৪ লাখ বছরে উচ্চ স্তরের সৌর বিকিরণসহ উষ্ণ জলবায়ু ছিল পৃথিবীর। গভীর সমুদ্র প্রবাহের এ উষ্ণ চক্রটি গভীর-সমুদ্রের রেকর্ড ভাঙার সঙ্গেও জোরালোভাবে সম্পর্কযুক্ত।
এক্ষেত্রে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশের জলবায়ুর মহাসাগরীয় স্রোত একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উদাহরণস্বরূপ, ‘আটলান্টিক মেরিডিওনাল ওভারটার্নিং সার্কুলেশন (এএমওসি)’ হল বৈশ্বিক মহাসাগরের এমন এক ‘পরিবাহক বেল্টে’র অংশ, যা পৃথিবীর উত্তর থেকে দক্ষিণে পানির প্রবাহ ঘটায়।

ইউরোপ মহাদেশকে নাতিশীতোষ্ণ রাখতে পৃথিবীর শীতল অক্ষাংশে উষ্ণ পানি বয়ে নিয়ে যায় পরিবাহক বেল্টটি, যা সামুদ্রিক জীব বাঁচিয়ে রাখার প্রয়োজনীয় পুষ্টিও পরিবহন করে।

সাম্প্রতিক এ গবেষণা থেকে ইঙ্গিত মিলেছে, ১৯৫০ সাল থেকে পরিবাহক বেল্ট ‘এএমওসি’ প্রায় ১৫ শতাংশ দুর্বল হয়ে পড়েছে, যা এক হাজার বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে বেল্টটির সবচেয়ে দুর্বল অবস্থা।

এর জন্য দায়ী আটলান্টিক মহাসাগরে অনেক বেশি পরিমাণ ঠাণ্ডা স্বাদুপানির প্রবেশ, যার মধ্যে রয়েছে গ্রীনল্যান্ডের বরফ গলে যাওয়ার ঘটনাটিও।

“সাড়ে ছয় কোটি বছরের গভীর-সমুদ্রের ডেটা থেকে ইঙ্গিত মেলে, উষ্ণ পানির গভীর মহাসাগরগুলো আরও জোরালোভাবে প্রবাহিত হয়,” বলেন ডাটকিউটজ।
“আটলান্টিক মেরিডিওনাল ওভারটার্নিং সার্কুলেশন (এএমওসি)’ চক্রটি ধীর হয়ে গেলে বা একেবারে বন্ধ হয়ে গেলেও সমুদ্রকে স্থবির হতে দেবে না এটি।”

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!