ঢাকা ১১:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এনসিসি ব্যাংকে শাখা ব্যবস্থাপক পদে নিয়োগ তাড়াশ উপজেলা শিক্ষক-কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিঃ পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন রাণীশংকৈলে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে নির্ভুল তথ্য সংগ্রহে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন দোহা–রিয়াদ রুটে কাতার এয়ারওয়েজের একাধিক ফ্লাইট বাতিল বিরল ও পীরগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও মদ উদ্ধার রাণীশংকৈলে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা, ৫৫ মণ্ডপের নিরাপত্তায় জোর মাদরাসার সাবেক উপাধ্যক্ষের পেনশন বণ্টন নিয়ে পরিবারের বিরোধ তাহিরপুরে থমকে গেছে ছাত্রী যৌন হয়রানির অভিযোগের বিচার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও স্থানীয় সরকারব্যবস্থা জনগণের কাছে ফেরাতে চায় সরকার: মঈন খান

নাটোরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানব বন্ধন করেও বন্ধ হচ্ছেনা পুকুর খননের কাজ

নাটোর থেকে বেল্লাল হোসেন বাবু
  • আপডেট সময় : ০৯:০৪:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ১৯৯ বার পড়া হয়েছে

নাটোরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানব বন্ধন করেও বন্ধ হচ্ছেনা পুকুর খননের কাজ

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নাটোরের সর্বত্রেই চলছে পুকুর খননের মহোৎসব। নানা কায়দা, কৌশলে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে রাত-দিন কাটা হচ্ছে মাটি। তৈরী করা একের পর এক বিশাল আকারের পুকুর। বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানব বন্ধন করেও বন্ধ হচ্ছে না পুকুর খননের কাজ। এমন অভিযোগ কৃষকদের।

গত বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারী) পুকুর কাটা নিয়ে ভেদরার বিলে ধলাট গ্রামে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে এলাকার শত শত কৃষক।

এ সময় তারা দাবি করে, বেশ কিছু প্রভাবশালী মানুষ যাদের লাখ লাখ কালো টাকা রয়েছে তারা একের পর এক কিনছেন ওই বিলের জমি। গরিব কৃষকদের টাকার লোভ দেখিয়ে শত শত বিঘা জমি কিনছেন তারা।

এরপরে সেই জমিগুলো অনাবাদি রাখছেন বছরের পর বছর। এক পর্যায়ে ওই জমিগুলোকে অনাবাদি দেখিয়ে তারা একের পর এক পুকুর কেটে মাটি বিক্রি করছেন।

 কৃষকদের মানববন্ধন, বিক্ষোভ করলেও প্রশাসনের সহযোগিতায় রাতের আঁধারে তারা ভেকু দিয়ে মাটি কাটছেন এমন দাবি করেন মানববন্ধনে অংশ নেওয়া কৃষক নেতারাও।

ফসলি জমি রক্ষা ও সমাজ উন্নয়ন সংগঠনের সহ-সভাপতি শামীম সরকার জানান, বংশ পরম্পরায় তারা ওই বিলের দুই ফসলি এবং তিন ফসলি জমিতে চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করেন।

 

অথচ ওই বিলের জমি একের পর এক পুকুর খনন করে মাটি বিক্রি করায় পুকুরের আশপাশের জমিগুলোর ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বর্ষাকালে বাড়ছে জলাবদ্ধতা। কাজ হারাচ্ছেন অসহায় কৃষকরা।

এতে কতিপয় লোকের স্বার্থে হাজার হাজার কৃষকদের পেটে লাথি মারা হচ্চে। এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত এক ইঞ্চি জায়গা ফাকা না রাখাকেও বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো হচ্ছে।

এতে একদিকে যেমন কৃষি আবাদি জমি ধ্বংস হচ্ছে তেমনি প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত এক ইঞ্চি জায়গা অনাবাদি না রাখার ঘোষণাকে দেখানো হচ্ছে বৃদ্ধাঙ্গুলি।

ওই পুকুর কাটার প্রভাবে দিনের পর দিন বেকার হচ্ছেন কৃষকরা। অথচ হাতে গোনা কয়েকজনের স্বার্থের কারণে খাদ্য সংকটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে নাটোরের আপামর কৃষকরা।

নাটোর সদর উপজেলার বড় হরিপুর ইউনিয়নের ভেদরার বিলে রয়েছে ৩ হাজার একর কৃষি জমি। জমিগুলো তিন ফসলী এবং দুই ফসলী।

২০টি গ্রাম সংলগ্ন ওই বিলে ইতিমধ্যেই ২০ বিঘা, ৩০ বিঘা করে ১০টি পুকুর খনন করেছেন বলে অভিযোগ কৃষকদের। এতে আশপাশের জমিগুলো বর্ষায় ভাঙনের পাশাপাশি অনাবাদি হয়ে পড়ছে। এতে ওই বিলে বাড়ছে জলাবদ্ধতা।

কৃষকদের দাবি, ওই বিল দিয়ে বর্ষাকালে ২২টি বিলের অতিরিক্ত পানি প্রবাহিত হয়ে স্থানীয় শাখা নদীর মাধ্যমে পদ্মা নদীতে চলে যায়।

ধান, পাট, গম, ভুট্টা, রসুন ও সরিষা থেকে শুরু করে সব ধরনের চৈতালী ফসলি উৎপাদিত হয় ওই বিলের জমিতে।

কতিপয় লোকের হাত থেকে বাঁচতে ওই এলাকার ৭৭০ জন কৃষক মিলে ফসলি জমি রক্ষা ও সমাজ উন্নয়ন সংগঠন নামে একটি সংস্থা করেছেন।

ওই সংগঠনের ব্যানারে মানববন্ধন, স্মারকলিপি, বিক্ষোভসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন তারা। তার পরেও রক্ষা করতে পারছেন না তাদের জমি আর একের পর এক তাদের বেকার হওয়া থেকে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ জানান,ফসলি জমিতে পুকুর কাটার বিরুদ্ধে প্রশাসন অত্যন্ত তৎপর।

এমন কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যদি প্রশাসনের কেউ ওই কাজে জড়িত থাকে তবে সত্যতা নিশ্চিত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগেও বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারী) পুকুর কাটা নিয়ে ভেদরার বিলে ধলাট গ্রামে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে এলাকার শত শত কৃষক।

এ সময় তারা দাবি করে, ধলাট গ্রামের সুবাহানের ছেলে শহীদ এবং রবির হাটের আফছুরের ছেলে শহীদুল্লাহসহ শহরের বেশ কিছু প্রভাবশালী মানুষ যাদের লাখ লাখ কালো টাকা রয়েছে তারা একের পর এক কিনছেন ওই বিলের জমি।

গরিব কৃষকদের টাকার লোভ দেখিয়ে শত শত বিঘা জমি কিনছেন তারা। এরপরে সেই জমিগুলো অনাবাদি রাখছেন বছরের পর বছর। এক পর্যায়ে ওই জমিগুলোকে অনাবাদি দেখিয়ে তারা একের পর এক পুকুর কেটে মাটি বিক্রি করছেন।

ওই স্বার্থান্বেসী মহলের কারণে হাজারো কৃষকের জীবন-জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে। বেকার হয়ে যাচ্ছেন তারা। এটা কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না দাবি করে তিনি বলেন, জমি রক্ষার জন্য প্রয়োজনে তারা জীবন দেবেন।

তারপরেও তারা চান না যে এই ধরনের পুকুর আর খনন করা হোক। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীসহ সকলে সুদৃষ্টি ও পদক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রেখেছিলেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক বাবুল হোসেন,সদস্য দেলোয়ার, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মহসিনসহ স্থানীয় কৃষকরা।

এক প্রশ্নের জবাবে সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মহসিন জানান, ইতিমধ্যে ওই বিলের ৫০০-৭০০ বিঘা জমিতে পুকুর কাটা হয়েছে। আরো ২০০- ৩০০ বিঘা জমিতে পুকুর কাটার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে  ।

ওই মহল কালো টাকা আর ক্ষমতার কাছে তারা অসহায় দাবি করে এর বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীসহ সকলের সুদৃষ্টি ও আশু কার্যকরী পদক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

One thought on “নাটোরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানব বন্ধন করেও বন্ধ হচ্ছেনা পুকুর খননের কাজ”

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নাটোরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানব বন্ধন করেও বন্ধ হচ্ছেনা পুকুর খননের কাজ

আপডেট সময় : ০৯:০৪:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

নাটোরের সর্বত্রেই চলছে পুকুর খননের মহোৎসব। নানা কায়দা, কৌশলে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে রাত-দিন কাটা হচ্ছে মাটি। তৈরী করা একের পর এক বিশাল আকারের পুকুর। বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানব বন্ধন করেও বন্ধ হচ্ছে না পুকুর খননের কাজ। এমন অভিযোগ কৃষকদের।

গত বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারী) পুকুর কাটা নিয়ে ভেদরার বিলে ধলাট গ্রামে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে এলাকার শত শত কৃষক।

এ সময় তারা দাবি করে, বেশ কিছু প্রভাবশালী মানুষ যাদের লাখ লাখ কালো টাকা রয়েছে তারা একের পর এক কিনছেন ওই বিলের জমি। গরিব কৃষকদের টাকার লোভ দেখিয়ে শত শত বিঘা জমি কিনছেন তারা।

এরপরে সেই জমিগুলো অনাবাদি রাখছেন বছরের পর বছর। এক পর্যায়ে ওই জমিগুলোকে অনাবাদি দেখিয়ে তারা একের পর এক পুকুর কেটে মাটি বিক্রি করছেন।

 কৃষকদের মানববন্ধন, বিক্ষোভ করলেও প্রশাসনের সহযোগিতায় রাতের আঁধারে তারা ভেকু দিয়ে মাটি কাটছেন এমন দাবি করেন মানববন্ধনে অংশ নেওয়া কৃষক নেতারাও।

ফসলি জমি রক্ষা ও সমাজ উন্নয়ন সংগঠনের সহ-সভাপতি শামীম সরকার জানান, বংশ পরম্পরায় তারা ওই বিলের দুই ফসলি এবং তিন ফসলি জমিতে চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করেন।

 

অথচ ওই বিলের জমি একের পর এক পুকুর খনন করে মাটি বিক্রি করায় পুকুরের আশপাশের জমিগুলোর ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বর্ষাকালে বাড়ছে জলাবদ্ধতা। কাজ হারাচ্ছেন অসহায় কৃষকরা।

এতে কতিপয় লোকের স্বার্থে হাজার হাজার কৃষকদের পেটে লাথি মারা হচ্চে। এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত এক ইঞ্চি জায়গা ফাকা না রাখাকেও বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো হচ্ছে।

এতে একদিকে যেমন কৃষি আবাদি জমি ধ্বংস হচ্ছে তেমনি প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত এক ইঞ্চি জায়গা অনাবাদি না রাখার ঘোষণাকে দেখানো হচ্ছে বৃদ্ধাঙ্গুলি।

ওই পুকুর কাটার প্রভাবে দিনের পর দিন বেকার হচ্ছেন কৃষকরা। অথচ হাতে গোনা কয়েকজনের স্বার্থের কারণে খাদ্য সংকটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে নাটোরের আপামর কৃষকরা।

নাটোর সদর উপজেলার বড় হরিপুর ইউনিয়নের ভেদরার বিলে রয়েছে ৩ হাজার একর কৃষি জমি। জমিগুলো তিন ফসলী এবং দুই ফসলী।

২০টি গ্রাম সংলগ্ন ওই বিলে ইতিমধ্যেই ২০ বিঘা, ৩০ বিঘা করে ১০টি পুকুর খনন করেছেন বলে অভিযোগ কৃষকদের। এতে আশপাশের জমিগুলো বর্ষায় ভাঙনের পাশাপাশি অনাবাদি হয়ে পড়ছে। এতে ওই বিলে বাড়ছে জলাবদ্ধতা।

কৃষকদের দাবি, ওই বিল দিয়ে বর্ষাকালে ২২টি বিলের অতিরিক্ত পানি প্রবাহিত হয়ে স্থানীয় শাখা নদীর মাধ্যমে পদ্মা নদীতে চলে যায়।

ধান, পাট, গম, ভুট্টা, রসুন ও সরিষা থেকে শুরু করে সব ধরনের চৈতালী ফসলি উৎপাদিত হয় ওই বিলের জমিতে।

কতিপয় লোকের হাত থেকে বাঁচতে ওই এলাকার ৭৭০ জন কৃষক মিলে ফসলি জমি রক্ষা ও সমাজ উন্নয়ন সংগঠন নামে একটি সংস্থা করেছেন।

ওই সংগঠনের ব্যানারে মানববন্ধন, স্মারকলিপি, বিক্ষোভসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন তারা। তার পরেও রক্ষা করতে পারছেন না তাদের জমি আর একের পর এক তাদের বেকার হওয়া থেকে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ জানান,ফসলি জমিতে পুকুর কাটার বিরুদ্ধে প্রশাসন অত্যন্ত তৎপর।

এমন কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যদি প্রশাসনের কেউ ওই কাজে জড়িত থাকে তবে সত্যতা নিশ্চিত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগেও বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারী) পুকুর কাটা নিয়ে ভেদরার বিলে ধলাট গ্রামে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে এলাকার শত শত কৃষক।

এ সময় তারা দাবি করে, ধলাট গ্রামের সুবাহানের ছেলে শহীদ এবং রবির হাটের আফছুরের ছেলে শহীদুল্লাহসহ শহরের বেশ কিছু প্রভাবশালী মানুষ যাদের লাখ লাখ কালো টাকা রয়েছে তারা একের পর এক কিনছেন ওই বিলের জমি।

গরিব কৃষকদের টাকার লোভ দেখিয়ে শত শত বিঘা জমি কিনছেন তারা। এরপরে সেই জমিগুলো অনাবাদি রাখছেন বছরের পর বছর। এক পর্যায়ে ওই জমিগুলোকে অনাবাদি দেখিয়ে তারা একের পর এক পুকুর কেটে মাটি বিক্রি করছেন।

ওই স্বার্থান্বেসী মহলের কারণে হাজারো কৃষকের জীবন-জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে। বেকার হয়ে যাচ্ছেন তারা। এটা কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না দাবি করে তিনি বলেন, জমি রক্ষার জন্য প্রয়োজনে তারা জীবন দেবেন।

তারপরেও তারা চান না যে এই ধরনের পুকুর আর খনন করা হোক। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীসহ সকলে সুদৃষ্টি ও পদক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রেখেছিলেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক বাবুল হোসেন,সদস্য দেলোয়ার, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মহসিনসহ স্থানীয় কৃষকরা।

এক প্রশ্নের জবাবে সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মহসিন জানান, ইতিমধ্যে ওই বিলের ৫০০-৭০০ বিঘা জমিতে পুকুর কাটা হয়েছে। আরো ২০০- ৩০০ বিঘা জমিতে পুকুর কাটার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে  ।

ওই মহল কালো টাকা আর ক্ষমতার কাছে তারা অসহায় দাবি করে এর বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীসহ সকলের সুদৃষ্টি ও আশু কার্যকরী পদক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

Facebook Comments Box